প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাযিল হওয়া আল-কুরআনের বিশ্লেষণ করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (ছাঃ) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন, তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে। ছহীহ বুখারীর হাদীছে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয়, সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়’ (বুখারী হা/৫৭৮২)

এ বিষয়ে কিং আব্দুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. ওয়াজিহ বায়েশরী হাদীছটির আলোকে মাছি নিয়ে কয়েকটি পরীক্ষা চালান। জীবাণুমুক্ত কিছু পাত্রের মধ্যে কয়েকটি মাছি ধরে নিয়ে জীবাণুমুক্ত টেস্টটিউবের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখেন। তারপর নলটি একটি পানির গ্লাসে উপুড় করেন। মাছিগুলো পানিতে পতিত হওয়ার পর উক্ত পানি থেকে কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পান, সেই পানিতে অসংখ্য জীবাণু রয়েছে। তারপর জীবাণুমুক্ত একটি সূঁচ দিয়ে মাছিকে ঐ পানিতেই ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, সেই পানিতে আগের মতো আর জীবাণু নেই, বরং কম। তারপর আবার ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে আবার পরীক্ষা করেন। এমনিভাবে কয়েকবার পরীক্ষা করে দেখেন যে, যত বার মাছিকে ডুবিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন, ততই জীবাণু কমেছে। অর্থাৎ তিনি প্রমাণ পেলেন যে, মাছির একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে এবং অপরটিতে রোগনাশক ওষুধ রয়েছে।

সম্প্রতি সঊদী আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত অষ্টম চিকিৎসা সম্মেলনে কানাডা থেকে দু’টি গবেষণা রিপোর্ট পাঠিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে, মাছিতে এমন কোন বস্ত্ত রয়েছে যা জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়। একই বিষয়ে জার্মান ও ব্রিটেন থেকে প্রাপ্ত রিসার্চগুলো ধারাবাহিক সংগ্রহের মাধ্যমে সম্প্রতি একটি বই বেরিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, মাছি যখন কোন খাদ্যে বসে, তখন তার জীবাণুযুক্ত ডানাটি খাদ্যে ডুবিয়ে দেয়। অথচ তার অপর ডানায় থাকে প্রতিরোধক ওষুধ। ফলে মাছিকে ঐ খাবারে ডুবিয়ে দেয়া হ’লে অপর ডানার জীবাণু প্রতিরোধক খাদ্যের সঙ্গে মিশে মারাত্মক জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয় এবং সেই খাদ্য স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অনুকূল থাকে।

[আল্লাহর অহি ব্যতীত আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) দ্বীন বিষয়ে কোন কথা বলেন না (নাজম ৩-৪)। তাঁর যবান দিয়ে কোন মিথ্যা কথা বের হয় না। অতএব হে মানুষ! সব ছেড়ে ইসলামমুখী হও। কুরআন ও হাদীছ মেনে নাও। দুনিয়া ও আখেরাতে সুখী হও (স.স.)]







আরও
আরও
.