উত্তর : ইমাম তিরমিযী, আবুদাঊদ প্রমুখ মুহাদ্দিছগণ স্ব স্ব গ্রন্থে যে সমস্ত যঈফ হাদীছ উল্লেখ করেছেন এবং যঈফ বলে অভিহিত করেছেন সেগুলো মূলতঃ জনসাধারণকে যঈফ হাদীছ হতে সতর্ক করার জন্য। এরপরও যারা সেগুলোর প্রতি আমল করবে তারাই দায়ী হবে। তবে কিছু হাদীছ যঈফ হওয়ার পরও তারা সেগুলো সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি। কারণ উক্ত হাদীছগুলোর সমর্থনে অন্যত্র ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে।

শর্ত সাপেক্ষে যঈফ হাদীছের প্রতি আমল করা যাবে মর্মে পূর্ববর্তী কতিপয় বিদ্বান শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু ছাহাবী, তাবেঈ ও মুহাদ্দিছগণ যে সমস্ত মূলনীতি এবং শর্ত আরোপ করেছেন তাতে কোন ক্ষেত্রেই যঈফ হাদীছ গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন ইমাম বুখারী, মুসলিম, ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন, ইবনুল আরাবী মালেকী, ইবনু হাযম, ইবনু তায়মিয়াহ প্রমুখ শীর্ষস্থানীয় মুহাদ্দিছগণ সকল ক্ষেত্রে যঈফ হাদীছ বর্জন করেছেন (ক্বাওয়াইদুত তাহদীছ, পৃঃ ১১৩ )। শায়খ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই যঈফ হাদীছ অতিরিক্ত ধারণার ফায়েদা দেয় মাত্র। তবে এ বিষয়ে সকলে একমত যে, তার উপর আমল করা বৈধ নয়। সুতরাং যে ব্যক্তি বলে, ফযীলত সংক্রান্ত যঈফ হাদীছের উপর আমল করা যাবে, তাকে অবশ্যই দলীল পেশ করতে হবে। কিন্তু তাতো অসম্ভব’ (তামামুল মিন্নাহ, পৃঃ ৩৪)। অতএব যঈফ হাদীছ কোন ক্ষেত্রেই আমলযোগ্য নয়।






প্রশ্ন (৩৬/১৫৬) : ইমাম যদি ভুল নিয়মে সহো সিজদা দেয় তখন মুছল্লী হিসাবে আমি কি করব? আমি কি ভুল নিয়মেই ইমামের অনুসরণ করব?
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : জাহান্নামের বর্ণনা সংক্রান্ত হৃদয়ে ভীতি সঞ্চারকারী কিছু আয়াত জানতে চাই। যাতে তা অর্থসহ মুখস্থ করে আমি ছালাতে পড়তে পারি। - -মেহেদী হাসান, মুগদা, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : রোগমুক্তির জন্য কোন আলেমের দেওয়া তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : ইক্বামতের সময় ‘ক্বাদ ক্বা-মাতিছ ছালাহ’ বলার পর ‘আল্লাহু আকবার’ একবার বলার ব্যাপারে কোন দলীল আছে কি? - -মুয্যাম্মিল হক, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৪১২) : বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মাধ্যমে একে অপরকে লিখিতভাবে দো‘আ করা হয় এবং তার জবাব দেওয়া হয়। এভাবে পরস্পরের জন্য দো‘আ করলে নেকী হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মুহাজির বলা যাবে কি? - -ফরহাদ, টিকাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : বিভিন্ন ধরনের কয়েন যেমন বিটকয়েন, ইথিরিয়াম, বিএনবি ইত্যাদি ট্রেডিং বা ফিউচার ট্রেডিং হালাল না হারাম।
প্রশ্ন (১২/২৯২) : আমি মালয়েশিয়া প্রবাসী। সেদেশে রামাযান শুরু হয় বাংলাদেশের এক দিন পূর্বে। সে হিসাবে বাংলাদেশের একদিন পূর্বে সেখানে ঈদ হবে। এক্ষণে আমি ১৫ই রামাযান দেশে যাবো। সেখানে আমি ঈদ করবো কোন দেশের সাথে?
প্রশ্ন (২/২) : প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে উভয় স্বামী যদি জান্নাতী হয়, তাহ’লে আমি কোন স্বামীকে পাব?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : স্ত্রীর ঋতুস্রাব নিয়মিত সময়ের এক সপ্তাহ আগে হওয়ায় ভুলবশত ঋতু অবস্থায় নির্জনবাস হয়। এজন্য কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৭/৭) : বিবাহ ঠিক হওয়ার সময় শারঈ জ্ঞান না থাকায় মোহরানা অধিক পরিমাণে নির্ধারণ করা হয়। ছাত্রজীবনে থাকায় ব্যক্তিগত কোন উপার্জন নেই। ফলে পরিশোধেরও সামর্থ্য নেই। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.