গত ৫ই জুন ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত তৃতীয় বিশ্ব ইসলামী অর্থনীতি সম্মেলনে দেওয়া এক ভাষণে বর্তমান বৈশ্বিক ঋণ সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি উল্লেখ করেন, ক্রমবর্ধমান এই ঋণ পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎকে এক বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসাবে তিনি ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, উৎপাদনশীলতা এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের উপর জোর দেন। সূদভিত্তিক ঋণদান ব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে এরদোয়ান স্পষ্টভাবে বলেন, যেখানে সূদ আছে, সেখানে কোন বরকত থাকতে পারে না। তাঁর মতে অংশীদারিত্বমূলক ইসলামী অর্থনীতি কেবল মুসলিমদের জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের জন্যই অত্যন্ত নিরাপদ এবং অধিকতর ন্যায়সংগত একটি অর্থনৈতিক মডেল। তাই যত দ্রুত বিশ্ববাসী ইসলামী অর্থনীতির এই শাশ্বত মূলনীতিগুলোকে অাঁকড়ে ধরবে, আর্থিক সংকট প্রতিরোধ করে তত দ্রুতই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

[এই সাহসী উচ্চারণের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজ দেশে পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলামী অর্থনীতি চালু করতে পারেননি। অতএব আমাদের পরামর্শ হ’ল ইসলামী অর্থনীতি কেবল তখনই সম্ভব, যখন তা মাযহাবী ফিক্বহের ধুম্রজাল থেকে মুক্ত হবে। অবশ্যই সেটি হ’তে হবে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক অর্থনীতি। যার সুফল হিসাবে খলীফা ওমর (রাঃ)-এর যুদে ইসলামী খেলাফতে যাকাত নেওয়ার মতো কোন লোক খুঁজে পাওয়া যেত না (দ্র. ‘যাকাত ও ছাদাক্বা’ বই; স.স.]

-এরদোয়ান








আরও
আরও
.