বগুড়ার যন্ত্র বিজ্ঞানী আমীর হোসেন তার নিজস্ব ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সাইনটিস্ট টেকনোলজি’ ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিমভাবে মানুষের হাত ও পা তৈরীর কাজ করছেন। তার লক্ষ্য স্বল্প খরচে খুব সহজেই যেকোন বয়সী পুরুষ ও নারীর শরীরে তার হারানো হাত ও পায়ের স্থলে কৃত্রিমভাবে তৈরী হাত-পা সংযোজনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দেয়া। কারণ অর্থাভাবে অনেক পঙ্গু মানুষ বিদেশ থেকে আমদানীকৃত দামী কৃত্রিম পা ও হাত সংযোজন করতে পারেন না। ‘বুয়েট’ কর্তৃক রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ এই যন্ত্র বিজ্ঞানী আমীর হোসেনের বাসা বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ার টিকাদার লেনে। প্রবল ইচ্ছা ও গবেষণার মাধ্যমে এ পর্যন্ত তিন ডজন মেশিন উদ্ভাবন করেছেন। ফলে সারা দেশে ছড়িয়ে আছে তার সুনাম। সর্বশেষ তিনি তার ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিম পা ও হাত তৈরী শুরু করেছেন। গত ২৪শে জুন অসিত কুমার মন্ডল নামের এক ব্যক্তির পা সংযোজনের কাজ শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি ক্র্যাচারের সাহায্যে চলাফেরা করছেন। আগামী দেড় থেকে দু’মাসের মধ্যে কৃত্রিম পা সংযোজনের কাজ শেষ হ’লে তিনি অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সাভারের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর থেকে আমি এ কাজের চিন্তা করি। ইতিমধ্যে দু’জনের মধ্যে পরীক্ষা চালিয়ে সফল হয়েছি। সরকার আমাকে সহযোগিতা করলে একটি পূর্ণাঙ্গ ল্যাবরেটরী বা হাসপাতাল তৈরী করে দেশেই কৃত্রিম পা ও হাত সংযোজনের ব্যবস্থা করতে পারব।







বিষয়সমূহ: বিবিধ
আরও
আরও
.