আল-হামরা : হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণযুগের নীরব সাক্ষী

প্রাচীন আইবেরিয়ান উপদ্বীপ রাষ্ট্র স্পেনের আন্দালুস বিজয়ের মাধ্যমে রোমান সভ্যতার ধ্বজাধারী ইউরোপ মহাদেশে ইসলাম ও মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রোত্থিত হয়। উমাইয়া খলীফার তরুণ বীর সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদ (মৃ. ৭২০ খৃ.) নৌবহর নিয়ে মরক্কো থেকে আফ্রিকা ও ইউরোপকে বিচ্ছিন্নকারী জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করে স্পেন জয় করেন। আফ্রিকা বিজয়ী বীর মূসা বিন নুসাইর (মৃ. ৭১৬ খৃ.) ৭১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে এপ্রিল ৩০০ আরব ও ৭ হাযার বার্বার সেনার বহর তুলে দেন সেনাপতি তারেকের হাতে। তারিক ৪টি জাহাজে উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে একটি পাহাড়ে অবতরণ করেন যা আজও জাবালূত তারিক (তারিক পাহাড়) নামে খ্যাত। রাতের শেষ ভাগে অভিযান শুরু হয়। তারিক স্পেনের মাটিতে ফজরের ছালাত আদায় করেন।[1]

ঐতিহাসিকদের মতে, তারিক স্পেনের উপকূলে পদার্পণ করে সমস্ত জাহাজ পুড়িয়ে ফেলেন। তারপর সৈন্যদের সামনে তেজস্বী কণ্ঠে উৎসাহব্যঞ্জক ভাষণ দিয়ে বলেন, ‘ভাইসব! পেছনে বিশাল সমুদ্র, সামনে শত্রু বাহিনী। আমি জাহাজগুলো পুড়িয়ে ফেলেছি। ফিরে যাবার কোন পথ নেই। আমরা ফিরে যেতে এখানে আসিনি। এই ভূমিকে আমাদের স্বদেশভূমিতে পরিণত করতে এসেছি।...আমরা হয় গাযী হব নয়তো শহীদ’।[2] তারেকের এই তেজোদীপ্ত ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে সৈন্যরা জিহাদের ময়দানে ঝাপিয়ে পড়ে। মাত্র ১২ হাযার (৫ হাযার সৈন্য পরে যুক্ত হয়) মুজাহিদের বিপরীতে স্পেনের রাজা রডারিক ১ লক্ষ্য সেনাবাহিনী জমায়েত করে। তবুও মুজাহিদদের মাথার সাদা পাগড়ী, শরীরে লোহার বর্ম, হাতে আরব ধনুক, কোমরে বর্শা ও তরবারী দেখে রডারিক ভয়ে কাঁপতে থাকে। ৭১১ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে মে। লক্ষাধিক সৈন্যের সাথে ৭ দিনের অসম লড়াইয়ে ৩ হাযার শহীদের আত্মত্যাগে স্পেন মুসলমানদের করতলগত হয়।[3]

ফলে মুসলমানদের জন্য ইউরোপের দুয়ার উন্মুক্ত হয়। দলে দলে লোকজন স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। ইসলামী সাম্রাজ্য স্পেন ছাড়িয়ে ফ্রান্সে প্রবেশের আকাক্ষায় উত্তরে পীরেনীজ পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে। মুসলমানগণ ৭১১ থেকে ১৪৯২ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৭০০ বছরের অধিককাল এ অঞ্চল শাসন করে। কিন্তু শাসকদের দুর্বলতা, পারস্পরিক আত্মকলহ, হিংসা-বিদ্বেষ, বিলাস-ব্যসন এবং ক্ষমতা হারানো খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের ঐক্যবদ্ধ আক্রমণের ফলে স্পেনে ইসলামী সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। মুসলমানদের বিজিত ভূমি থেকে লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। অশিক্ষা, কুশিক্ষা আর অসভ্যতায় জর্জরিত সমাজকে মুসলমানগণ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাস, চিকিৎসা ও নৈপুণ্যশৈলীতে নির্মিত স্থাপত্যে বাগদাদের পাশাপাশি স্পেনকে করে তুলেছিলেন দীপ্তিময়।

