উত্তর : কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকলে তা হারাম হবে। কারণ চাকরীর নির্ধারিত সময় ও দায়িত্ব কর্মচারীর কাছে আমানত। সে সময়ের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠান তাকে বেতন প্রদান করে। অতএব সেই সময়ে ব্যক্তিগত উপার্জনের কাজে নিয়োজিত হওয়া চাকরীর চুক্তি ও আমানতের খেলাফ। কাজেই করদাতার সঙ্গে তার সরকারী দায়িত্বের সম্পর্ককে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত পারিশ্রমিক গ্রহণ করলে তা ঘুষ বা অবৈধ সুবিধার পর্যায়ে চলে যায়। সরকারী কর্মচারীকে তার দায়িত্বের কারণে প্রদত্ত অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের ব্যাপারে ইসলামী শরী‘আত কঠোর নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ করেছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমরা যাকে কোন কাজে নিয়োগ করি এবং তাকে তার জন্য নির্ধারিত পারিশ্রমিক প্রদান করি, এরপর সে অতিরিক্ত যা গ্রহণ করে, তা খেয়ানত বা ঘুষ (আবুদাউদ হা/২৯৪৩; মিশকাত হা/৩৭৪৮, সনদ ছহীহ)।
প্রশ্নকারী : নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক।