বিদায়ী সালাম জানাই তোমাকে

ওগো রামাযান,

তুমি তো রহমতের অফুরান বারিধি

তুমি তো আল্লাহর দান।

নীল সামিয়ানায় চাঁদের প্রতীকে

এসেছিলে তুমি দ্বারে,

পারিনি তোমাকে দানিতে মূল্য

কলুষ ধরণী পরে।

এনেছিলে সাথে পুণ্যের তরণী

পাতকী করিতে ত্রাণ,

মুসলিম মোরা হয়েছি ব্যর্থ

লইতে পুষ্প ঘ্রাণ।

তরণী ভরিয়া এনেছিলে তুমি

আল্লাহর রহমত,

শিরক-বিদ‘আত পদানত করি

দেখাতে সত্য পথ।

হে প্রিয় রামাযান!

পাবো কি আমরা প্রেমের পরশ

ভুলে শত অভিমান?

মিলবে কি তুমি আমাদের বক্ষে

আগামীতে এসে ফের?

মিটাবে কি তুমি মন আশা যত

পথ চাওয়া আশিকের?

তরিতে কবরে, মীযানে হাশরে

আল্লাহর কাছে গিয়ে,

দয়া করে তুমি সাক্ষ্য দিও

আমাদের সাথে নিয়ে।

বিচার দিবসে আল্লাহর সাথে

পেতে চাই সাক্ষাৎ

রাইয়ান নামক তোরণ মাড়িয়ে

যেতে চাই জান্নাত।

হে মাহে রামাযান!

বিচার দিবসে আমাদের তরে

করিও সাক্ষ্য দান।

আতিয়ার রহমান

মাদরা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।






শ্রেষ্ঠ কাল - মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম শ্যামপুর, মতিহার, রাজশাহী।
কবিতা
শফীকুল ইসলাম - মাক্বছূদ আলী মুহাম্মাদীইটাগাছা, বাঁকাল, সাতক্ষীরা।
তাবলীগী ইজতেমা - মুহাম্মাদ ইসমাঈল হোসাইন ধূরইল, মোহনপুর, রাজশাহী।
ধর্মের নামে - এফ.এম. নাছরুল্লাহকাঠিগ্রাম, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
তবু বলি নিজেকে - মুহাম্মাদ মাযহারুল আবেদীনরামনগর, গাজোল, মালদহপশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
কবিতা
ওরা বাঙালীর রক্ত চুষে খায় - কে.এম. নযরুল ইসলাম নারায়ণপুর, পাংশা, রাজবাড়ী।
আমানত - হাসানুয্যামানইসলাম শিক্ষা বিভাগ
আমাদের অপরাধ - এফ.এম. নাছরুল্লাহকাঠিগ্রাম, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
কবিতা
ছেড়ে দে পাপ - মুহাম্মাদ মুমিনুল ইসলামদৌলতপুর কলেজ, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
আরও
আরও
.