মিথ্যা অজুহাত দাড় করিয়ে ফিলিস্তীনের গাযার উপর আবার নৃশংস যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে পাশ্চাত্যসৃষ্ট রাষ্ট্র ইসরাঈল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৮ জুলাই থেকে শুরু হয়ে মাসাধিককালব্যাপী চলতে থাকা স্থল ও বিমান হামলায় গত ১৯ আগস্ট পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২ হাযার ২৮ জন। এ পর্যন্ত আহত হয়েছে ১০ হাযার ১৯৬ ফিলিস্তীনী। নিহতদের মধ্যে ৫৪১ শিশু, ২৫০ নারী ও ৯৫ জন বৃদ্ধ রয়েছে। এছাড়া বাস্ত্তহারা হয়েছে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। অপরদিকে গাযার হামাস সরকারের পাল্টা জবাবে এ পর্যন্ত ইসরাঈলী হিসাব মতে, ৬৪ ইসরাঈলী সেনা, ২ বেসামরিক নাগরিক ও এক থাই কর্মীসহ মোট ৬৭ জন নিহত হয়েছে। এ দফা যুদ্ধে ইসরাঈল কারণ দাঁড় করিয়েছে হামাস কর্তৃক তিনজন ইসরাঈলী তরুণকে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনা। যদিও হামাস তা অস্বীকার করেছে এবং পরবর্তীতে ইসরাঈলী তদন্তেই তা প্রমাণিত হয়েছে যে এর সাথে হামাসের কোন সম্পর্ক নেই। এতদসত্ত্বেও এ বর্বরোচিত হামলার পক্ষে সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলি বরাবরের মত যেমন স্বরব সমর্থন জানিয়েছে, তেমনি অত্যন্ত হতাশাজনক ভাবে ওআইসিসহ মুসলিম রাষ্ট্রগুলো এর নিরব সমর্থন করেছে কিংবা মৃদু প্রতিবাদের মধ্যে দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। তবে এ হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ-বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। উল্লেখ্য, অতিসম্প্রতি হামাস ও ফাতাহের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব সমঝোতার পথে এগুচ্ছে এবং এই সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানে ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী সরকার গঠিত হবে, যা ইসরাঈলসহ পাশ্চাত্যশক্তির মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ঐক্যবদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে ফিলিস্তীনের স্বাধীনতার দাবীটি আরো জোরালো হয়ে উঠবে। অন্যদিকে হামাস আদর্শিকভাবে মুসলিম ব্রাদারহুডপন্থী হওয়ায় মিসরের ক্ষমতাসীন সরকারসহ আরব নেতৃবৃন্দ হামাসের চরম বিরোধী। ফলে স্রেফ হামাসবিরোধিতার কারণেই ইসরাঈলীদের এতবড় গণহত্যার বিরুদ্ধে তারা টু শব্দ করছে না। উল্টো সবকিছুর জন্য হামাসকেই দায়ী করছে। অন্যদিকে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও বরাবরের মত সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পদতলে নতজানু অবস্থান ধরে রেখেছে। ফলে বিশ্ববিবেকের নাকের ডগায় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কারাগারে পরিণত হওয়া গাযার অধিবাসীদেরকে প্রতি মুহূর্তে আগ্রাসী মৃত্যুর মুখোমুখি থাকতে হচ্ছে। এর শেষ কোথায় তা যেন কারো জানা নেই। আর কত রক্ত গড়ানোর পর বিশ্ববিবেক জেগে উঠবে, তা এখন এক জ্বলন্ত প্রশ্ন।






সঊদী-মার্কিন দ্বন্দ্ব চরমে : বিনিয়োগ প্রত্যাহারের হুমকি রিয়াদের
মার্কিন সেনা আগ্রাসন শুরুর পর থেকে আফগানিস্তানে মাদক উৎপাদন ৫০ গুণ বৃদ্ধি
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ : অভিভাবকসূলভ ভূমিকায় সঊদী আরব
সিরিয়া থেকে ৫০ টন স্বর্ণ পাচার করেছে যুক্তরাষ্ট্র
মালেয়শিয়ায় দুর্নীতির ভয়াবহ বিস্তারে হতাশ মাহাথির
মুসলিম জাহান
সঊদী আরবের পরবর্তী শাসক হিসাবে পুত্র মুহাম্মাদকে যুবরাজ ঘোষণা করলেন বাদশাহ সালমান
আইএস ‘মিথ্যাবাদী’ - আল-কায়েদা প্রধান
নতুনভাবে জেগে উঠছে মুসলিম স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বাংসামোরো
মুসলিম জাহান
ফিলিস্তীনী চার যমজ বোন একইসাথে কুরআনের হাফেযা হ’ল
সঊদী আরবের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি আলী মুহাম্মাদের মৃত্যু
আরও
আরও
.