জীবনের বেশিরভাগ সময় ইসলামের দাওয়াত নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণকারী তুরস্কের বিশিষ্ট আলেম শায়খ নে‘মাতুল্লাহ তুর্কী (৯০) মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। গত ৩০শে জুলাই তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে তিনি মারা যান। ৯০ বছরের জীবনের বেশির ভাগ সময় তিনি দ্বীনের দাওয়াতে অতিবাহিত করেন। আল-জাযিরার রিপোর্ট অনুযায়ী এ পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

শায়খ নে‘মাতুল্লাহ ১৯৩১ সালে তুরস্কে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি তুরস্ক, সঊদী আরব ও জাপানে অবস্থান করেন। মক্কা ও মদীনায় দু’টি মসজিদে মোট ৩০ বছর তিনি ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। জাপানে তিনি ১৫ বছর অবস্থান করেন। সেখানকার রাজধানী টোকিওতে ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা সহ দেশটিতে ৪ শতাধিক মসজিদ ও মুছাল্লা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে চীন সফরকালে সেখানে তিনি চাইনিজ ভাষায় অনুদিত ২০ হাযারের বেশী পবিত্র কুরআনের কপি বিতরণ করেন। সবমিলিয়ে এশিয়া ও ইউরোপের ৫৫টিরও বেশি দেশে তিনি ইসলামের প্রচার ও প্রসারে সফর করেছেন। এসব দেশগুলিতে সফরের সময় তিনি সেদেশের নিজস্ব ভাষায় ইসলামের পরিচিতিমূলক ছোট কার্ড ও বই প্রস্ত্তত করে সব সময় নিজের পকেটে রাখতেন এবং রাস্তায় দাঁড়িয়ে তা বিতরণ করতেন। বিভিন্ন দেশে সফরকালে তিনি মদের বারগুলোতে সফর করতেন। এভাবে তিনি অসংখ্য নেশাগ্রস্ত মানুষকে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। মানুষের কাছে সহজভাবে হাসিমুখে ইসলামের কথা বর্ণনা করা ছিল এ তুর্কী আলেমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।






ইসলামের অবমাননাকারী সঊদী ব্লগার পেল ইউরোপীয়ান শান্তি পুরস্কার
রিয়াদে বালুঝড়ে পন্ড হ’ল কে পপ কনসার্ট
আইএস ‘মিথ্যাবাদী’ - আল-কায়েদা প্রধান
সঊদী আরবের স্কুলের পাঠ্যবই থেকে বাদ দেয়া হয়েছে ফিলিস্তীনের মানচিত্র
সঊদী আরবে এবার মিলল হোয়াইট গোল্ড লিথিয়াম
ওমরাহ পালনে আর এজেন্সীর প্রয়োজন হবে না, অনলাইনেই সঊদী ভিসা মিলবে ২৪ ঘণ্টায়
মুসলিম জাহান
ইস্রাঈলী হামলায় ইয়াতীম হয়েছে ২৫ হাযার ফিলিস্তীনী শিশু
২০১৭ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তিধর দেশের মধ্যে ৮ নম্বরে তুরস্ক
শীর্ষ অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হওয়ার পরিকল্পনা সঊদী আরবের
মসজিদে গুলি ছোঁড়ার পর পাল্টে গেল এক মার্কিন সেনার জীবন
খ্রিস্টান ব্যবসায়ী প্রতিদিন ৮০০ জনকে ইফতার করান
আরও
আরও
.