উত্তর : ক্বিয়ামতের শুরুতে সূর্য থাকবে না। এরপর হাশরের ময়দানে সূর্যকে আবার নিয়ে আসা হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন সূর্যকে সৃষ্টির এত কাছে নিয়ে আসা হবে যে, তা তাদের থেকে এক মাইল দূরত্বে থাকবে’ (মুসলিম হা/২৮৬৪; মিশকাত হা/৫০৪০)। এরপর বিচার পরবর্তীকালে সূর্যের আলো থাকবে না বলে ধারণা করা যায়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যেদিন মুনাফিক পুরুষ ও নারীরা ঈমানদারগণকে বলবে, তোমরা একটু থামো, তোমাদের থেকে কিছু আলো নিয়ে নিই’ (হাদীদ ৫৭/১৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তাদের প্রত্যেককে সে মুনাফিক হোক কিংবা মুমিন, একটি নূর দেওয়া হবে। অতঃপর তারা সেই নূরের অনুসরণ করবে। আর জাহান্নামের সেতুর ওপর থাকবে লোহার বাঁকানো আংটা ও কাঁটা, যা আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে ধরে ফেলবে। এরপর মুনাফিকদের নূর নিভিয়ে দেওয়া হবে। তারপর মুমিনরা নাজাত লাভ করবে’ (মুসলিম হা/১৯১)। যাহ্হাক বলেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন এমন কেউ থাকবে না, যাকে কোন নূর দেওয়া হবে না। অতঃপর তারা যখন পুলছিরাতের কাছে পৌঁছবে, তখন মুনাফিকদের নূর নিভিয়ে দেওয়া হবে। তখন মুমিনরা তা দেখে আশঙ্কা করবে যে, মুনাফিকদের নূর যেভাবে নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেভাবে যেন তাদের নূরও নিভিয়ে না দেওয়া হয়। তাই তারা বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন’ (আত-তাহরীম, ৬৬/৮; তাফসীরে ইবনু কাছীর, দারু ইবনুল জাওযী ৭/১৭৬)।
প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ সানি, কুষ্টিয়া।