দফ ইসলামী ঐতিহ্যের অংশ

পৃথিবীতে প্রচলিত ধর্মগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে ইসলামই একমাত্র অভ্রান্ত ও চূড়ান্ত সত্য ধর্ম। এই মহাসত্য ধর্ম পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের উপর ভিত্তিশীল। যা মহান প্রভু আল্লাহ তা‘আলার বাণী। আল্লাহ তা‘আলা মহিমান্বিত কুরআনে সংশয়বাদী, নাস্তিক, কাফের ও মুশরিকদের চিরন্তন এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন যে, যদি তাদের মনে কুরআনের সত্যতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে তবে তারা যেন এর অনুরূপ একটি আয়াত রচনা করে দেখায় (বাক্বারাহ ২/২৩)। কুরআন নাযিলের সময় থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি আর ক্বিয়ামত পর্যন্ত হবেও না। এভাবেই আল্লাহ তা‘আলা ইসলামের সত্যতা সার্বজনীনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ইসলাম বিরোধী শক্তি ইসলামকে মানবরচিত ধর্ম প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে যুগে যুগে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত, বিকৃত এবং বিতর্কিত করার অপচেষ্টা ও কূটকৌশল অব্যাহত রেখেছে। সেজন্য ইসলাম তাদের কাছে অতি মাত্রায় রক্ষণশীল ধর্ম, জঙ্গীবাদের ধর্ম, অন্ধবিশ্বাসভিত্তিক ধর্ম, অসহিঞ্চু ধর্ম, মধ্যযুগীয় বর্বর ধর্ম, নারী বিরোধী ধর্ম, পশ্চাতপদ ধর্ম ইত্যাদি। ইতিহাসের এক গৌরবময় পর্বে মুসলমানগণ আরব ও আ‘জম শাসন করে মানবজাতির সামনে ইসলামের অনুপম সৌন্দর্য তুলে ধরেছিলেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসাবে ইসলাম বারবারই তার শ্রেষ্ঠত্ব ও সত্যতা প্রমাণ করেছে। আর এই শ্রেষ্ঠত্বই ইসলামবিরোধী অপশক্তিগুলোকে বিচলিত করেছে। এ কারণে তারা ইসলাম সম্পর্কে উক্ত নেতিবাচক ধারণাসমূহ উসকে দিয়েই থেমে থাকেনি, বরং ইসলামের মৌলিকত্ব ধ্বংসের জন্য উদ্ভাবন করেছে নানান মতবাদ।

যেমন- মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্রের মত মূর্খের শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ইসলামী খিলাফতভিত্তিক শাসনব্যবস্থা। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের মত ধর্মহীন কুফরী মতবাদের মাধ্যমে আঘাত করা হয়েছে ইসলামী আইন ও বিধানের ওপর। ইসলামী অর্থনীতিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে পুঁজিবাদ ও সূদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়ে। জাতীয়তাবাদের বিভাজনমূলক মতবাদকে হাতিয়ার করে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব। এখানেই শেষ নয়! ইসলামকে রক্ষণশীল ও সংস্কৃতিহীন ধর্ম হিসাবে চিত্রিত করে ইসলামে হারাম ঘোষিত নাচ-গান, অশ্লীলতা, মদ্যপান, যেনা-ব্যভিচার ও নানা রকম ভোগবাদী সংস্কৃতিকে তথাকথিত ‘আধুনিকতা’ ও ‘বিনোদন’-এর নামে সমাজে এমনভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যেন তা স্বাভাবিক ও সহজলভ্য হয়ে যায়। এর মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে মুসলমানদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও নৈতিক স্থিতি দুর্বল করে ফেলা হয়েছে।

এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় ছিল ইসলামের মৌলিক ভিত্তি দৃঢ়ভাবে অাঁকড়ে ধরা। কিন্তু আমরা পশ্চিমাদের ধোঁকায় পড়ে ইসলামকে তথাকথিত ‘মডারেট ধর্মে’ পরিবর্তন করে ফেলেছি। গণতন্ত্রকে ইসলামী মূল্যবোধের নামে ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ বলেছি; সূদভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সামান্য পর্দা টেনে তা রূপ দিয়েছি ‘ইসলামী ব্যাংক’-এ। একইভাবে আমরা সৃষ্টি করেছি ‘ইসলামী গান’, ‘ইসলামী নাটক’, ‘ইসলামী সিনেমা’ যা মূলত পশ্চিমা সংস্কৃতির চেহারাকেই ধর্মীয় মোড়কে উপস্থাপন। এমনকি ইংরেজী নববর্ষের মত অনৈসলামী সংস্কৃতিও দো‘আ চাওয়ার মাধ্যমে ইসলামী আবহে রূপ দেওয়া হয়েছে। ৩১শে ডিসেম্বর রাতে পরস্পরের কাছে দো‘আ চাওয়া হচ্ছে যেন নতুন বছরটি আরও ভাল হয়। এ যাবৎ যারা বাংলা নববর্ষের বিরোধিতা করে এসেছেন তাদেরই একাংশ এ বছর বাংলা নববর্ষকেও ইসলামীকরণ করেছেন! এ সবই আমাদের আত্মপরিচয়হীনতা, চেতনার বিভ্রান্তি, ইসলামী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মৌলিক আদর্শ না বুঝার করুণ চিত্র।

ইসলামী সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যের মৌলিক আদর্শ হ’ল, পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ যতটুকু অনুমোদন করেছে সেই সীমারেখার মধ্যে থাকা। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হ’ল ইসলামী সংস্কৃতির কোন প্রান্তরেখাই লঙ্ঘন করতে আমরা বাকী রাখিনি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, দফ বাজানো শর্ত সাপেক্ষে জায়েয হওয়া সত্ত্বেও হালাল-হারামের সূক্ষ্ম সীমারেখা বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় ইসলামে হালাল একমাত্র এই বাদ্যযন্ত্রের ঐতিহ্যের কথা বুক ফুলিয়ে বলা যায় না। তদুপরি ইসলামের এই নিদর্শন যতটুকু আমাদের জন্য কল্যাণকর ততটুকু প্রকাশ করা গুরুদায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। আশা করা যায় এর মাধ্যমে দফের অপব্যবহার বন্ধ হবে এবং আমরা ইসলামী ঐতিহ্যের প্রকৃত রূপও উপলব্ধি করতে সক্ষম হব। এ কারণেই আলোচ্য প্রবন্ধের অবতারনা।

দফ (دف) হ’ল ফ্রেমে বাধা একমুখী ঢোল বিশেষ। দফ-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে,آلة من آلات الموسيقى مستدبرة كالغربال ليس لها جلاجل يشد الجلد من أحد طرفيها ‘দফ হ’ল চালুনির মত পিছন দিকে খোলা একটি বাদ্যযন্ত্র, যাতে ঝুনঝুন আওয়াজ থাকে না এবং একপাশে চামড়ার পর্দা টেনে বাঁধা হয়’।[1] সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায় যে, দফ চালুনি সদৃশ গোলাকৃতির ফ্রেমে বাঁধা একটি বাদ্যযন্ত্র। যার একদিক সম্পূর্ণ খোলা এবং অন্য দিক চামড়ার পর্দা দিয়ে মোড়ানো। যাতে আঘাত করলে সুরেলা কোন আওয়াজ হবে না বরং ঢ্যাব ঢ্যাব আওয়াজ হয়। বাজারে একটি দফ পাওয়া যায় তাতে ধাতব রিং লাগানো থাকে। ফলে বাজানোর সময় ঘণ্টার মত সুরেলা একটি আওয়াজ বের হয়। এ জাতীয় দফ বাজানোর বিধান অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ন্যায় হারাম। ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী রাসূল (ছা.) কয়েকটি ক্ষেত্রে দফ বাজানোর অনুমতি দিয়েছেন। নিম্নে সেগুলো উল্লেখ করা হ’ল-

বিবাহের অনুষ্ঠানে : রুবাঈ বিনতে মু‘আবিবয ইবনু আফরা (রা.) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমার বাসর রাতের পরের দিন নবী করীম (ছা.) এলেন এবং আমার বিছানার ওপর বসলেন, যেমন বর্তমানে তুমি আমার কাছে বসে আছ। সে সময় আমাদের ছোট মেয়েরা দফ বাজাচ্ছিল এবং বদরের যুদ্ধে শাহাদত বরণকারী আমার বাপ-চাচাদের শোকগাঁথা গাচ্ছিল। তাদের একজন বলে বসল, আমাদের মধ্যে এক নবী আছেন, যিনি আগামী দিনের কথা জানেন। তখন রাসূল (ছা.) বললেন, এ কথা বাদ দাও, আগে যা বলছিলে, তাই বল’।[2]