মুসলমানদের সেই ঐশ্বর্যমন্ডিত সোনালী ইতিহাসকে মুছে ফেলার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে খ্রিস্টানরা। কর্ডোভায় প্রতিষ্ঠিত অনিন্দ্যসুন্দর কর্ডোভা জামে মসজিদকে গির্জায় পরিণত করে। যে মসজিদে এক সময় শুধু বাতি জ্বলত ১০ হাযার আর খাদেম ছিল ৩০০ জন! মসজিদ সংলগ্ন কর্ডোভা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়, গ্রন্থাগারগুলোতে সংরক্ষিত লক্ষ লক্ষ দুর্লভ পান্ডুলিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থাদি আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। বিভিন্ন প্রাসাদের আরবী লিপি, পাথরে খোদিত আরবী শিলালিপি এমনকি কারুশিল্পের সামান্যতম নিদর্শনাদিও ধ্বংস করতে ছাড়েনি তারা। শত নির্যাতন আর ধ্বংসযজ্ঞের পরেও ইসলামী সভ্যতার নিদর্শন এখনো স্পেনসহ সমগ্র ইউরোপে রবি রশ্মির ন্যায় বিকিরিত হচ্ছে।

তেমনি এক মুক্তা খচিত পান্না গ্রানাডার সাবিকা পাহাড়ে অবস্থিত আল-হামরা প্রাসাদ। স্পেন এক সময় উমাইয়া খেলাফতের অধিনতা থেকে মুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যে পরিণত হয়। ১৩শ শতকে বনু নাছর বংশের প্রধান মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-আহমার (মৃ. ১২৭২ খৃ.) গ্রানাডা দখল পূর্বক রাজধানী কায়েম করে নাছরী বংশীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনিই সবুজে ঘেরা সাবিকা পাহাড়ের চূড়ায় রোমান দুর্গের ধ্বংসস্তূপের উপর পৃথিবী বিখ্যাত লাল প্রাসাদ আল-হামরা নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর বংশধরগণ এই প্রাসাদ সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য বর্ধন করে। আড়াই শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে আল-হামরা প্রাসাদ হৃদয়গ্রাহী মুগ্ধকর শৈল্পিক স্থাপত্যরূপে গড়ে ওঠে। প্রাসাদের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দারো নদী। সুলতান মুহাম্মাদ সে সময় দারো নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে নলের সাহায্যে প্রাসাদে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করেন। দুর্লভ বৃক্ষ ও সুগন্ধি ফুল দ্বারা উদ্যান সুশোভিত করেছিলেন। তিনি তাঁর সময়ের বড় একটি অংশ সেই বাগানে কাটাতেন।

পুরো প্রাসাদে বাথরুম থেকে শুরু করে ফুলের বাগান পর্যন্ত পাহাড় থেকে আনা পানির ধারা ছড়িয়ে আছে। সেই পানিই শহরের দিকে নেমে গিয়ে ঝর্ণা ও খাল বেয়ে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণের উষ্ণ আবহাওয়ায় রয়েছে প্রাণ জুড়নো পাহাড়ী বাতাস, পানির মর্মর ধ্বনি, সবুজ গাছপালা আর প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রত্যেককে অলস প্রশান্তি এনে দিবে।[4]

আল-হামরার যে অবকাঠামো অদ্যাবধি স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে সেটা নির্মাণের কৃতিত্ব সুলতান প্রথম ইউসুফ (মৃ. ১৩৫৪ খৃ.) ও পঞ্চম মুহাম্মাদের (মৃ. ১৩৫৯ খৃ.)। তাঁদের হাত ধরেই এই শহর বিস্তৃত হয়, অনেক মসজিদ, হাম্মামখানা এবং অতুলনীয় অভ্যন্তরীণ সাজ-সজ্জায় সজ্জিত হয়। আল-হামরার দৈর্ঘ্য ২৪৩০ ফুট এবং প্রস্থ গড়ে ৬০০ ফুট। প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাযার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ প্রাসাদ উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রসারিত।[5] ১৭৩০ মিটার দেয়াল ঘেরা শহরের ভেতরে রয়েছে ত্রিশটি টাওয়ার আর চারটি সদর দরজা। তন্মধ্যে অন্যতম হ’ল বিশাল টাওয়ার সদৃশ ‘গেইট অব জাস্টিস’ বা ন্যায়ের দরজা। যেখানে মুসলিম আমলে বিচারসভা বসত এবং ছোট-খাটো মামলার তাৎক্ষণিক বিচার হ’ত।[6] আল-হামরায় চতুর্দশ শতাব্দীতে নির্মিত বিখ্যাত তিনটি স্থাপনা যথাক্রমে কোমারিস প্যালেস, কোর্ট অব লায়ন ও পার্টাল প্যালেস রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কোমারেস প্যালেস সবচেয়ে উঁচু। এই প্যালেসের সদর দরজাটি উন্মুক্ত হয়েছে একটি প্রাঙ্গনে যেখানে রয়েছে বিশাল চত্বর ও পুকুর। এই প্যালেসের অভ্যন্তরেই রয়েছে সুলতানদের সিংহাসন কক্ষ ‘হল অব অ্যাম্বেসেডরস’। কোমারিস প্রাসাদের পরেই চমৎকার পানিপ্রাবাহ সম্বলিত মার্বেল বেসিন বসানো রয়েছে পাথরে খোদাই করা বারোটি সিংহের পেছনে যাকে ‘কোর্ট অব লায়ন’ বলা হয়।

