চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে অভাবের তাড়নায় ওমর ফারূক নামের ১৭ দিন বয়সী এক নবজাতককে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে পরিবারের দাবী বিক্রি নয়, নবজাতককে দত্তক দেওয়া হয়েছে। শিশুটি ফার্নিচার মিস্ত্রী মো. সেলিম ও গৃহবধূ মৌসুমী বেগম দম্পত্তির তৃতীয় সন্তান। তাদের ৫ ও ৩ বছর বয়সী ২ ছেলে মেয়ে আছে। তারা দরিদ্রতার কারণে স্বচ্ছলতার সাথে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। এর মধ্যে সিজারের মাধ্যমে আরেকটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন মৌসুমী বেগম। কিন্তু টাকার অভাবে স্ত্রী ও নবজাতককে ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না সেলিম। ফলে সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতককে তার আপন খালা ফাতেমার কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছে। ১৪ বছর যাবৎ খালা নিঃসন্তান থাকায় তিনি দত্তক দেয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানাতেন। তাই তৃতীয় সন্তানের জন্মের পর আর্থিক ও মানবিক কারণে এবং আত্মীয়তার দিক বিবেচনা করে সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতককে দত্তক দিয়ে দেন।







এখনো ফিলিস্তীনীদের সেবা করে চলেছেন যে ইস্রাঈলী নারী
ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার নমুনা!
লাখ টাকার গহনা ফিরিয়ে দিলেন রিকশাচালক মুহাম্মাদ নূর
পাঠ্যবইয়ে বিবর্তনবাদ ধর্মবিরোধী, দরকার ব্লাসফেমী আইন
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানব হত্যাকারী প্রাণী মশা
এক বছরের মধ্যে ‘নাতি-নাতনী’ চেয়ে ছেলেকে আদালতে তুলছেন ভারতীয় দম্পতি!
আগামী বছর ভারতের বড় শহরগুলোয় পানি শুকিয়ে যাবে!
ভারতের দখলে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী যেসব সম্পদ
পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ : রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু
ডাঃ যাকির নায়েকের ওপর নিষেধাজ্ঞার ভারতীয় অনুরোধ ইন্টারপোলের প্রত্যাখ্যান
অবশেষে মসজিদ নির্মিত হ’ল ইউরোপের মসজিদবিহীন শহর এথেন্সে
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহবান জাতিসংঘের
আরও
আরও
.