রাজশাহী ২৪শে অক্টোবর শনিবার : অদ্য বাদ আছর ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ রাজশাহী-পূর্ব সাংগঠনিক যেলার উদ্যোগে যেলার চারঘাট থানাধীন বাদুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে অনুষ্ঠিত যেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব জনগণের প্রতি উপরোক্ত আহবান জানান। তিনি বলেন, মানবতার শত্রু ফেরাঊন ও তার বাহিনী আল্লাহর হুকুমে সাগরে ডুবে মরা এবং নবী মূসা ও তাঁর নিরীহ অনুসারীদের মুক্তির দিনটি ছিল ১০ই মুহাররম। সে উপলক্ষে আল্লাহর শুকরিয়া জানিয়ে মূসা (আঃ) আশূরার ছিয়াম রাখতেন। এর সাথে শাহাদাতে হুসায়েন-এর কোন সম্পর্ক নেই কেবল ঘটনা দু’টির তারিখ একই দিন হওয়া ছাড়া। মূসার চেতনা ছিল কুফরের বিরুদ্ধে তাওহীদের চেতনা। অথচ ইয়াযীদ ও হুসায়েন ছিলেন একই তাওহীদী চেতনার অনুসারী। অতএব নাজাতে মূসা ও শাহাদাতে হুসায়েনকে একত্রে গুলিয়ে ফেলে রাজনৈতিক ফায়েদা হাছিল করা ঠিক নয়। তিনি দেশের সরকার ও জনগণকে নির্ভেজাল তাওহীদী আক্বীদায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শান্তিময় সমাজ গড়ে তোলার আহবান জানান।

যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি ডাঃ ইদরীস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন, ‘যুবসংঘে’র সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুযাফ্ফর বিন মুহসিন, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী নওদাপাড়ার শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, যেলা ‘আন্দোলন’-এর সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ আইয়ূব আলী সরকার, যেলা ‘যুবসংঘে’র সভাপতি আব্দুর রহীম, জামিরা এলাকা ‘যুবসংঘে’র সভাপতি আবূ সাঈদ প্রমুখ।






আরও
আরও
.