একুশের চেতনা

-শহীদুল ইসলাম

ভাটপাড়া, গাংনী, মেহেরপুর।

একুশ তুমি

ভাষার প্রতীক জীবনজয়ের গান।

একুশ তুমি

স্বজনহারা লাখো মানুষের প্রাণ।

একুশ তুমি

বাঙ্গালী জাতির ভাষার অধিকার।

একুশ তুমি

বাংলামায়ের বুকের অহংকার।

একুশ তুমি

লাখো বাঙ্গালীর দীপ্ত অঙ্গীকার।

একুশ তুমি

মুক্তিসেনার প্রবল হাতিয়ার

একুশ তুমি

দুঃখী মানুষের শীর্ষ মর্মব্যথা।

একুশ তুমি

শিশুর কণ্ঠে নাবলা অনেক কথা।

একুশ তুমি

অ, আ, ক, খ শোভিত শ্লোগান।

একুশ তুমি

লাখো শহীদের রক্তের অবদান।

আহবান

-আশরাফুল হক পলাশ

বাথইল, নারায়ণপুর, নওগাঁ।

আজ নতুন যুগের ডাক এসেছে ঝান্ডা হাতে চল ছুটে

খোলরে দুয়ার নিদ মহলের ধর তলোয়ার করপুটে।

জাগরে বেহুঁশ মুসলিম যত, জীবন যুদ্ধে হও জয়ী

মুছ অাঁখিজল, মরবে কেন মলিন ধূলোর পরতে লুটে?

কোথা সেই আলী, খালেদ-তারেক, মাহমূদ-মূসা-আলমগীর,

করিল বিশ্ব পদানত যাঁরা মুসলিম কেন নোয়াও শীর?

ছেড়ে শাহী তাজ, তবে কেন আজ, ভিখারীর বেশ পরে

নফরীর তরে দ্বারে ফেরো দু’চোখ ভেজাও অশ্রুনীরে?

কুরআন পাকের শাশ্বত বাণী বরিলে সফল যিন্দেগী,

তাওহীদেরই ভিত গড়িতে কালেমা ত্বাইয়েবা করিলে সাথী

তামাম দুনিয়া হে মুসলমান করিবে তোমার বন্দেগী,

নতুন সূর্য উঠিবে আবার বিদূরিত হবে ঘোর রাতি।

প্রগতিতে আয় ভাগ্যাহত মুসলিম এবার ভাঙ্গরে নিন্দ,

তাওহীদের এই পতাকা তলে বাজিছে যুগের ঐক্যবীন!

ভাঙ্গরে যুবক এই সমাজ

-মুহাম্মাদ শরীফ ফেরদৌস

জোংড়া, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।

তাক্বলীদের ঐ শিকল ফেলে

কুরআন-হাদীছ বুকে ধরে

চলরে নবীন চল!

এই সমাজকে ভেঙ্গে দিয়ে

নতুন সমাজ নাও গড়িয়ে

এলাহী আইনে গড়ে সমাজ

সদা অহি-র পথে চল

চলরে যুবক চল!

মাযহাবী আর ফির্কাবন্দী

কবরপূজা পীর মুরীদি

এই গোঁড়ামি ভেঙ্গে দিতে

বাঁধরে তোরা দল

চলরে যবুক চল!

শিরক-বিদ‘আতে বোঝাই সমাজ

বদলে দিতে চালাও প্রয়াস

ছহীহ হাদীছ দেখিয়ে তাদের

ভুলিয়ে দাও বাপ-দাদার হাল

চলরে যুবক চল!

শবেবরাত আর কুরআনখানী

মীলাদ-ক্বিয়াম আর কুলখানী

কঠোর হাতে করতে দমন

লও হাদীছের বল

চলরে যুবক চল!

 হে যুবক! প্রতিফোটা রক্ত তোমার

আমানত যে আল্লাহ তা‘আলার

তাঁহার পথে লাগাও তোমার

জান এবং মাল

চলরে যুবক চল!

পর্দায় ঘৃণা

-আলহাজ্জ আব্দুস সাত্তার মন্ডল

তাহেরপুর, রাজশাহী।

মেক্সী শাড়ী পরে যারা, মাথা রাখে ঢেকে,

অনেক লোকে দেখে তাদের ঘৃণা করে থাকে।

বোরক্বা-নেকাব পরে যাঁরা পর্দা মেনে চলে,

গেয়ো আর অশিক্ষিত তাদেরকে কে বলে।

নাচের সময় শিল্পীরা যদি গায়ে কাপড় রাখে,

            ভাল শিল্পী হয় না সে সবাই বলে থাকে।

            বস্ত্র ছাড়া নাচতে হবে গাইতে হবে গান,

            সেরা শিল্পী হবে সে এটাই তার প্রমাণ।

নেটি পরে খেলা করে যখন মহিলারা

দর্শকগণ আনন্দেতে হয় যে আত্মহারা।

বস্ত্র ছিল বাধা মোর হেরে গেলাম তাই,          

আমার সাথে জিততে পারে এ জগতে নাই।

            বস্ত্রহীন শুরু হ’ল সকল প্রকার খেলা,

            আইলা আর সিডর আল্লাহর লীলাখেলা।

            জ্ঞানের আলো প্রচার করে টিভির পর্দায় দেখি,

            অনেক দেশের অনেক কিছু আমরা তাতে শিখি।

কুফরী আর নাফরমানিতে ডুবছে মুসলমান,

জাহান্নামে যেতে হবে কুরআন তার প্রমাণ

জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হ’লে কুরআন-হাদীছ মানি,

ইহকালে-পরকালে শান্তি হবে জানি।






আরও
আরও
.