উত্তর : কুরআন স্পর্শ করে মিথ্যা কসম খাওয়া হারাম। যে ব্যক্তি কুরআনের উপর হাত রেখে মহান আল্লাহর নামে মিথ্যা কসম খেল, সে এক মহাপাপে লিপ্ত হ’ল। আর এটিই হ’ল ইয়ামীনে গামুস, যা কসমকারীকে জাহান্নামের আগুনে নিমজ্জিত করে। এক্ষেত্রে তার উপর তওবা ও ইস্তিগফার করা আবশ্যক। তবে কিছু বিদ্বানের মতে এর জন্য তাকে একবার কসমের কাফফারাও দিতে হবে। সেই কাফফারা হ’ল- একজন দাস মুক্ত করা, অথবা দশজন মিসকীনকে মধ্যম মানের খাবার খাওয়ানো যা সে সাধারণত তার পরিবারকে খাওয়ায় অথবা তাদের বস্ত্র দান করা। যদি এই তিনটির কোনোটিই করতে সক্ষম না হয়, তবে তাকে তিন দিন ছিয়াম পালন করতে হবে (মায়েদাহ ৫/৮৯)।

প্রশ্নকারী : শফীকুল ইসলাম খান, সিলেট।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : ওষুধের দোকানে বিভিন্ন প্রকার ওষুধ আছে। এর সাথে মানুষের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রকারের জন্ম বিরতিকরণ বিক্রয় করা হয়। এসব ক্রয়-বিক্রয় করা কি বৈধ?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে থাকা অবস্থায় কতবার দো‘আ ইউনুস পাঠ করেছিলেন?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : জনৈক ব্যক্তি ২০ বছর পূর্বে বিবাহের সময় শ্বশুরবাড়ী থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক নিয়েছিল। এখন উক্ত টাকা ফেরত দিতে চাইলে টাকার মূল্যমান অনুযায়ী বেশি দিতে হবে না সমপরিমাণ পরিশোধ করলেই চলবে?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : অনেকে বলে থাকেন, মুহাররম মাসে বিবাহ -শাদী করা অশুভ ও বড় ক্ষতির কারণ। একথার সত্য কি? - -আজীবর রহমান, বাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৭/৮৭) : বর্তমানে টিভি পর্দায় ইসলামী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বাজানো হচ্ছে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : মোবাইল, টেলিভিশন, সাউন্ডবক্স ইত্যাদি মেরামত করা জায়েয কি? এসব গান-বাজনা ও সিনেমা দেখার কাজে ব্যবহার করা হয় তা জানা সত্ত্বেও মেরামত করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ ইকবাল হোসাইন কাউনিয়া, রংপুর।
প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : ভবিষ্যতে মাদ্রাসা করার লক্ষ্যে এখন থেকে নিয়মিতভাবে নিজের ও অন্যদের যাকাত, দান-ছাদাক্বা, ওশর ইত্যাদি নির্দিষ্ট একাউন্টে জমা রাখতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : বাস-ট্রাক, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের সামনে আল্লাহু আকবার, বিভিন্ন আয়াত ইত্যাদি লেখা হয়। এটা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : ওযূ করে ছালাত আদায়ের পর কাপড় ভেজা বা সেখানে আঠালো পদার্থ দেখতে পেলে ওযূ করে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : কিছু মসজিদে দেখা যাচ্ছে ফরয ছালাতের সালাম ফিরানোর পরেই উচ্চ আওয়াযে হাদীছ পাঠ শুরু হচ্ছে। অন্যদিকে মাসবূক মুছল্লীরা ফরযের বাকী অংশ আদায় করছেন। উচ্চ আওয়াযের কারণে মাসবূকের সূরা বা দো‘আ পাঠ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আবার সব মাসবূকের ছালাত শেষ হ’তেও অন্য মুছল্লীদের সুন্নাত পড়ার সময় হয়ে যাচ্ছে। এক্ষণে হাদীছ পাঠ কিভাবে এবং কোন সময়ে করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : চার ইমামের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ ও স্থান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৬/২১৬) : মসজিদে ক্বোবায় ছালাত আদায় করার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?
আরও
আরও
.