এ হাদীছ থেকে বুঝা যায়, রাসূল (ছা.)-এর সামনে দফ বাজানো হয়েছে কিন্তু তিনি নিষেধ করেননি। অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, রাসূল (ছা.) বলেন,فَصْلُ مَا بَيْنَ الحَرَامِ وَالحَلَالِ، الدُّفُّ وَالصَّوْتُ فِي النِّكَاحِ، ‘হারাম (ব্যভিচার) ও হালাল বিবাহের মধ্যে পার্থক্য হ’ল ঘোষণা করা ও দফ ব্যবহার’।[3] এই হাদীছ প্রমাণ করে, মূলত বিবাহের সংবাদ প্রচারের জন্য বিয়েতে দফ বাজানোকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

ঈদের দিনে : আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুবকর (রা.) আমার নিকটে আসেন। তখন আমার নিকটে দু’জন আনছার বালিকা উপস্থিত ছিল। তারা বুয়াস যুদ্ধে আনছারদের মুখে উচ্চারিত কবিতাগুলো গানের সুরে আবৃত্তি করছিল। আয়েশা (রা.) বলেন, তারা পেশাদার গায়িকা ছিল না। আবুবকর (রা.) বললেন, শয়তানের বাঁশি (বাদ্যযন্ত্র) নবী করীম (ছা.)-এর ঘরে? এ ঘটনাটি ছিল ঈদুল ফিতরের দিনের। নবী করীম (ছা.) বলেন, হে আবুবকর! প্রত্যেক জাতিরই ঈদ (আনন্দ উৎসব) রয়েছে। আর এটাই হচ্ছে আমাদের ঈদ’।[4] একই বর্ণনা ঈদুল আযহার দিনগুলোর বিষয়েও এসেছে।[5] এছাড়াও ইবনু মাজাহর অপর একটি বর্ণনায় পাওয়া যায় ‘রাসূল (ছা.) মদীনার গলিপথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। কয়েকজন বালিকা দফ বাজিয়ে গান গেয়ে বলছিল, ‘আমরা বনু নাজ্জারের বালিকার দল। কত খোশ নছীব! মুহাম্মাদ (ছা.) আমাদের মহৎ প্রতিবেশী’। তখন নবী করীম (ছা.) বলেন, ‘আল্লাহ অবগত আছেন, আমি তো তোমাদের ভালবাসি’।[6]

সুতরাং উপরোক্ত হাদীছগুলো বিশ্লেষণ করলে দু’টি বিষয় স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। প্রথমতঃ দফ কেবল বিবাহ অনুষ্ঠান ও ঈদের দিনে বাজানো জায়েয। এছাড়া অন্য কোন সময় দফ বাজানোর অনুমতি রাসূল (ছা.) দেননি। এ কথার স্বপক্ষে অন্য একটি হাদীছ এখানে উল্লেখ্য যে, রাসূল (ছা.) কোন এক যুদ্ধাভিযানে যান। তিনি ফিরে এলে এক কৃষ্ণবর্ণা কন্যা এসে বলে, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছা.)! আমি মানত করেছিলাম যে, আপনাকে আল্লাহ তা‘আলা সুস্থাবস্থায় ফিরিয়ে আনলে আপনার সম্মুখে আমি দফ বাজাব এবং গান করব’। তখন রাসূল (ছা.) তাকে বললেন, ‘তুমি সত্যিই যদি মানত করে থাক তবে দফ বাজাও, তা না হ’লে বাজাইও না’।[7] এই হাদীছে স্পষ্ট বোঝা যায়, রাসূল (ছা.) উক্ত কন্যার মানত পূর্ণ করার জন্য দফ বাজানোর অনুমতি দিয়েছেন অন্যথা দিতেন না। সেজন্য বিবাহ ও ঈদ ব্যতিরেকে অন্য সময় দফ বাজানো সুন্নাহ সম্মত নয়। আবার ঈদ কিংবা ওয়ালীমায় পেশাদার গায়ক কিংবা বাদক ভাড়া করে দফ বাজানোও বৈধ নয়।

