মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজীব রাযাক বলেছেন, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় মালয়েশিয়ার সরকার কুরআন হেফযের প্রতি সাধারণ মানুষকে উৎসাহী করার জন্য ও কুরআন হেফযকে জাতীয় শিক্ষার অর্ন্তভুক্ত করার জন্য একটি জাতীয় নীতি প্রণয়নে কাজ করছে। এ ব্যাপারে মতামত দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার বিভিন্ন মাদরাসা ও কুরআন হেফয সেন্টার প্রধানদের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি কুরআন হেফয জাতীয় নীতি প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত। বলতে পারেন, এটা আমার আকাঙ্ক্ষাও বটে। গত ২০শে মার্চ রাজধানী কুয়ালালামপুরে ফেডারেল মসজিদে অনুষ্ঠিত সদ্য প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ন্যাশনাল হেফযুল কুরআন এসোসিয়েশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ২০ হাযার কুরআনের হাফেযের উপস্থিতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য যে, মালয়েশিয়ার সরকার ১৯৬৬ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে কুরআন হেফয সেন্টার ও মাদরাসা নির্মাণ করেছে এবং এখনও এ ধারা চালু রয়েছে।

[ধন্যবাদ মালয়েশিয়া সরকারকে। শতকরা ৫১ ভাগ মুসলিমের দেশ হয়েও তারা যদি এমন সুন্দর কাজ করতে পারে, তাহ’লে শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ হয়েও বাংলাদেশ সরকার কেন একাজ করতে পারে না? (স.স.)]







১৯ কোটি বছর আগের পাথরে লেখা ‘বিসমিল্লাহ’!
পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম হাফেয সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আছিম মুনীর
এক বৈঠকে সম্পূর্ণ কুরআন শোনালেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ফিলিস্তীনী নারী
তিন বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করেছে মুহাম্মাদ
সিরিয়া সংঘাত ধর্মীয় যুদ্ধের সূচনা করতে পারে - -ফরাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৮ সহস্রাধিক মুসলিম গণহত্যার যে বিচার ২৫ বছরেও হয়নি
তুরস্কে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ১০ লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে
সরকারী চাকরির প্রয়োজন নেই, আমরা চাই সন্তান নিতে
মুসলিম জাহান
রোহিঙ্গাদেরকে নিজেদের ভাই-বোনের মতোই মনে করে আচেহবাসীরা
ভয়াবহতম মন্বন্তরের মুখে ইয়েমেন
তুরস্কে কুরআন হিফয করায় ২৯০ তরুণ-তরুণীকে বিশেষ সম্মাননা
আরও
আরও
.