উত্তর : কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া হারাম নয়। তবে ছালাতে যাওয়ার পূর্বে বা লোকজনের সাথে অবস্থান করতে হবে এমন সময়ের পূর্বে কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। কারণ এতে মানুষ যেমন কষ্ট পায়, তেমনি আল্লাহর ফেরেশতারাও কষ্ট পায় (ইবনু মাজাহ হা/৩৩৬৫, সনদ ছহীহ)। জাবের ইবনু সামুরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আবু আইয়ূব (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করেছিলেন। আবু আইয়ূব (রাঃ) যখনই খাবার খেতেন, তিনি বাকী অংশ নবী করীম (ছাঃ)-কে পাঠাতেন। একদিন তিনি এমন খাবার পাঠালেন, যাতে থেকে নবী করীম (ছাঃ) কিছুই খেলেন না। তখন আবু আইয়ূব (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর কাছে এসে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন, এতে রসুন ছিল। আবু আইয়ূব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! তবে কি রসুন হারাম? তিনি বললেন, ‘না, কিন্তু আমি এর গন্ধের কারণে এটি অপসন্দ করি’ (তিরমিযী হা/১৮০৭, সনদ ছহীহ)। তবে রান্না করা পেঁয়াজ বা রসুন যেকোন সময় খেতে পারে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) জুম‘আর খুৎবায় বলেন, হে লোক সকল! তোমরা দু’টি গাছ খাও, আমি এগুলোকে অপবিত্র ছাড়া কিছু মনে করি না। এগুলো হ’ল পেঁয়াজ ও রসুন। আমি দেখেছি, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যদি মসজিদে কারো মধ্যে এর গন্ধ পেতেন, তিনি তাকে (মসজিদ থেকে) বের করে দিতেন। অতএব তোমাদের কেউ যদি এগুলো খায়, তবে সে যেন রান্না করে এর গন্ধ দূর করে নেয় (ছহীহ মুসলিম হা/৫৬৭)

প্রশ্নকারী : আতীক পাঠান, হাটাবো, নারায়ণগঞ্জ।








বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : একদিন ফাতেমা (রাঃ) কুরআন পাঠরত অবস্থায় পুরুষদের ৪টি বিবাহের অনুমতি সম্পর্কিত আয়াতটি সামনে আসলে তিনি তৎক্ষণাৎ নিচু কণ্ঠে কুরআন পড়তে থাকেন, যেন আলী (রাঃ) শুনতে না পান। এসময় আলী (রাঃ) মুচকি হেসে বললেন তুমি একাই চার জনের সমান। ঘটনাটির সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : জিনিস-পত্র বিক্রয়ের ক্ষেত্রে লাভের কোন সীমা আছে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : বাসে বা ট্রেনে ভ্রমণকালে কারো স্বপ্নদোষ হ’লে সফর অবস্থায় তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) : রাতে পশু শিকার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : গল্প-উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : রাবে‘আ বছরী সম্পর্কে জানতে চাই। - -ফাহীমা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১২/৫২) : জনৈক ব্যক্তি অনেক ফযীলত মনে করে প্রতিদিন সূরা বাক্বারাহর প্রথম ৫ আয়াত তেলাওয়াত করেন। এর বৈধতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : মুসলিম ঘরের সন্তান হয়েও ১০ বছর পূর্বে ৪ বছর যাবৎ আমি মূর্তিপূজার মত জঘন্য শিরকের সাথে জড়িত ছিলাম। পরে আমি তা থেকে ফিরে আসি এবং তওবা করি। আমি জেনেছি শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা হয় না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২০/২৬০) : হাদীছে বর্ণিত আছে, মৃত্যুর পরে রূহ ইল্লিয়ীন এবং সিজ্জীনে যায়। সেখানে মানুষ দলবদ্ধভাবে থাকে না এককভাবে থাকে?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : মেহরাবের একপাশে আল্লাহ ও অপরপাশে মুহাম্মাদ লেখা মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -সোহেল রানা, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/৪২১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, পিতা-মাতা মারা গেলেও তারা জীবিত ছেলে-মেয়েদের পাপের ভাগীদার হবে এবং কবরে শাস্তি পাবে। কথাটির সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.