উত্তর : হোসাইন (রাঃ) আহলে বায়তের সম্মানিত সদস্য এবং জান্নাতে যুবকদের নেতা (তিরমিযী, মিশকাত হা/৬১৫৪)। রাসূল (ছাঃ) যেভাবে তাঁর সুন্নাহকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন, তেমনি আহলে বায়তের আদর্শ অনুসরণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের বিশিষ্ট মুহাদ্দিছ ও ইতিহাসবিদরা মনে করেন যে, ইয়াযীদ সরাসরি হোসাইন (রাঃ)-কে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মর্মে কোন বিশুদ্ধ বর্ণনা নেই। আবার এটিও সত্য যে, তিনি হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। কেন তিনি বিচার করেননি এ বিষয়ে নিশ্চিত কোন ঐতিহাসিক তথ্য নেই। অতএব অনুমান করে বলা যাবে না যে, তিনি বিচার না করায় অবশ্যই হত্যাকান্ডে সম্মত ছিলেন। আবার তাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলারও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। সেজন্য ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, নিশ্চয়ই ইয়াযীদ মুসলিম রাজন্যবর্গের মধ্যে একজন রাজা ছিলেন। তাঁর যেমন ভালো কাজ রয়েছে, তেমনি মন্দ কাজও রয়েছে। তাঁর জন্ম ওছমান (রাঃ)-এর খেলাফতকালের পূর্বে হয়নি। তবে তাঁর শাসনামলেই সেই সব বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছিল যেমন হোসাইন (রাঃ)-এর মর্মান্তিক শাহাদাত এবং মদীনা আক্রমণ ও সেখানে ছাহাবীদের রক্তপাত। তিনি যেমন কোন ছাহাবী ছিলেন না, তেমনি আল্লাহর কোন নেককার অলীও ছিলেন না। আর এটিই হ’ল সাধারণ বিবেকবান মানুষ, দ্বীনের আলেম সমাজ এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের সামগ্রিক অভিমত (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৪/৪৮৩)

তিনি আরো বলেন, ‘আর এই কারণেই উম্মতের শ্রেষ্ঠ ইমামগণ এবং আহলুস সুন্নাহ্র অনুসারীগণ যে আদর্শ ও বিশ্বাসের ওপর একমত হয়েছেন তা হ’ল ইয়াযীদকে যেমন গালিগালাজ বা অভিশাপ দেওয়া যাবে না, ঠিক তেমনি তাকে বিশেষভাবে ভালোবাসাও যাবে না (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩/৪১২)

তিনি আরো বলেন, ইয়াযীদ ইবনে মু‘আ‘বিয়া হোসাইন (রাঃ)-এর হত্যাকান্ডে মোটেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেনি; বরং তাঁর শাহাদাতের খবরে তিনি দুঃখ ও বেদনা প্রকাশ করেছিলেন। আর এটিও নিশ্চিতভাবে জানা গেছে যে, ইয়াযীদ সরাসরি হোসাইন (রাঃ)-কে আক্রমণের নির্দেশ দেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি পরবর্তীতে তাঁর হত্যাকারীদেরকে এই জঘন্য অপরাধের জন্য কোন শাস্তিও দেননি। কারণ তারা ইয়াযীদের রাজত্ব সুরক্ষার জন্যই এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল’ (মাজমূউল ফাতাওয়া ৩/৪১২)

সেজন্য ইবনু হাজার আসক্বালানী, ইবনু কাছীর, ইমাম যাহাবীসহ আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের বিদ্বানগণ বলেন, ইয়াযীদের অন্যায় কর্মকান্ডের কারণে আমরা তাকে ভালোবাসবো না, আবার তিনি কনস্টান্টিনপল যুদ্ধে অংশ গ্রহণ এবং হাদীছে লা‘নত বা গালিগালাজ নিষিদ্ধের কারণে তাকে লা‘নতও করব না (আল-বিদায়াহ ৮/২৩২; যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা ৪/৩৬, ৫/৫; বিস্তারিত দ্র. ‘আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়’ বই)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ মাহমূদ ছালেহ, চট্টগ্রাম।








প্রশ্ন (৬/৪০৬) : মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ইমাম বা মুওয়াযযিন সপরিবারে বসবাস করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : রাসূল (ছাঃ) যে হাযির-নাযির নন এবং প্রথম সৃষ্টি নন যে ব্যাপারে দলীলভিত্তিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : রামাযান মাসে একটি সুন্নাত আমল করলে অন্য মাসের ফরয আমলের ছওয়াব পাওয়া যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : গান-বাজনা শুনতে পেলে নবী করীম (ছাঃ) কানে আংগুল দিতেন। একথা কি সত্য?
প্রশ্ন (২২/২৬২) : কোন হিন্দু কোন মুসলিমকে কাপড় দান করলে তা গ্রহণ করা এবং সে কাপড় পরিধান করে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৪৬) : অসীলা কি? কোন কোন অসীলায় প্রার্থনা করা জায়েয? ওমর (রাঃ) কি আববাস (রাঃ)-এর নামে দো‘আ করেছিলেন, না তাকে দো‘আ করার জন্য বলেছিলেন? - -মুনীরুল ইসলাম, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : সাত বছর যাবৎ সংসার করার পরও স্বামীর সাথে জনৈক স্ত্রীর বনিবনা হয় না। মাঝে মাঝে ঝগড়া হ’লে স্বামী তালাক দেয়, আবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। স্ত্রী ডিভোর্স চায় কিন্তু স্বামী রাযী হয় না। এক্ষণে উক্ত স্ত্রীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৮/৮) : আমার মা আমার নানার জমিতে দীর্ঘ দিন থেকে বসবাস করেন। সেখানে তাকে কবর দেয়া যাবে কি? মৃতকে বাবা-মার পাশে কবর দেয়াতে কোন ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (১০/২৫০) : যে ব্যক্তি সব মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর জন্য দো‘আ বা ক্ষমা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাকে প্রতিটি মুমিন পুরুষ ও নারীর পরিবর্তে একটি করে নেকী দিবেন মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : কোন্ কোন্ পাপ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না? জুববুল হুযুন কী? তাতে কারা প্রবেশ করবে?
প্রশ্ন (১/২৮১) : স্বামী ও স্ত্রী দু’জনেই যদি নেক আমল করে তাহ’লে মৃত্যুর পর তাদের দু’জনের সাক্ষাৎ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : শরীরের কোন স্থান কেটে গেলে সেখান থেকে রক্ত বের হয়ে তা কাপড়ে লাগলে সেই কাপড় কি নাপাক হয়ে যাবে?
আরও
আরও
.