যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাঈল-ইরান যুদ্ধে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। রক্তাক্ত হচ্ছে জনপদ, শহর, বন্দর, সরকারী-বেসরকারী স্থাপনা। আক্রান্ত হয়েছে সঊদী আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, লেবানন প্রভৃতি মুসলিম রাষ্ট্র। এসব দেশের মার্কিন ঘাঁটি ও তেল শোধনাগারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোতে হামলা চালানো হচ্ছে। এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের উৎস। ব্যাহত হচ্ছে বিমান চলাচল ও স্বাভাবিক কাজকর্ম। কর্মহীন হয়ে পড়ছেন প্রবাসীরা। ফলে রেমিটেন্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই নিবন্ধ লেখা পর্যন্ত গত দুই সপ্তাহের যুদ্ধে ইরানের নিহত হয়েছে ১ হাযার ৩৪৮ ও আহত হয়েছে ১৭ হাযারের বেশী বেসামরিক লোক। শিশু নিহত হয়েছে ১৯৩ জন। এর মধ্যে সর্বকনিষ্ট হচেছ ৮ মাস বয়সী এক কন্যা শিশু। যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানের দীর্ঘ ৩৭ বছর যাবত সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা সে দেশের প্রেসিডেন্ট আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী (৮৬) নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর পর তার দ্বিতীয় ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে স্থলাভিষিক্ত হন। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারী ১১ রামাযান সকাল পৌনে ১০টায় বিনা উসকানীতে যুক্তরাষ্ট্রের লাঠিয়াল ইসরাঈল কর্তৃক ইরানের বেশ কয়েকটি সরকারী স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

এর পর থেকে যুদ্ধের ভয়াবহতা তীব্র থেকে তীব্রতর হ’তে থাকে। সর্বশেষ যুদ্ধের ১৫তম দিনে ইরানের অর্থনীতির ‘হৃৎপিন্ড’ হিসাবে পরিচিত ইরানের উপকূল থেকে ২২ মাইল দূরে অবস্থিত সর্বাধিক তেল উৎপাদনকারী ‘খার্গ’ দ্বীপে সংযুক্ত আরব আমীরাতের ঘাঁটি থেকে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘খার্গ’ দ্বীপ উত্তর উপসাগরের একটি ছোট্ট কিন্তু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল। এর একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে পাল্টা প্রতিশোধ নিয়েছে ইরান। ভবিষ্যতে আরো বড় ধরণের হামলারও হুমকি দিয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পথে ২৫০০ মার্কিন স্থল সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে ৩১ তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলিতে’ চড়ে রওয়ানা দিয়েছেন। লেবাননে ইসরাঈলী হামলায় ১২ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বোরজ কালাউয়ে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে চালানো হামলায় নিহতদের মধ্যে চিকিৎসক, প্যারামেডিক ও নার্স রয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে ৭৭০ জনেরও বেশী মানুষ নিহত হয়েছে। ইরানের কুর্দিস্তানে নিহত হয়েছে ১১২ জন। আহত হয়েছে ৯৬৯। চলমান এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ইরানের ৪২ হাযারের বেশী বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আগ্রাসনে ঘরবাড়ি, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে ইসরাঈলী নিহত হয়েছে ১৫ জন এবং আহত হয়েছে ৩ হাযার ১৯৫ জন। এ তথ্য সরকারী হিসাবে। ইরানের ‘ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) গত ১৫মার্চ রোববার ইসরাঈলী লক্ষ্যবস্ত্ততে ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি ‘তাসনীম নিউজ এজেন্সি’র খবর অনুযায়ী তেহরান প্রথমবার এই কৌশলগত সলিড-ফুয়েল ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল। যার গতি শব্দের গতির চেয়ে ১৩ গুণ বেশি। এই ক্ষেপণাস্ত্রের আনুমানিক সীমা দুই থেকে আড়াই হাযার কিলোমিটার। ইরাকের এরবলে অবস্থিত ‘হারির’ মার্কিন বিমানঘাঁটি, এবং কুয়েতের ‘আলী আল-সালেম’ ও ‘আরিফজান’ মার্কিন ঘাঁটিও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবী ইরানের। এমনকি ইসরাঈলের পুলিশ সদর দপ্তর ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে বলেও দাবী করেছে ইরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর ৫৩তম ধাপের অংশ হিসাবে ড্রোনসহ ১০টি হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ ও ‘কদর’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। আইআরজিসি আরো জানিয়েছে যে, তারা পূর্ণ শক্তি নিয়ে নেতানিয়াহুকে ধাওয়া ও হত্যা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোস্তফা খামেনী ইতিমধ্যে চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে তাঁর প্রথম বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলোত হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, আমরা শত্রুতার ক্ষতিপূরণ দাবী করব। যদি তারা অস্বীকার করে তবে আমরা তাদের সম্পদ যতটা প্রয়োজন জব্দ করব। আর যদি এটা সম্ভব না হয় তবে সমপরিমাণ সম্পদ ধ্বংস করা হবে’।

