মায়ের মৃত্যুর ১০ সপ্তাহ পর শিশু ভূমিষ্ঠ!

মায়ের মৃত্যুর দশ সপ্তাহ পর পৃথিবীর আলো দেখল এক নবজাতক। অবশ্য এজন্য শিশুটির জন্ম পর্যন্ত মায়ের দাফন বিলম্বিত করতে হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাওয়াম হাসপাতালের একদল চিকিৎসক সার্জারির মাধ্যমে ঐ নবজাতককে জীবিত অবস্থায় তার মায়ের গর্ভ থেকে বের করেন। জানা গেছে, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে আমিরাতের নাগরিক অন্তঃসত্ত্বা ঐ মহিলাকে ক্লিনিক্যালি ডেড (মৃত) ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এ সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় চিকিৎসকেরা দেখতে পান তার জরায়ুতে থাকা ভ্রূণটি জীবিত রয়েছে। এ অবস্থায় শিশুটির ভূমিষ্ঠ হওয়ার অপেক্ষা করতে থাকেন। গর্ভের ভ্রূণকে বাঁচিয়ে রাখতে মহিলাটিকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কৃত্রিমভাবে সরবরাহ করা হয় রক্ত এবং অক্সিজেন। ভ্রূণটির বয়স ২৮ সপ্তাহ পূর্ণ হবার পর চিকিৎসকরা সার্জারির মাধ্যমে তাকে মায়ের গর্ভ থেকে বের করেন। বিশ্বে এ ধরনের ঘটনা এটিই প্রথম।

মানব ডিম্বাণুর শুক্রাণু রহস্য উদঘাটন

মানব  ডিম্বাণু কিভাবে একটি মানব শুক্রাণুকে গ্রহণ করে নিষেক ক্রিয়া শুরু করে, তার রহস্য বিজ্ঞানীরা উদঘাটন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং ও তাইওয়ানের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক গবেষক দলের গবেষণায় এটি আবিষ্কৃত হয়েছে। গবেষণাকালে গবেষক দল দেখতে পান, একটি নির্দিষ্ট ধরনের চিনির অণু মানব ডিম্বাণুর বহিরাবরণকে ‘আঠালো’ করে তোলে। আঠালো এ বহিরাবরণের সহায়তায় ডিম্বাণু ও শুক্রাণু পরস্পর মিলিত হয়। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মানব ডিম্বাণুর বহিরাবরণে প্রচুর সিয়ালাইল-লুইস-এক্স সিকোয়েন্স (এসএলইএক্স) নামের চিনির অণুর শিকল। এরপর বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে নির্দিষ্ট কয়েক ধরনের সংশ্লেষিত চিনির সঙ্গে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন এসএলইএক্স-ই ডিম্বাণুর সঙ্গে শুক্রাণুকে যুক্ত করে। এ আবিষ্কার ভবিষ্যতে সন্তানহীন দম্পতিকে সন্তান পেতে সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।

দুই সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরা গ্রহ আবিষ্কার

আমাদের সৌরজগতের বাইরে দু’টি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরা একটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ একথা জানিয়ে বলেছে, তাদের দূরবীক্ষণ যন্ত্র কেপলার এটি চিহ্নিত করেছে। গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে কেপলার ১৬বি। মহাশূন্যে কোন গ্রহের দুই নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করার ঘটনা এটাই প্রথম। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ২০০ আলোকবর্ষ। আলো সেকেন্ডে এক লাখ ৮৬ হাযার মাইল গতিতে চলে এক বছরে যতদূর যায়, তা এক আলোকবর্ষ। বিজ্ঞানীরা জানান, কেপলার ১৬বি গ্রহ যে দুটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তা আমাদের সৌরজগতের সূর্যের চেয়ে ৬৯ ও ২০ শতাংশ ছোট। গ্রহটির ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা মাইনাস ৭৩ ও মাইনাস ১০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি ২২৯ দিনে একবার তার দুই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সূর্য দুটি থেকে গ্রহটির গড় দূরত্ব ১০ কোটি ৪০ লাখ কিলোমিটার। দুটি সূর্য থাকায় এ গ্রহে সূর্যাস্তও দুবার হয়।






দ্রুত ক্ষত সারাবে স্মার্ট ব্যান্ডেজ
বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী দম্পত্তির (বর্জ্য থেকে জ্বালানী আবিষ্কার)
অ্যান্টার্কটিকার ছয় কোটি মাছের আবাসস্থলের সন্ধান লাভ
বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেন বগুড়ার আমীর
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার (জীবাণু-প্রতিরোধী কাগজ উদ্ভাবন)
পারমাণবিক ব্যাটারি আনছে চীন, চার্জ ছাড়াই ফোন চলবে ৫০ বছর
প্রাণী নয়, গোশতের যোগান দেবে গবেষণাগার!
বিজ্ঞান ও বিস্ময়
বিজ্ঞান ও বিস্ময়
ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কালো ধানের চাল
মেইলের জবাব দেবে গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমান সফটওয়্যার
মানব জিনের পূর্ণাঙ্গ বিন্যাস উন্মোচন
আরও
আরও
.