উত্তর : গানের সূরে বক্তব্য দেয়া ঠিক নয়। বক্তব্যের উদ্দেশ্য হবে মানুষকে জান্নাতের পথ প্রদর্শন করা ও জাহান্নাম থেকে ভয় দেখানো। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা মানুষকে ডাক তোমাদের প্রভুর রাস্তায় প্রজ্ঞা ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে’... (নাহল ১৬/১২৫)। রাসূল (ছাঃ) যখন জুম‘আর খুৎবা দিতেন, তখন তাঁর দু’চোখ লাল হয়ে যেত। তাঁর কণ্ঠ উঁচু হ’ত এবং তাঁর ক্রোধ বেড়ে যেত। যেন তিনি সেনাবাহিনীকে কোন নির্দেশ দিচ্ছেন’ (মুসলিম হা/২০৪২; মিশকাত হা/১৪০৭)। সূর দিয়ে বক্তব্য দিলে মানুষ সূর শুনবে। কিন্তু কোন উপদেশ গ্রহণ করবে না। অবশ্য কুরআনের আয়াতসমূহ সুন্দর কন্ঠে তেলাওয়াত করতে হবে। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরেলা কন্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করেনা, সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়’ (বুখারী হা/৭৫২৭, মিশকাত হা/২১৯৪)। সাবধান থাকতে হবে বক্তৃতার উদ্দেশ্য যেন দুনিয়া উপার্জন না হয়। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘অতদিন ক্বিয়ামত হবে না, যতদিন না এমন একদল লোক বের হবে যারা তাদের যবান দিয়ে খাবে, যেমন গাভী তার জিহবা দিয়ে খায়’ (আহমাদ হা/১৫৯৭; মিশকাত হা/৪৭৯৯)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, নাটোর।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (৭/৩২৭) ছিয়াম অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের বিধান কি? বিশেষতঃ যাদের দিনে কয়েকবার গ্রহণের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির অসুস্থতার কারণে অনাদায়ী ছিয়ামের কাফফারা দেশে অবস্থানরত তার ভাই নিজ সম্পদ থেকে আদায় করে দিতে পারে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : ছাহাবীগণের নামের শেষে (রাঃ) বলা হয়। কিন্তু তেহরান রেডিওতে (আঃ) বলা হয়। এছাড়াও ছহীহ বুখারীতে অনেক স্থানে হযরত আলী ও ফাতেমা (রাঃ)-এর নামের পরে (আঃ) লেখা আছে। এর কারণ কি এবং এরূপ বলা কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (১/২৮১) : মক্কা-মদীনা সর্বদা মহামারী ও আল্লাহর গযব থেকে নিরাপদ থাকবে- একথা সঠিক কি? - -ড. নূরুল ইসলাম, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : জুম‘আর ছালাতের পর ছয় রাক‘আত সুন্নাত আদায়ের বিষয়টি কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত?
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে, নিজ সন্তানের আক্বীক্বার গোশত পিতা-মাতার জন্য খাওয়া জায়েয নয়। একথা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৯/৪৪৯) : জেনেশুনে বেনামাযী ব্যক্তির জানাযার ছালাত আদায় করলে জানাযার ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : আহলেহাদীছগণ ফিরক্বা নাজিয়াহ হওয়া সত্ত্বেও এদের মাঝে এত দলাদলির কারণ কি?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : রাসূল (ছাঃ) ক্বাদারিয়া বা তাকদীরকে অস্বীকারকারীদের মাজূসী বা অগ্নিউপাসক বলে আখ্যায়িত করেছেন কি? করলে তার কারণ কি? - -যুবায়ের হাসান, বাগেরহাট।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ক্বাযা ছালাত আদায় করার ক্ষেত্রে ঐ ওয়াক্তের সকল ফরয ও সুন্নাত সবই আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৪৩৮) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘চল্লিশটি (উত্তম) স্বভাব রয়েছে। তন্মধ্যে সবচেয়ে উন্নত স্বভাব হ’ল দুধেল প্রাণী কাউকে দান করা। যে কোন আমলকারী ঐ স্বভাবগুলির কোনটির উপর ছওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে ও তার জন্য প্রতিশ্রুত প্রতিদানের বিষয়কে সত্য জেনে আমল করবে তাকে অবশ্যই মহান আল্লাহ জান্নাতে দাখিল করবেন’ (বুখারী হা/২৬৩১)। উক্ত হাদীছে বর্ণিত চল্লিশটি স্বভাব কি কি?
প্রশ্ন (১০/৯০) : জিন জাতি পথভ্রষ্ট হয়েছিল বলে তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু তখন তো ইবলীস ছিল না। তাহ’লে তাদেরকে কে বা কারা পথভ্রষ্ট করেছিল? মানবজাতির পূর্বে তারাই কি যমীনের অধিবাসী ছিল? - -আশরাফুল ইসলাম, মেহেরপুর।
আরও
আরও
.