আল-হামরার প্রাসাদসমূহের জটিল ও সূক্ষ্ম স্থাপত্যশৈলী তাকে করেছে এক অভূতপূর্ব নান্দনিকতার প্রতীক। প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস প্রবাহের সুব্যবস্থা। প্রাসাদজুড়ে ছড়িয়ে আছে অগণিত স্তম্ভ, ঝর্ণা, তোরণ, স্বচ্ছ পুকুর, রঙিন ফুলগাছ ও ঝকঝকে ফোয়ারা। মার্বেল পাথরে খোদাই করা নিখুঁত কারুকাজ, দেয়ালের জ্যামিতিক অলঙ্করণ, মাকার্নাস নকশার গম্বুজাকার কারুকার্যখচিত কাঠের সিলিং, রঙিন টাইলস ও মোজাইক, গাণিতিক নকশা, ফুল পাতার জড়াজড়ি করা আরবী অ্যারাবেস্ক শৈলী এবং নানাবর্ণে রচিত আলপনার অনুপম সৌন্দর্য আল-হামরাকে করে তুলেছিল স্থাপত্যকলার এক অতুলনীয় নিদর্শনরূপে। সেজন্য পর্যটক জাসন ওয়েবস্টার লিখেছেন, ‘কিশোররা পর্যন্ত আল-হামরার মার্বেলওয়ালা মেঝে ও উপরের স্তম্ভের মাথায় জটিল জ্যামিতিক নকশা দেখে হতবাক হয়ে পড়ে।...আমি প্রাসাদে যেতে ‘কুয়েস্টা ডি গোমেরেজ’ (ইসলামী নাম ছিল বাবুল বুখসার) এলাকা পর্যন্ত কমপক্ষে ডজন খানেক হেঁটেছি কিন্তু প্রত্যেকবারই মনে হয়েছে আজকেই প্রথম আসলাম’।[7]

প্রাসাদের অভ্যন্তরের দেয়াল, কক্ষ, খুঁটি ও মিনারসমূহ অলঙ্কৃত হয়েছে পবিত্র কুরআনের আয়াত, হাদীছ, উপদেশমূলক বাণী, আরবী ক্যালিগ্রাফি এবং আন্দালুসের খ্যাতিমান কবি ইবনুল খতীব (মৃ. ১৩৭৪ খ্রি.) ও ইবনু জামরাক (মৃ. ১৩৯৩ খ্রি.)-এর মনোমুগ্ধকর কবিতার শ্লোক দ্বারা। দরবার কক্ষগুলোর বিভিন্ন স্থান জুড়ে রয়েছে আল-আহমারের বিখ্যাত সেই উক্তি ولا غالب إلا الله তথা ‘আল্লাহ ছাড়া কেউ বিজয়ী নয়’। কাস্টাইলের খ্রিস্টান রাজা ফার্দিনান্দ স্পেন থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে বিতাড়িত করার ঘৃণ্য মানসিকতায় গ্রানাডায় আহমারকে কখনো সুখে থাকতে দেয়নি। তিনি ১২৪৬ সালে জায়েন শহর আক্রমণ করেছিলেন। অবস্থা বেগতিক দেখে আহমার ফার্দিনান্দের অধিনস্ত রাজা হিসাবে রাজ্য পরিচালনার সন্ধি করেন। তিনি অসম্মানিত হন, জায়েনের একচ্ছত্র অধিকার থেকে বঞ্চিত হন এমনকি ফার্দিনান্দকে ভবিষ্যতে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিতে বাধ্য হন। ফলশ্রুতিতে কিছুদিন পরেই ফার্দিনান্দ অপর মুসলিম শহর সেভিল আক্রমণ করে আহমারের সহায়তা চান। নিরুপায় আহমার নির্বাচিত ৫০০ দক্ষ অশ্বারোহী নিয়ে তাঁরই মুসলিম ভাইদের বিপক্ষে খ্রিস্টান রাজার অনুগত হয়ে অভিযানে অংশ নেন। ১২৪৮ সালে সেভিলের পতন হয়। আহমার দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে গ্রানাডায় প্রবেশ করছিলেন। যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তাঁকে ‘আল-গালিব’ তথা বিজয়ী বলে প্রশংসা করছিল। আর তিনি বিমর্ষ চিত্তে মৃদু মাথা নেড়ে বলেছিলেন ولا غالب إلا الله। তারপরেই তিনি আল-হামরা প্রাসাদ নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন।[8]

