কল্পনা করুন, প্রায় এক হাযার ফুট উঁচু একটি পানিরাশির প্রাচীর আপনার দেশের উপকূলরেখার দিকে ছুটে আসছে একটি অপ্রতিরোধ্য গতিতে, দৌড়ানোর সময় নেই, প্রস্ত্ততি নেয়ার সময় নেই। ধারণাটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মতো শোনাতে পারে, কিন্তু বাস্তবিকই, ভূতাত্ত্বিক এবং দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা এর সম্ভাব্যতা সম্পর্কে সতর্কতা জারী করেছেন।
ভার্জিনিয়া টেকের একদল ভূ-বিজ্ঞানীর একটি গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্যাসকাডিয়া সাবডাকশন জোনে’-এ একটি বড় ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট মেগা-সুনামির সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া পর্যন্ত প্রায় ৭শ’ মাইল বিস্তৃত এই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি।
গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলে ৮.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে দেশটির সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি হবে সম্ভবত দক্ষিণ ওয়াশিংটন, উত্তর ওরেগন এবং উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া। এমনকি আলাস্কা এবং হাওয়াইয়ের মতো দূরবর্তী অঞ্চলগুলিও এই বিশাল দুর্যোগের সম্ভাব্য প্রভাব থেকে মুক্তি পাবে না।
মেগা-সুনামি শত শত এমনকি সহস্র ফুটেরও বেশী উঁচু ঢেউ হিসাবে আঘাত হানতে পারে এবং স্থলভাগের অভ্যন্তরে বহু মাইল ছড়িয়ে যেতে পারে। ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলির অন্যতম। যেখানে ১৪টি দেশে ২ লাখ ৩০ হাযারেরও অধিক মানুষ নিহত হয়েছিল।
এর আগে, ১৯৫৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লিটুয়া উপসাগরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের ফলে আলাস্কায় ঘটে যাওয়া মেগা-সুনামির ঢেউ নথিবদ্ধ করা হয়েছিল ১ হাযার ৭শ’ ১৯ ফুট উঁচু।
[(প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় আল্লাহ্র হুকুমে। আল্লাহ্র অবাধ্য জাতিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাঝে-মধ্যে তিনি এরূপ সুনামি-জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি পাঠিয়ে থাকেন। যেমন তিনি ২০২০-২০২২ সালে করোনা মহামারি পাঠিয়েছিলেন। সেখানেও সর্বাধিক মৃত্যুর তালিকার ঊর্ধে ছিল আমেরিকা সহ উন্নত বিশ্ব। কিন্তু তাদের শিক্ষা হয়নি। তারা পুনরায় তাদের অবৈধ সন্তান ইস্রাঈলকে দিযে ফিলিস্তীন ও ইরান সহ মুসলিম বিশ্বের উপর বর্বর হামলা ও আগ্রাসন চালাচ্ছে। এ সময় এরূপ প্রাকৃতিক গযব আসা স্বাভাবিক। ঐসব দেশের বিজ্ঞ নেতাদের বিশ্বব্যাপী তাদের বর্বরতা ও আগ্রাসন থামানোর আশা করছি (স.স.)।]