উত্তর : ইমাম ছাহেবের সহো সিজদা প্রদান সঠিক হয়েছে। কারণ সহো সিজদা ফরয-নফল সকল ছালাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমাদের কারো ছালাতের মাঝে ভুল হয়ে গেলে সে যেন দু’টি সিজদা করে (মুসলিম হা/৫৭২)। এ হাদীছে ফরয বা নফলের মধ্যে পার্থক্য করা হয়নি। ইবনু আববাস (রাঃ) বিতর ছালাতের পর দু’টি সিজদা দিয়েছেন (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/৬৭৮৪, বুখারী, তারজুমাতুল বাব হা/১২৩২)। উছায়মীন বলেন, ফরয-নফল উভয় ছালাতে কারণ পাওয়া গেলে সহো সিজদা দেওয়া যাবে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/৬৪)। হানাফী বিদ্বান বুরহানুদ্দীন বুখারী বলেন, ঈদায়েন, জুম‘আ, ফরয ও নফল সকল ছালাতে সহো সিজদা সমানভাবে প্রযোজ্য (আল-মুহীত্ব ২/১১৪)






প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : ঈদুল আযহায় প্রত্যেক পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কুরবানী করাই কি সুন্নাতসম্মত?
প্রশ্ন (২০/১৪০) : সূরা আহযাব ৫০ আয়াতের ব্যাখ্যা কি? উক্ত আয়াতে কি চাচাতো, মামাতো, খালাতো ও ফুফাতো বোনকে বিবাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে? - -আবুল কাসেম, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : আল্লাহ তা‘আলা মুমিন বান্দার কলবের ভিতর অবস্থান করেন। আর মুমিন বান্দার কলব হল আল্লাহ্র আরশ।’ এর দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন। হে আল্লাহ তোমার রহমত ও গুণসমূহের অসীলায় আমাকে আরোগ্য দান কর। এভাবে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : একটি জমি কবরস্থানের নামে ওয়াক্বফ করা হয়েছে। এক্ষণে উক্ত জমির কিছু অংশে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? বা ওয়াক্বফের জমি পরিবর্তন করে অন্য কোন কল্যাণমূলক কাজে লাগানো যাবে কি? - -সাখাওয়াত হোসেন, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২২/১৮২) : শোনা যায় যে, দাঊদ (আঃ) যখন যবূর তেলাওয়াত করতেন, তখন মাছ তাঁর তেলাওয়াত শ্রবণের জন্য সমূদ্রের কিনারায় চলে আসত। এ কথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মেহেদী হাসান ছাতিয়ানতলা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২০/২৬০) : হুন্ডিতে টাকা লেনদেন করা যাবে কি? বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠালে প্রবাসীদের যে প্রণোদনা দেওয়া হয় তা কি সূদের অন্তর্ভুক্ত হবে?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি সারা জীবন আমল করেছে, কিন্তু অন্য মানুষকে কখনো দ্বীনের দাওয়াত দেয়নি। ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। উক্ত বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : ছালাত শেষে সালাম ফিরানোর সময় যে দু’বার সালাম দেওয়া হয় তা কাকে দেওয়া হয়?
প্রশ্ন (২/২৪২) : স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের গোপন স্থানে দৃষ্টিপাত করতে পারে কি? - .
প্রশ্ন (২/৪৪২) : আমরা ‘লাইফ লাইন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সমিতি করে ২৩ জন প্রতিমাসে ১০০০ টাকা করে জমা করি। সেই টাকা দিয়ে আমরা সমাজের বিভিন্ন মানুষকে পণ্য কিনে দেই। ক্রেতা কিস্তিতে কিছু লাভ সহ মূল্য পরিশোধ করে। আমাদের কোন নিজস্ব দোকান নেই। এরূপ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : এ্যালকোহলযুক্ত সেন্ট মাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/৪৬২) : আমার নিকট কিছু টাকা থাকায় আমি মানুষকে ঋণ দিয়ে ছওয়াব অর্জন করতে চাই। কিন্তু মানুষের অভ্যাস খারাপ হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যারা ঋণ পরিশোধ করবে না তাদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জরিমানাও নির্ধারণ করতে চাই? এই পদ্ধতি গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.