যুদ্ধ শুরুর পর ইরান বিশ্বের জ্বালানী সরবরাহের ধমনী বলে খ্যাত ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। বিশেষ করে ইসরাঈল ও যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের মিত্রদেশের কোন জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করলে আক্রমণ করার হুমকী দেয়। ইতিমধ্যে উক্ত নৌ রুটে ১৬টি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম বেড়ে যায়। কেননা বিশ্বের জ্বালানী তেলের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ সরবরাহের একমাত্র রুট এই ‘হরমুজ প্রণালী’। বিশেষ করে সঊদী আরব, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমীরাতের মত বড় বড় তেল রপ্তানীকারক দেশগুলো এই পথের উপর নির্ভরশীল। কাতার থেকে উৎপাদিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বিরাট অংশ এই পথেই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে। উল্লেখ্য, পশ্চিমে পারস্য উপসাগর এবং পূর্বে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে ‘হরমুজ প্রণালী’। এর উত্তর উপকূলে রয়েছে ইরান এবং দক্ষিণ উপকূলে রয়েছ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের একটি ছিটমহল। প্রণালীটি প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশটি মাত্র ৩৩ কিলোমিটার চওড়া।

চলমান এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জনজীবনেও তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরী করছে। বিশেষ করে জ্বালানী সরবরাহ, রপ্তানি বাজার ও প্রবাস আয়ের ওপর। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন করে চাপ তৈরী হ’তে পারে। কেননা বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানীর বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরশীল। দেশের মোট ক্রুড অয়েলের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে গালফ অঞ্চলের দেশগুলো থেকে। একইভাবে বছরে আমদানি করা প্রায় ছয় মিলিয়ন মেট্টিক টন ‘এলএনজি’র মধ্যে প্রায় চার মিলিয়ন মেট্রিক টন আসে কাতার থেকে। যুদ্ধের কারণে পেট্রোল, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দামে চাপ তৈরি হচ্ছে। পরিবহন, প্যাকেজিং ও সার উৎপাদনের খরচ বাড়ার ফলে এই দাম আরও বাড়তে পারে।

