উত্তর : ছালাতে ইমাম ভুল করলে মুক্তাদীদের কর্তব্য হ’ল লোকমা দিয়ে ভুলটি শুধরিয়ে দেওয়া (আবুদাঊদ হা/৯০৭, সনদ হাসান)। আর শুধরানো সম্ভব না হ’লে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ছালাত বাতিল হবে না। আর ইমাম উদাসীনতার কারণে বার বার ভুল করলে এর গুনাহ তার উপরে বর্তাবে, মুক্তাদীর উপরে নয়। ছালাতে ভুলক্রমে কোন ‘ওয়াজিব’ তরক হয়ে গেলে শেষ বৈঠকের তাশাহ্হুদ শেষে সালাম ফিরানোর পূর্বে ‘সিজদায়ে সহো’ দিতে হয়। শাওকানী বলেন, ওয়াজিব তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ ওয়াজিব হবে এবং সুন্নাত তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ সুন্নাত হবে (আস-সায়লুল জাররা-র ১/২৭৪ পৃঃ)। কিন্তু ছালাতে ক্বিরাআত ভুল হ’লে বা সের্রী ছালাতে ভুলবশত ক্বিরাআত জোরে বা তার বিপরীত হয়ে গেলে সহো সিজদার প্রয়োজন নেই।

স্মর্তব্য যে, ছালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া সফল মুমিনের বৈশিষ্ট্য (মা‘আরিজ ৭০/৩৪)। আর ছালাতে উদাসীনদের জন্য রয়েছে ‘দুর্ভোগ’ (মাউন ১০৭/৫)। অতএব ইমামদের কর্তব্য হ’ল পূর্ণ সচেতনতার সাথে ইমামতির দায়িত্ব পালন করা।






প্রশ্ন (১২/২৯২) : পিতা-মাতার দিকে অনুগ্রহের দৃষ্টিতে তাকালে কবুল হজ্জের নেকী লাভ করা যায় মর্মের বক্তব্যটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : কেউ ছালাতে শেষ বৈঠকে ভুলবশতঃ আত্তাহিইয়াতু..., দরূদ না পড়ে সালাম ফিরিয়ে দিলে তার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : জনৈকা পাত্রী সব দিক দিয়ে ভালো। কিন্তু সে মূলত জারজ সন্তান। এরূপ নারীকে বিবাহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/৫০) : আমার এক আত্মীয় তার অধিকাংশ জমি ছেলেদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছে, অথচ মেয়েদের কিছুই দেননি। এক্ষণে পরকালে বাঁচার জন্য পিতার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : প্রবাসে আমরা অনেক বাংলাদেশী ভাই একত্রে থাকি। এখানে বিদেশীদের সালাফী সংগঠন আছে। এক্ষণে আমরা বাংলা ভাষাভাষীরা পৃথক জামা‘আত গঠন করতে পারি কি? - -ইবরাহীম, সিডনী, অস্ট্রেলিয়া।
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : নিয়মিত ইস্তেগফার পাঠ দো‘আ কবুলের অন্যতম কারণ মর্মে ইমাম আহমাদ (রহঃ) এবং রুটি বিক্রেতার মধ্যে প্রসিদ্ধ একটি কাহিনী রয়েছে। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২১/৩৮১) : হতাশা-দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরী‘আতে কি কি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
প্রশ্ন (১০/২১০) : আমার স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম। মান-সম্মানের ভয়ে এভাবেই ১২ বছর একসাথে আছি। বর্তমানে ঋণগ্রস্ত হওয়ায় তিনি পাওনাদারদের আমাকে ও আমার পিতৃ পরিবারকে দেখিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় আমি তালাক চাইলে তিনি তালাকও দিচ্ছেন না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমি একজন সরকারী চাকুরীজীবী। আমাকে প্রতি মাসে বেতনের বাইরে একটি নির্দিষ্ট অংকের ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হয়। কিন্তু এই বিলটি পাওয়ার জন্য আমাকে যে ভ্রমণের কথা উল্লেখ করতে হয়, সেই ভ্রমণ আমি বাস্তবে করি না; এটি কেবল কাগজপত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এতে তাদের কোন আপত্তি নেই। রাষ্ট্রীয় অর্থ এভাবে গ্রহণ করাকে আমি যুক্তিযুক্ত মনে না করায় বর্তমানে তা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকলেও, বাস্তবে ভ্রমণ না করে এভাবে ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : রৌপ্য নির্মিত আংটিতে স্বর্ণের প্রলেপ লাগিয়ে ব্যবহার করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১/৪৪১) : জান্নাত ও জাহান্নাম কয়টি ও কি কি? নাম সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৭/৩৬৭) : গ্রামের দু’পাশে দু’টি মসজিদ রয়েছে। গ্রামের মধ্যস্থলে বাজারের নিকটে জুম‘আ মসজিদের সম্পত্তি রয়েছে। সেখানে আরেকটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? তাছাড়া একটি মসজিদের অর্থ দিয়ে অন্য মসজিদ নির্মাণে অর্থ ব্যয় করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ নাজমুল হুদা, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
আরও
আরও
.