চাদে গত ১৫ই জুন সোমবারের বোমা হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হবার পর দেশটিতে বোরকা পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের সাথে বৈঠকের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কালজেবুয়ে পাহিমী দুবেত এই ঘোষণা দেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় চাদের রাস্তা-ঘাটে প্রকাশ্যে বোরকা পরা যাবে না। এমনকি নিজেদের বাড়ি ঘরেও বোরকা পরা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী এ আত্মঘাতী হামলার জন্য নাইজেরীয় চরমপন্থী গ্রুপ বোকো হারামকে দায়ী করেন। ধরা পড়ে যাওয়া ঠেকাতে বোকো হারাম এখন নারী আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের বেশী ব্যবহার করছে। আরো ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী বাজারে যত বোরকা ও নেকাব আছে তা আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে। চাদের বেশিরভাগ মানুষ মুসলমান এবং প্রধানতঃ ধর্মীয় কারণেই সেখানে বোরকা পরা হয়। বোরকার কারণে সাহারার তপ্ত ও ধূলিময় আবহাওয়া থেকেও রক্ষা পান নারীরা।

[হতভাগা সরকার চরমপন্থী দমনে ব্যর্থ হয়ে এখন বোরকার উপর হামলা চালাচ্ছে। এখন ওরা আসমানী গযবে ধ্বংস হবে (স.স.)]







সার্ব সেনাদের ধ্বংস করা মসজিদ আবার চালু হচ্ছে
সঊদী আরবে যে কেউ ‘শায়েখ’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবে না
পাকিস্তানে স্কুল-কলেজে কুরআন পাঠ বাধ্যতামূলক করে বিল পাস
পবিত্র কুরআন অবমাননা করলেই মৃত্যুদন্ডের শাস্তি ঘোষণা করল নাইজেরিয়া
৭০ বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করলেন ফিলিস্তীনী নারী
লিবিয়ায় গাদ্দাফী-পুত্রের ভবিষ্যদ্বাণী আজ সত্য হচ্ছে
কারাগারে বসেই কুরআনের হাফেয হ’লেন ১৩ হাযার কারাবন্দী
ছালাতের সুবিধার্থে ইন্দোনেশিয়ায় মোবাইল মসজিদ
৮৬ বছর পর তুরস্কের আয়া সোফিয়ায় আযানের ধ্বনি
মুসলিম জাহান
কাতারে মওজুদ রয়েছে ১৩৮ বছরের প্রাকৃতিক গ্যাস
মায়ের সেবার অধিকার নিয়ে আদালতে দুই ভাইয়ের লড়াই
আরও
আরও
.