জীববৈচিত্রে ঘেরা সাগরতলের বহু কিছু আমাদের অজানা। সাগরতলের সেই রহস্যময় জগৎকে জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকেরা। সম্প্রতি সেই চেষ্টায় মিলেছে দারুণ এক সাফল্য। গবেষকেরা সাগরতলে মাছের বিশাল এক আবাসস্থলের সন্ধান পেয়েছেন। তারা একে ইউরোপের দেশ মাল্টার (৩১৬ বর্গকিলোমিটার) প্রায় সমান বলছেন। মাছের এই বিশাল আবাসের সন্ধান পাওয়া গেছে অ্যান্টার্কটিকার বরফে ঢাকা ওয়েডেল সাগরে। ওই আবাসে প্রায় ছয় কোটি মাছের বাস। খবরে বলা হয়, আইসফিশ বা বরফ অঞ্চলের মাছের অনন্য এই আবাসকে বিশ্বের বৃহত্তম বলে মনে করা হচ্ছে। স্বচ্ছ খুলির আইসফিশ একমাত্র মেরুদন্ডী প্রাণী, যেগুলোর লোহিত রক্তকণিকা নেই। এত কম তাপমাত্রায় বেঁচে থাকার জন্য এ মাছের স্বচ্ছ রক্তে একটি জমাট প্রতিরোধী প্রোটিন তৈরি হয়।

জার্মান মেরু গবেষণা জাহায পোলারস্টার্নে থাকা গবেষকেরা মাছের এই প্রজননক্ষেত্র আবিষ্কার করেন। জাহায থেকে গাড়ির সমান আকৃতির ক্যামেরা ব্যবহার করে সমুদ্রের নিচের ছবি ধারণ করেছিলেন গবেষকেরা। তারা এ সময় কর্দমাক্ত সমুদ্রতলে পাথরের বৃত্তের মধ্যে মাছের প্রজননক্ষেত্র দেখে বিস্মিত হন। গবেষক দলের সদস্য পার্সার বলেন, ‘সমুদ্রবিজ্ঞানী হিসেবে আমার দেড় দশকের কাজের অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। আমরা এই ছবি মৎস্য গবেষকদের কাছে পাঠিয়েছি। তারা বলেছেন, এ ঘটনা অনন্য। গবেষকেরা বলছেন, মাছের এই আবাসস্থলে প্রতি তিন বর্গমিটারের মধ্যে একটি বাসা আছে। প্রতিটি বাসায় গড়ে ১ হাযার ৭৩৫টি ডিম আছে।






মোবাইল ফোনের আরেক কুফল
প্রাণীর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে বিলুপ্ত হচ্ছে উদ্ভিদ প্রজাতি
ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ টাইফুনে জাপান পাবে ৫০ বছর চলার মত জ্বালানী শক্তি!
বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপের কার্যক্রম শুরু
বিজ্ঞান ও বিস্ময়
লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যেতে সময় লাগবে মাত্র আধাঘণ্টা!
প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে প্যারাসিটামল তৈরী
এক দশকের মধ্যে স্মার্টফোন বিলুপ্ত হবে, দাবী গবেষকদের
বিমানের বিকল্প ইঞ্জিনের থিওরী আবিষ্কার করলেন নারায়ণগঞ্জের রায়হান
বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী দম্পত্তির (বর্জ্য থেকে জ্বালানী আবিষ্কার)
বুলেট ট্রেনের ছয় দশক : বদলে দিয়েছে জাপানকে
বুলেটপ্রুফ কাঠ উদ্ভাবন করেছেন গবেষকেরা
আরও
আরও
.