ইসলামী সাম্রাজ্য হারানোর আত্মগ্লানির বেদনাবিধুর অব্যক্ত স্মৃতি মুসলমানদের চরম পরিণতির সাক্ষ্য হিসাবে যুগ-যুগান্তর ধরে দেখানোর জন্যই হয়তো তিনি আল-হামরার দেওয়ালে বিখ্যাত এই উক্তি পাথরে খোদাই করে রেখেছিলেন। ১৪৯২ সালে সুলতান আবু আব্দুল্লাহ বোয়াবদিল (মৃ. ১৫৫৩ খৃ.)-এর শাসনকালে গ্রানাডার পতনের মাধ্যমে সমগ্র স্পেন থেকে ইসলামী শাসনের জ্বলন্ত প্রদীপ দপ করে নিভে যায়। নিপুণ কারিগরদের হাতে গড়া শত শত বছরের পরিশ্রমে তৈরী ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদের চাবি তুলে দিতে হয় খ্রিস্টানদের হাতে। সুলতান আবু আব্দুল্লাহ অ্যারাগণের খ্রিস্টান রাজা ফার্ডিনান্ডের হাতে আল-হামরার চাবি তুলে দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে উঁচুনিচু পথে অদৃশ্য হওয়ার আগে আল-হামরাকে শেষবারের মত দেখার জন্য অশ্বের গতিরোধ করেন। পেছন ফিরে আল-হামরার দিকে তাকিয়ে অঝোরে কাঁদছিলেন আর চোখের পানি মুছছিলেন। তখন তাঁর মা আয়েশা তাকে তিরস্কার করে বলেন, ‘যে সম্পদ তুমি পুরুষের মত রক্ষা করতে পারোনি, সে সম্পদের জন্য এখন শিশুর মত কাঁদছ’![9]

প্রায় আট শতাব্দীর দীপ্তিমান শাসনের অবসানে আজ স্পেনের বুকে অাঁকা আছে শুধু মুসলিম পরাজয়ের বেদনাবিধুর ছায়া, পরাধীনতার অপমানজনক ক্ষত। হারিয়ে গেছে আল-হামরার গৌরবোজ্জ্বল জ্যোতি, নিভে গেছে কর্ডোভা ও গ্রানাডার দীপ্তি। যেসব পথ একসময় মুসলিম জ্ঞান, সভ্যতা ও শৌর্যের পদধ্বনিতে মুখর ছিল সেসব আজ নিঃসৃত এক দীর্ঘশ্বাসের প্রতিধ্বনি মাত্র। যে আন্দালুস ছিল মুসলিম ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রদীপ তা আজ ইউরোপীয় মানচিত্রে শুধু স্মৃতির এক করুণ প্রতিচ্ছবি।


[1]. মোঃ আবু তাহের, মুসলিম স্পেন : রাজনীতি ও সমাজ-সংস্কৃতি (ঢাকা : ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ফেব্রুয়ারী ২০২০), পৃ. ২১।

[2]. ড. আলী মুহাম্মাদ ছাল্লাবী, আদ-দাওলাতুল উমাবিয়্যাহ: আওয়ামিলুল ইযদিহার ওয়া তাদা‘ইয়্যাতুল ইনহিয়ার, ২য় খন্ড (বৈরূত : দারুল মা‘রেফা, ২য় প্রকাশ, ১৪২৯হি./২০০৮খৃ.), পৃ. ২৭।

[3]. আদ-দাওলাতুল উমাবিয়্যাহ, পৃ. ২৪-২৫।

[4]. Washington Irving, Tales of The Alhambra (London : Richard Bentley, 8. New Burlington Street, 1835), p. 25.

[5]. https://surl.li/clhfun.

[6]. Tales of The Alhambra, p. 20.

[7]. Jason Webster, Andalus : Unlocking The Secrets Of Moorish Spain (Great Britain : Black Swan, December 2004), p. 142.

[8]. Washington Irving, The Alhambra (New York & London : G. P. Putnam's Sons, The Knickerbocker Press, n.d.), p. 99-100.

[9]. মুসলিম স্পেন : রাজনীতি ও সমাজ-সংস্কৃতি, পৃ. ২৭৪।






বিষয়সমূহ: বিবিধ
আরও
আরও
.