গত ২৯শে জানুয়ারী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুস রাষ্ট্রযন্ত্রের স্থবিরতা কাটাতে এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে তরুণ প্রজন্ম ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্রের স্থবিরতা কাটাতে সরকারী চাকুরীতে কারো পঁাচ বছরের বেশী থাকা উচিত নয়। কেউ সরকারী চাকুরীতে প্রবেশ করলে সে আর নিজেকে বদলায় না। সরকারের ধর্ম হ’ল পুরোনোকে আঁকড়ে রাখা। আর প্রযুক্তির কাজ হ’ল সেই পুরোনো কাঠামো ফেলে দেওয়া। এই দ্বন্দ্বে প্রযুক্তিকেই জয়ী হ’তে হবে। নইলে আমরা জেতার সুযোগ হারাব। আমাদের নেতৃত্ব দিতে হবে। কিন্তু আমরা ফলোয়ার হয়ে বসে আছি। সেই সাথে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো প্রথা ভেঙে প্রতি দশ বছর অন্তর প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন।

তিনি তার বক্তব্যের একপর্যায়ে গভীর আক্ষেপ করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জালিয়াতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ভিসা, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ থেকে শুরু করে নানা নথিপত্রে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশীরা গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছেন।

[গত ১৮ মাস সুন্দরভাবে ও নির্লোভচিত্তে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুস ও তাঁর ২৩ জন উপদেষ্টা দেশ চালিয়ে বিদায় নেওয়ার সময় তাদেরকে সহানুভূতি জানাবার মত কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি ৮৬ বছরের এই বৃদ্ধ মানুষটির লাগেজ হাতে নেওয়ার মত কাউকে পাওয়া যায়নি। কি স্বার্থপর দুনিয়া! দু’দিন আগেও যারা তাঁকে স্যালুট দিয়েছে, সেসব কর্মচারীরাও তাঁকে নির্দয়ভাবে ছেড়ে গেল। নিজের লাগেজটি অতি কষ্টে হাতে নেওয়ার দৃশ্য ইন্টারনেটে ভাসছে। আল্লাহ এ জাতির উপর রহম করুন! (স.স.)]







আরও
আরও
.