চীনের গোবি ও তাকলামাকান মরুভূমির বিস্তার রোধে ১৯৭৮ সাল থেকে ‘সবুজ মহাপ্রাচীর’ প্রকল্পের আওতায় ৬৬ বিলিয়ন অর্থ্যাৎ ৬ হাযার ৬০০ কোটিরও বেশী গাছ রোপণ করেছে চীন সরকার। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, রোপণকৃত এই গাছগুলো প্রাকৃতিক বনের গাছের তুলনায় ৬৬ শতাংশ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০৫০ সালের মধ্যে আরও ৩৪ বিলিয়ন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষের। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউক্যালিপটাস বা পপলারের মতো দ্রুত বর্ধনশীল প্রজাতির ব্যবহার এবং মানুষের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে গাছগুলোকে আলো, বাতাস ও পানির জন্য লড়াই করতে হয় না। ফলে এগুলো দ্রুত বেড়ে উঠছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদী কার্বন শোষণের জন্য রোপিত এই বন শক্তিশালী হাতিয়ার হ’লেও দীর্ঘমেয়াদী কার্বন সঞ্চয় ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রাকৃতিক বনের কোন বিকল্প নেই।







একটি পুলিশী বার্তায় মাদক ছেড়ে সুপথে হাযারো মাদক ব্যবসায়ী
বাঘ ইকো ট্যাক্সি : চালু হতে যাচ্ছে দেশে উৎপাদিত প্রথম বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার
মানুষের শেখা উচিত কুকুরের কাছ থেকে
মোহরানা হিসাবে বই নিয়ে প্রশংসা কুড়াল ভারতীয় মুসলিম তরুণী
বর্বর নির্যাতনের বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছেন সুচি - -মাহাথির
আইসিডিডিআরবির গবেষণা টাইফয়েড শনাক্ত করার নতুন পদ্ধতি
সর্বস্তরে দুর্নীতির ভয়াবহ ছোবল : সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির মধ্যেই নীতিহীন কর্মকান্ড
আসামে মুসলমানদের উপর চাপানো হ’ল শর্ত সর্বোচ্চ দুই সন্তান, বহুবিবাহে ও সন্তান মাদ্রাসায় পড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা
৩২ কিলোমিটার হেঁটে কাজে যোগদান করায় গাড়ি উপহার
আবারো ঘুষ ও দুর্নীতির দায়ে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদন্ড
স্বদেশ-বিদেশ
প্রতি ১৬ মিনিটে একজন নারী ধর্ষিতা হচ্ছে ভারতে
আরও
আরও
.