অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারী ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড’ (ইডিসিএল)। তারপরেও সরকারের সাশ্রয় হবে প্রায় ১১৬ কোটি টাকা। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ইডিসিএল-এর এমডি আব্দুছ ছামাদ মৃধা। তিনি বলেন, নানা তৎপরতায় ইতিমধ্যে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ওরস্যালাইন, ইনজেকশনসহ মোট ৩৩ ধরনের ওষুধের দাম কমানো হয়েছে।
তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া, দুর্নীতি দমন এবং প্রায় ৭০০ অপ্রয়োজনীয় কর্মচারী ছাঁটাই করার মতো বেশ কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৫৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ। কাঁচামাল কেনার দরপত্র উন্মুক্ত করার কারণে প্রতি মাসে প্রায় ১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে।
অন্যদিকে ২৬০টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওষুধ শিল্পের জন্য যে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, তাদের তিনটি মূল দায়িত্ব থাকবে। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা, তালিকাভুক্ত ওষুধের মূল্য নির্ধারণ এবং বাকী ওষুধগুলোর জন্য একটি সমন্বিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রণয়ন করা। প্রস্ত্ততকারী প্রতিষ্ঠান যাতে নৈতিকভাবে মুনাফা করতে পারে, সেদিকেও নযর দেওয়া হবে।