কি কি কাজে ওযূ ভাঙ্গে, ছিয়াম হয় নষ্ট,

এই বিষয়ে প্রায় সকলের ধারণা খুবই স্পষ্ট।

ছালাত নষ্ট হয় কি কাজে সবাই জানি প্রায়,

কিন্তু কি কি কাজে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়-

ক’জন জানি? বল দেখি নিজ বুকে হাত রেখে!

না জানলে, আজ জেনে নাও এই কবিতা থেকে।

কাউকে কভু করলে শরীক আল্লাহর ইবাদতে,

 কোন ঈমান থাকবে না তার কুরআন-হাদীছ মতে।

আল্লাহর কাছে চাইতে হবে সরাসরিভাবে;

আর মাধ্যম গ্রহণ করলে ঈমান চলে যাবে।

যারা কাফের প্রমাণিত কুরআন-হাদীছ দ্বারা,

তাদেরকেও কাফের বলে নেয় না মেনে যারা।

তারাও কাফের, কারণ তাদের ঈমান গেছে চলে

নয় বানানো; ইমাম সকল গেছেন এটা বলে।

নবী যেটা দেখিয়ে গেছেন তারচেয়ে ভালো পথ

থাকতে পারে- এমন হবে যাদের অভিমত;

অন্য কারও বিচার যারা নবীর চেয়ে ন্যায় ভাবে

থাকবে না আর মুমিন তারা, ঈমান চলে যাবে!

নবীর আনা বিধান নিয়ে হয় যদি সংশয়

অবিশ্বাসী সে, মুমিন কভু নয়।

সজ্ঞানে হোক অথবা হোক হাসি-খেলার ছলে,

নবীর নামে কেউ যদি কটু কথা বলে-

সাথে সাথেই সেই লোকটার ঈমান চলে যাবে,

কুরআন-হাদীছ খুঁজে দেখ অনেক প্রমাণ পাবে।

আল্লাহ তা‘আলার বিধান নিয়েও ঠাট্টা করা হ’লে,

সে ব্যক্তির ঈমানটাও যাবে চলে!

যাদুর দ্বারা করলে কারও ভালো কিংবা ক্ষতি-

অথবা কেউ থাকলে খুশি এই বিদ্যার প্রতি,

চলে যাবে ঈমান, এতে সন্দেহ নেই কারও;

চাইলে কুরআন-হাদীছ থেকে দেখে নিতে পারো।

মুশরিকদের পক্ষে গিয়ে মুসলিমদের ক্ষতি

করবে যারা, দুঃসংবাদ আছে তাদের প্রতি।

বলছে কুরআন এমন লোকের ঈমান থাকে না কো,

তওবা করো এখনও কেউ এমন যদি থাকো!

যারা ভাবে, এই দুনিয়ায় এমনও কেউ হয়?

যারা নবীর আনা বিধান মানতে বাধ্য নয়;

তাদেরও ঈমান নেই;

এই কথাটা আমার তো নয় আছে কুরআনেই।

আর যদি কেউ ধর্ম থেকে নিজকে বিমুখ রাখে,

ইসলামী জ্ঞান অর্জনে তার আগ্রহ না থাকে,

জ্ঞান যা আছে সেই মোতাবেক আমলও না করে,

তিল পরিমাণ ঈমানও আর থাকবে না অন্তরে।

ঈমান পুরো নষ্ট হওয়ার দশটা কারণ এ-ই

যাচাই করো নিজের ঈমান আছে না-কি নেই!

-মুজাহিদুল ইসলাম স্বাধীন

হলিধানী, ঝিনাইদহ।






আরও
আরও
.