বিশ্বে ৫ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ অভুক্ত থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ১৬ হাযার কোটি ডলার সমমূল্যের ছয় কোটি টন খাদ্য নষ্ট হচেছ, যা পুরো বিশ্বের খাদ্যপণ্যের তিন ভাগের এক ভাগ। কারণ উৎপাদিত মোট খাদ্যের অর্ধেকই ফেলে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীরা। খাবার নিখুঁত হচেছ না এমন অজুহাতেই এ কাজটি করে থাকে তারা। আর এতে দেশটিতে একদিকে যেমন বাড়ছে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য, অপরদিকে খাদ্য অপচয়ের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক খাবার অপচয় বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে এ ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, নিজেদের মনমতো না হওয়ায় উৎপাদিত খাদ্যের বড় অংশ মাঠেই ফেলে রাখা হয়, কিছু অংশ গৃহপালিত পশুকে খাওয়ানো হয়, আর বাকি অংশ নিক্ষেপ করা হয় ময়লা ফেলার স্থানে। দেখতে নিখুঁত বা মানসম্মত নয় এমন মনোভাব দেশটিতে বিশাল পরিমাণ ফসল ফেলে দেয়ার পেছনে কাজ করছে।

এভাবে ফসলের মাঠ, গুদাম, প্যাকেজিং, বণ্টন, সুপার মার্কেট, রেসেঁতারা ও ফ্রিজে নষ্ট হচেছ এসব খাদ্য। এছাড়া খরচ ও ফসল-সম্পর্কিত শ্রম বাঁচাতে নিয়মিত মাঠে ফসল ফেলে আসা হয়। এছাড়া সামান্য দাগ দেখা গেলে গুণগত মান ঠিক থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার না করে গুদামে পচার জন্য রেখে দেয়া হয়। রোদে পোড়া বা কালো দাগযুক্ত ফুলকপি জমিতেই মিশিয়ে দেয়া হচেছ। আঙ্গুরের আকৃতি সমান না হ’লে তা ফেলে দেয়া হচেছ।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের খাদ্য অপচয়ের এ হার বৈশ্বিক ক্ষুধা এবং দারিদ্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দিয়েছে। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য অপচয়ের এ পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ওবামা প্রশাসন ও জাতিসংঘ।







বিষয়সমূহ: সংগঠন
বরগুনার ১১৭ কেজি ওযনের মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হ’ল বরিশালে
পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক সম্পদের মালিক ৮ জন
মেট্রোরেলের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ
মুসলমান হওয়ার কারণেই শান্তিপ্রিয় রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন - -পোপ ফ্রান্সিস
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম রোবটিক রেস্টুরেন্ট বানালো নেপাল
১৩ দেশে নাস্তিকতার শাস্তি মৃত্যুদন্ড
সরকার ৩৩ ওষুধের দাম কমিয়েছে এবং আরো ২৬০ প্রকার ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে
পাকিস্তান ও ভারতে মেঘের বিস্ফোরণ : আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহ রূপ
কীটনাশকের বিকল্প হিসাবে কাজ করছে হাঁস!
চোখে মাইক্রো চিপ বসিয়ে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাচ্ছেন দৃষ্টিহীনেরা
সঊদী আরবে ১০৫ জন বাংলাদেশী হজ্জ পালনকারীর মৃত্যু
ব্রিটিশ লেখকের আশঙ্কা : ২০ বছরের মধ্যে শিশুদের মূর্খ বানাবে ফেসবুক-টুইটার
আরও
আরও
.