প্রশ্ন হচ্ছে কেন এই যুদ্ধ? জবাব হচ্ছে-এটি আধিপত্যবাদের লড়াই। এটি কোন হক-বাতিলের লড়াই নয়। ইসরাঈল ও আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে ‘বৃহত্তর ইসরাঈল’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায় অস্ত্র ব্যবসাসহ এ অঞ্চলে তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করতে এবং জ্বালানী তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে। অপরদিকে ইরানও চায় গোটা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত করতে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিগত ৩৫ বছর যাবত বিশ্বব্যাপী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। যা ইচ্ছা তাই করেছে। কখনো ইরাক দখল করেছে, কখনো আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, গ্রানাডা। সর্বশেষ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করে ওই দেশটির তেল দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। প্রতিবেশী দেশ কানাডা ও গ্রীনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছে। এই দখল প্রক্রিয়ার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারী মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া মানবতাবিরোধী জায়নবাদী ইসরাঈলকে সাথে নিয়ে ইরান আক্রমণ করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়ত ভেবেছিল অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু না, এই হামলাই এখন ট্রাম্পের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অপরদিকে ইরান শী‘আ মতাবলম্বী একটি রাষ্ট্র। যা সুন্নী মুসলমানদের জন্যও এক বড় হুমকি। কারণ সুন্নী মুসলমানদের ব্যাপারে ইরানের বিগত ইতিহাস কালিমালিপ্ত ও চরম ন্যক্কারজনক। লক্ষ লক্ষ সুন্নী মুসলিমকে শী‘আরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। বিশেষ করে সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে তারা সুন্নী মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। শী‘আদের আক্বীদাও জঘন্য। এরা ইসলামের মহান তিন খলীফা আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাঃ)-কে ন্যাক্কারজনভাবে গালি দেয় ও লা‘নত করে। আলী (রাঃ) ব্যতীত বাকী তিন খলীফাকে এরা কাফের মনে করে। এমনকি যারা তাদেরকে কাফের মনে করবে না সে সমস্ত মুসলমানদেরকেও এরা কাফের সাব্যস্ত করে। ইসলামে চূড়ান্তভাবে হারামকৃত ঠিকা বিবাহ বা ‘নিকাহে মুত‘আ’কে তারা বৈধ ও উত্তম মনে করে। এরা আহলেসুন্নাত ওয়াল জামা‘আতকে কাফের মনে করে বিধায় তাদের যবহকৃত পশুর গোশত খায় না। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) কে এরা যেনাকার মনে করে (নাউযুবিল্লাহ) এবং ১০ই মুহাররাম তাঁর নামে একটি বকরী বেঁধে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আর ভাবে আয়েশা (রাঃ)-কে দুর্রা মারছে। রাসূল (ছাঃ)-এর কবর যিয়ারত করার সময় পাশে দাফন করা আবুবকর ও ওমর (রাঃ)-এর কবরকে উদ্দেশ্য করে এরা ‘লা‘আনাহুমুল্লাহ’ অর্থাৎ ‘আল্লাহ তাদের উপর অভিসম্পাত করুন’ বলে বদদো‘আ করে। শী‘আদের কোন কোন দল হযরত আলী (রাঃ)কেই স্বয়ং আল্লাহ বলে দাবী করে। এরকম বহু আক্বীদার বিভ্রান্তি এদের মধ্যে রয়েছে। তাদের মূল টার্গেট মক্কা-মদীনা। ইতিপূর্বে এরা পবিত্র কা‘বা দখল করে রেখেছিল। পরে সঊদী সরকার তাদেরকে উৎখাত করতে সক্ষম হয়। সুতরাং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের একচ্ছত্র আধিপত্য এটাও কোনভাবে কাম্য নয়।

ইতিমধ্যে এই সংঘাতের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। খোদ আমেরিকার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ইতিহাস বিষয়ের অধ্যাপক পিটার ফ্রাঙ্কোপান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে যে সমস্যা থেকে এখন বেরিয়ে আসতে হবে, তা হলো বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো। কারণ তারা পরবর্তী সময়ে কী ঘটবে তা না ভেবেই একটি প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিয়েছে’। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কি যুদ্ধ বন্ধ করার উপায় আছে? সেটি হ’লে তো ট্রাম্পের বিশ্ব সম্রাট হওয়ার আকাঙ্খা ধুলায় মিশে যাবে। ট্রাম্প কি পরাজয় মেনে নিয়ে ফিরে যাবেন? সে কথাও আপাতত ভাবা যাচ্ছে না। ইরানও তো তার সর্বশক্তি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে ধরে নেওয়া যায় যুদ্ধ দীর্ঘ হ’তে পারে, পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধেরও রূপ নিতে পারে।

আমরা ইসলাম ও মুসলামানদের চিরশত্রু এই উভয় শক্তিরই পতন ও হেদায়াত কামনা করি। আমরা যুদ্ধ নয়, শান্তিতে বিশ্বাসী। আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান কামনা করি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানাই। বিশেষ করে জাতিসংঘ, ন্যাটো, ওআইসি এ জাতীয় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এ মুহূর্তে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারো একচ্ছত্র আধিপত্য নয়, বরং ন্যায্যতার ভিত্তিতে সর্বত্র ইনছাফ কায়েম হৌক এটা শান্তিকামী বিশ্ববাসীর কাম্য। আল্লাহ আমাদের নিরাপত্তা দান করুন এবং যমীনে শান্তি ফিরিয়ে দিন-আমীন!






আরও
আরও
.