উত্তর : যদি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জোরপূর্বক, ভয়-ভীতি দেখিয়ে বা রাস্তা আটকে টাকা আদায় করে, তাহ’লে তা শরী‘আতের দৃষ্টিতে অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ এবং এক প্রকার যবরদস্তি ও চাঁদাবাজি। এ ধরনের চাঁদা দাবী করা হারাম। আবার স্বেচ্ছায় তাদের এ কাজকে সমর্থন করে চাঁদা দেওয়া বৈধ নয়। কিন্তু যবরদস্তি, মারধর, ক্ষতি বা বড় ধরনের অনিষ্টের আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য টাকা দিতে হ’লে দাতার কোন গোনাহ নেই। গোনাহ হবে অন্যায়ভাবে আদায়কারীর’ (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩১/২৮৭; আব্দুর রহমান মুবারকপুরী, তোহফাতুল আহওয়াযী ৪/৪৭১)। আর সরকার বা বৈধ কর্তৃপক্ষ সেতু, মহাসড়ক বা নির্দিষ্ট অবকাঠামো ব্যবহারের বিনিময়ে যে নির্ধারিত টোল বা ফি গ্রহণ করে, তা বৈধ বা জায়েয। কিন্তু কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বৈধ অনুমোদন ছাড়া রাস্তা আটকে অর্থ আদায় করলে তা যবরদস্তিমূলক চাঁদাবাজি হিসাবে গণ্য হবে।
প্রশ্নকারী : আব্দুল মালেক, নওদাপাড়া, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।