করোনায় আক্রান্ত হয়ে এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোরশেদুল আলম (৬৫) গত ২২শে মে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এর কয়েকদিন পূর্বে একই দিনে এস আলম গ্রুপের পাঁচ ভাইয়ের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আজন্ম একই বাউন্ডারীতে থাকা পাঁচ ভাই একই বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন। এর মধ্যে ছোট ভাইয়ের অবস্থার অবনতি হ’লে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এরই মধ্যে অবস্থার অবনতি ঘটে সবার বড় ভাইয়ের। কিন্তু হাসপাতালের আইসিইউ-এ কোন সিট খালি না থাকায় অন্তিম সময়ে ছোট ভাইয়ের ভেন্টিলেশন খুলে বড় ভাইকে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। ছোট ভাইয়ের সামনেই করোনা জটিলতায় মারা যান বড় ভাই মোরশেদুল আলম।

উল্লেখ্য, এস আলম গ্রুপ দেশের শীর্ষ ধনীদের মধ্যে অন্যতম। তাদের আয়ত্ত্বে রয়েছে মোট ৮টি ব্যাংক, ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, দু’টি বীমা কোম্পানীসহ মোট ৩৪টি কোম্পানী। যেখানে কর্মরত আছে ১ লাখ ৮০ হাযার কর্মী। শুধু বাংলাদেশে নয়, সিঙ্গাপুর ও কানাডার ধনীদের তালিকায়ও স্থান পেয়েছে গ্রুপটি। পাঁচ ভাইসহ  পরিবারটির আরো কয়েকজন সদস্যও করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।






ডাঃ যাকির নায়েকের সম্পত্তি বাযেয়াফত করা যাবে না, জানিয়ে দিলেন বিচারপতি
চীনে মুসলিম শিশুদের বিশ্বাসের পরিবর্তনে পরিবার থেকে আলাদা করা হচ্ছে
মানুষের শেখা উচিত কুকুরের কাছ থেকে
৬২% প্রক্রিয়াজাত প্যাকেট খাবারে অতিরিক্ত লবণ
ইসলামী ব্যাংকে ব্যাপক পরিবর্তন (৩৫ জন ডিএমডি সহ ২১৮ জন কর্মকর্তা বদলী ১৩/১৪ বছর আগের লেনদেন সমূহ যাচাই করা হবে নারী ও অমুসলিমরাও নিয়োগ পাবে)
অবশেষে মসজিদ নির্মিত হ’ল ইউরোপের মসজিদবিহীন শহর এথেন্সে
বৃটিশদের খাবার সময় নেই : কিন্তু একাকীত্ব সামলাতে নতুন মন্ত্রণালয়
সঊদীতে ওষুধ উৎপাদনে যাচ্ছে বেক্সিমকো
স্বদেশ-বিদেশ
ভারত ভাগ হয়ে যাচ্ছে : রাহুল গান্ধী
ইসরায়েলই মুসলিম চরমপন্থী তৈরী করছে - ব্রিটিশ এমপি
অবসরে গেলেন স্বনামধন্য মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম
আরও
আরও
.