যুগ বদলেছে। কিন্তু জাত-পাত-বর্ণ নিয়ে বৈষম্য এখনও ঘোচেনি। আর তাইতো এক দলিত নারী গ্রামের একটি পানির ট্যাংক থেকে পানি পান করায় শুরু হ’ল হইচই। ট্যাংকটি থেকে পানি বের করে সেটি পরিষ্কার করা হ’ল। শুধু তাই নয়, গোমূত্র দিয়ে সেই ট্যাংক শুদ্ধ করা হ’ল। শুনতে অবাক লাগলেও সম্প্রতি এমনই ঘটনা ঘটেছে ভারতের কর্ণাটক প্রদেশের ছমরাজনগর যেলার হেগ্গোতারা গ্রামে। মূলতঃ কর্ণাটকের বিভিন্ন গ্রামে আজও দলিত-ব্রাহ্মণ জাতি-বৈষম্য বিশেষভাবে পালন করে সেখানকার মানুষ। এবার রাজ্যটির হেগ্গোতারা গ্রাম সেই বর্ণ বৈষম্যেরই একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠল। মূলতঃ ছমরাজনগর যেলার হেগ্গোতারা গ্রামের প্রতিটি ট্যাংকের গায়ে বড় বড় করে লেখা রয়েছে, এখান থেকে সকলে পানি পান করতে পারেন। কিন্তু আদতে যে সেটি মেনে চলা হয় না ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, তফছীলী সম্প্রদায়ভুক্ত ঐ দলিত নারী গত ১৮ই নভেম্বর ঐ গ্রামে একটি বিয়ে বাড়ীতে গিয়েছিলেন। সেসময় তিনি গ্রামের একটি পানির ট্যাংকের কল খুলে পানি পান করেন। এই ঘটনাটি গ্রামের উচ্চবর্ণের অনেকে দেখে ফেলেন। এরপরই গ্রামের মোড়লরা রীতিমতো আলোচনা করে ট্যাংকের সকল পানি ফেলে দিয়ে সেটি পরিশুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। কেননা তাদের মতে, দলিত নারী ট্যাংকের পানি পান করায় সেটি অপবিত্র হয়ে গেছে। তাই কেবল ট্যাংকের সব পানি ফেলেই তারা ক্ষান্ত হননি, ট্যাংকে গোমূত্র ঢেলে সেটি পবিত্রও করেছেন।

[কেবলমাত্র ইসলামই নারীকে তার স্ব মর্যাদায় আসীন করেছে। আল্লাহ বলেন, ‘তারা তোমাদের পোষাক এবং তোমরাও তাদের পোষাক’ (বাক্বারাহ ১৮৭)। ইসলামে নারী-পুরুষ সবাই এক আদমের সন্তান। আল্লাহভীরুতা ব্যতীত তাদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ নেই’ (ছহীহাহ হা/২৭০০)। আমরা সবাইকে ইসলামী সাম্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহবান জানাই (স.স.)]।







করোনা সন্দেহে স্বামীকে বাড়িছাড়া করল স্ত্রী, আশ্রয় দিল পুলিশ
জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন পিতা সম্পত্তির লোভে সন্তানদের হুমকি
চিনিযুক্ত ফলের রস পানে মৃত্যু ডেকে আনে
সুনামগঞ্জে সামান্য কাঁঠালের নিলাম নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৪ আহত ৪০
ছানিজনিত অন্ধের সংখ্যা বছরে বাড়ছে ১ লাখ ৩০ হাযার
সঊদী আরবের কাছে ২৪ লাখ কোটি টাকার অস্ত্র বিক্রি করবে আমেরিকা
এখনই সতর্ক না হলে ২১০০ সালে ভিনগ্রহে পরিণত হবে পৃথিবী
মুসলিমরাই বিশ্বব্যাপী ৮০ শতাংশ সন্ত্রাসী হামলার শিকার - -সেন্ট মার্ক
সূদের কারবার ছেড়ে ভ্যান চালিয়ে হালাল উপার্জনের পথে নেমেছেন কোটিপতি শাহীন
কিসে সুখ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৫ বছরের গবেষণায় মিলেছে জবাব
অযোধ্যায় তৈরি হ’তে চলেছে ভারতের বৃহত্তম মসজিদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটে প্রথম হয়েছে মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুল্লাহ
আরও
আরও
.