মানুষের জীবন বাঁচাতে রক্তদানের গুরুত্ব আর দশজনের থেকে বেশি অনুধাবন করেন তিনি। তাই তো ৩৩ বছর ধরে দেশ-বিদেশে রক্তদান করে আসছেন মুহাম্মাদ জাবেদ নাসীম নামে কুমিল্লার মুরাদনগর উপযেলার বাসিন্দা রক্তদানের এই জীবন্ত কিংবদন্তি। মানুষের উপকারের নেশা মেটাতে এ পর্যন্ত ১৬৯ বার নিজের মহামূলবান ‘ও নেগেটিভ’ রক্ত দান করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশে তার গ্রুপের সর্বোচ্চ রক্তদাতা।

জাবেদ জানান, ১৯৮৬ সালে ২৭শে অক্টোবরে মাত্র ১৮ বছর বয়সে রক্তদান শুরু করেন তিনি। রক্তদানের ৩৩ বছরে একই দিন দু’বার রক্তদানের ঘটনাও অনেক রয়েছে তার জীবনে। শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও রক্ত দিয়েছেন তিনি।

রক্তদানের জন্য জাবেদ নাসীম ইতিমধ্যে বহু পুরস্কার লাভ করেছেন। তবে জাবেদের মতে, পুরস্কার বা সম্মাননা পাওয়া মুখ্য বিষয় নয়, মানুষের উপকারে আসতে পেরেছেন এতেই সীমাহীন আনন্দ পান তিনি। তার ভাষ্য, জীবনে অন্যের জন্য কিছু করতে না পারলে মানুষ হয়ে কেন জন্মানো! সব কিছুতে টাকা থাকতে হবে, এমনটা নয়।

জাবেদ নাসীম আরও বলেন, মানুষের যখন রক্তের প্রয়োজন হয়, তখন রক্ত দিলে মানসিক যে তৃপ্তি, পৃথিবীর অন্য কিছুর বিনিময়ে সেই তৃপ্তি পাওয়া যাবে না। আমার রক্তে একজন মানুষ বেঁচে যাচ্ছেন এর চেয়ে আনন্দদায়ক আর কী হ’তে পারে জীবনে!

জাবেদ নাসীমের পরামর্শ রক্তদানের এই মহতী কর্মে তরুণদেরকে উদ্বুদ্ধ হ’তে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো করতে হবে।

[অশেষ ধন্যবাদ ভাই জাবেদ নাসীমকে। আল্লাহ তাকে উত্তম জাযা দান করুন! তবে তার প্রতি উপদেশ থাকবে, তিনি যেন স্রেফ পরকালীন স্বার্থে কাজ করেন এবং মানুষকে মাদকমুক্ত রক্ত দানে উদ্বুদ্ধ করেন। আর এজন্য এদেশের জাতীয় ভিত্তিক একমাত্র ‘মাদকমুক্ত রক্তদান সংস্থা’ ‘আল-‘আওন’-এর সাথে যোগাযোগ রাখেন। মোবা : ০১৭২৩-৯৩৮৩৯৩, ০১৭২০-৪৬৫৭৬৭ (স.স.)]






মাদক ব্যবসার কারণে বছরে পাচার হচ্ছে ৫ হাযার কোটি টাকা
রূপকথার গ্রাম নাটোরের হুলহুলিয়া
প্রতি বছর দেশে কোটি টনেরও বেশী খাবার অপচয় হয়!
আমাজনের বলিভিয়া অংশে ২৩ লাখ প্রাণী পুড়ে ছাই
৩৭০ ও ৩৫-ক ধারা বাতিল হ’লে স্বাধীনতার দাবীতে আন্দোলন - -ফারূক আব্দুল্লাহ
১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের পথে যুক্তরাজ্য
ভালো কাজের বিনিময়ে কারামুক্তি পাচ্ছেন আসামীরা
তামার কয়েন বিক্রি দু’লক্ষাধিক ডলারে
বিনা পাসপোর্টে ৫ লাখ ভারতীয় দেশে
স্বদেশ-বিদেশ
চিনিযুক্ত ফলের রস পানে মৃত্যু ডেকে আনে
রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞে অংশগ্রহণকারী মিয়ানমারের চার সেনার স্বীকারোক্তি : যাকে দেখবে, গুলি করবে
আরও
আরও
.