দ্বিতীয়তঃ উপরে উল্লিখিত সবক’টি হাদীছে বালিকা মেয়েদের দফ বাজানোর কথা এসেছে। সেজন্য প্রাপ্ত বয়স্ক কোন নারী কিংবা পুরুষের দফ বাজানো জায়েয নয়। ছহীহ বুখারীর বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার ইবনে রজব হাম্বলী (মৃ. ৭৯৫ হি.) দফ বাজানো বিষয়ে তিনটি মত উল্লেখ করেছেন তন্মধ্যে ১ম মত হ’ল, নারীদের দফ বাজানো সর্বাবস্থায় বৈধ। এক্ষেত্রে সেই দফের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যাতে ধাতব রিং যুক্ত ঝনঝন শব্দ হয় না।[8] এখানে তিনি পুরুষদের কথা উল্লেখ করেননি। হাফেয ইবনে হাজার আসক্বালানী (মৃ. ৮৫২ হি.) বলেন, وَالْأَحَادِيثُ الْقَوِيَّةُ فِيهَا الْإِذْنُ فِي ذَلِكَ لِلنِّسَاءِ فَلَا يَلْتَحِقُ بِهِنَّ الرِّجَالُ لِعُمُومِ النَّهْيِ عَنِ التَّشَبُّه بِهن، ‘দফ বাজানো বিষয়ে শক্তিশালী হাদীছগুলোর অনুমোদন শুধু নারীদের জন্য। পুরুষরা এতে অন্তর্ভুক্ত হবে না। কেননা পুরুষদের নারীদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করা সম্পর্কে সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে’।[9]

সুতরাং দফ নিঃসন্দেহে ইসলামী সংস্কৃতির একটি ঐতিহ্যবাহী উপাদান। তবে এর ব্যবহার সীমিত ও নির্দিষ্ট পরিসরে অনুমোদিত। আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি যে, আমাদের অবশ্যই নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে ফিরে আসতে হবে। তবে সেটি পশ্চিমা মোড়কে নয় বরং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের গন্ডির মধ্যে থেকে। রাসূল (ছা.) নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে দফ বাজানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাই সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতেই দফ বাজানো ইসলামী সংস্কৃতির অংশ হিসাবে গণ্য। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হ’ল, যে দফ রাসূল (ছা.)-এর যুগে কেবল বালিকারা ঈদ কিংবা ওয়ালীমার মত বিশেষ অনুষ্ঠানে ব্যবহার করতেন। আজ সেটিকেই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষরা ইসলামী সংগীতে ব্যবহার করছেন আর ইসলামী সংস্কৃতি পালনের তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন। এ সমস্ত সংগীত এবং বাজনাযুক্ত হারাম গানের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এতে ইসলামী চেতনা মোটেও জাগ্রত হয় না বরং সুরেলা বাজনাযুক্ত গান শোনার ন্যায় পূর্ণ অনুভূতি পাওয়া যায়। যা স্পষ্টরূপে শরী‘আতের সীমারেখা লঙ্ঘন। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন- আমীন!

মুহাম্মাদ আব্দুর রঊফ

শিক্ষক, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী।


[1]. ড. মুহাম্মাদ রাওয়াস কাল‘আজী, মু‘জামু লুগাতিল ফুক্বাহা (বৈরূত : দারুন নাফায়েস, ১ম সংস্করণ ১৪১৬ হি./১৯৯৬ খৃ.), পৃ. ১৮৬।

[2]. বুখারী হা/৫১৪৭; তিরমিযী হা/১০৯০; আবূদাঊদ হা/৪৯২২।

[3]. ইবনু মাজাহ হা/১৮৯৬; নাসাঈ হা/৩৩৬৯; তিরমিযী হা/১০৮৮।

[4]. বুখারী হা/৯৫২; মুসলিম হা/৮৯২; ইবনু মাজাহ হা/১৮৯৮।

[5]. বুখারী হা/৯৮৭, ৩৫২৯; নাসাঈ হা/১৫৯৭।

[6]. ইবনু মাজাহ হা/১৮৯৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩১৫৪।

[7]. তিরমিযী হা/৩৬৯০; মিশকাত হা/৬০৩৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২২৬১।

[8]. ইবনে রজব, ফাৎহুল বারী, ৮/৪৩৬ পৃ.।

[9]. ইবনে হাজার আসক্বালানী, ফাৎহুল বারী, ৯/২২৬ পৃ.।






বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
আরও
আরও
.