গত ২২শে ডিসেম্বর’১৫ নেপালের খ্যাতনামা আহলেহাদীছ আলেম এবং জমঈয়তে আহলেহাদীছ নেপালের আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ মাদানী ঝান্ডানগরী (৬১) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেঊন)। নেপালে আহলেহাদীছ আন্দোলনের ঝান্ডাবাহী এই প্রখ্যাত আলেম কেবল নেপালেই নন বরং মুসলিম বিশ্বে একজন সুপরিচিত আলেম ও বাগ্মী ছিলেন। বহু আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলনে তিনি নেপালের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি পিসটিভি উর্দূসহ বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলের আলোচক ছিলেন। নেপালের কপিলবস্ত্ত যেলার কৃষ্ণনগরে তিনি মারকাযুত তাওহীদ নামক একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন, যা নেপালের মাটিতে বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমলের প্রচার ও প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এর অধীনস্ত মহিলা শাখা এবং নেপালের একমাত্র মহিলা মাদরাসা ‘মাদরাসা খাদীজাতুল কুবরা’ও নারীদের মাঝে দ্বীনের বিশুদ্ধ দাওয়াতের প্রসারে প্রভূত ভূমিকা রাখছে। তিনি ১৯৮৮ সালের মে মাসে ‘নূরে তাওহীদ’ নামে নেপালে সর্বপ্রথম উর্দূ মাসিক ইসলামী পত্রিকা বের করেন, যা অদ্যাবধি চালু আছে। বাদ যোহর কৃষ্ণনগরে অনুষ্ঠিত তাঁর জানাযায় নেপাল ও ভারতের ১০ হাযারের অধিক মুছল্লী উপস্থিত হন। জানাযা পড়ান মাওলানা আব্দুর রহমান মুবারকপুরী। মৃত্যুকালে তিনি দেশে-বিদেশে অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, তিনি ১৯৯৭ ও ১৯৯৮ সালে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর বার্ষিক জাতীয় সম্মেলন ও তাবলীগী ইজতেমায় মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।  

[আমরা তাঁদের রূহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। সম্পাদক]






বগুড়ায় ব্যতিক্রমধর্মী দাওয়াতী সফর (বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ)
‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ পেশাজীবী ফোরাম’ গঠন
রোহিঙ্গা আলেম-ওলামার সমন্বয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইসলামী আক্বীদা বিষয়ক সেমিনার
সংগঠন সংবাদ
যেলা সম্মেলন : ঝিনাইদহ (সর্বাবস্থায় আল্লাহভীতি বজায় রাখুন!)
মাসিক ইজতেমা
সুধী সমাবেশ
মারকায সংবাদ (কুল্লিয়া-র ক্লাস শুরু)
ইবতেদায়ী ও জেডিসিতে বৃত্তি প্রাপ্তি
সার্বিক জীবনে তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করুন! (যেলা সম্মেলন : নওগাঁ ২০২৩) - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
মাযহাবী ইসলাম বাদ দিয়ে প্রকৃত ইসলামের অনুসারী হৌন! (যেলা সম্মেলন : চট্টগ্রাম ২০২৪) - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
যেলা সম্মেলন : মেহেরপুর (জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহকে ভয় করে কাজ করুন) - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আরও
আরও
.