বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কন্যাশিশুদের প্রতি যৌন সহিংসতা ও হত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘আইন ও সালিশী কেন্দ্রে’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে ২০শে মে পর্যন্ত ১১৮ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং এর মধ্যে ১৪ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়েছে তিন শিশুকে। এর মধ্যে ১৯শে মে রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্কুলছাত্রী ৮ বছরের কন্যাশিশু রামিসা হত্যাকান্ড দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটিতেই শিশুরা তাদের প্রতিবেশী, আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠজনদের দ্বারাই সহিংসতার শিকার হয়েছে। অপরাধীরা শিশুদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়। এই জঘন্য অপরাধের প্রধান কারণ হিসাবে অপরাধীদের বিচারহীনতা বা বিচারের দীর্ঘসূত্রিতাকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। সর্বোপরি বিচারের নামে বিভিন্ন অজুহাতে লঘু দন্ডই এসব পাপকে উষ্কে দেয়। এছাড়াও রয়েছে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়, মাদকাসক্তির বিস্তার, ইন্টারনেটে বিকৃত কনটেন্ট সমূহের সহজলভ্যতা এবং অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার মানসিকতা।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র‍াকের যৌথ গবেষণা অনুযায়ী দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারে ৭০ শতাংশ মামলায় আসামিরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে।

[এ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পরিবারে ও সমাজে ইসলামী পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং ইসলামী দন্ডবিধি কার্যকর করা অপরিহার্য (স.স.)]







আরও
আরও
.