অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও চর্বিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে দেশে স্থূলতা, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ছে। যার ফলে বছরে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাযার মানুষ প্রাণ হারাচেছ, যা দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১%। দেশের ৯৭% মানুষ নিয়মিত প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করলেও এর পেছনের জটিল পুষ্টি তথ্য বুঝতে পারেন না বলে স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচনে প্যাকেটের সম্মুখভাগে স্পষ্ট সতর্কবার্তা বা ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ (চালু করা এখন সময়ের দাবী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের মতে বিশ্বের ৪৪টি দেশের মতো বাংলাদেশেও এই লেবেলিং ব্যবস্থা কার্যকর হ’লে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ হ্রাসের পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয় অনেকাংশে কমে আসবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): প্রয়োজনীয়তা, অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় এসব মতামত তুলে ধরেন বক্তারা।
[মানুষের কর্মহীন জীবন তার স্বাস্থ্যহানির জন্য প্রধানত দায়ী। এযুগের সবকিছু সহজলভ্য হওয়ায় অধিকাংশ মানুষের কষ্টের কাজ কমে গেছে। তাছাড়া মানুষের মধ্যে ব্যায়ামের অভ্যাস নেই বললেও চলে। দেহকে কষ্ট দিলে এবং ঘাম ঝরলে মেদ কমে যাবে। ‘ক্ষুধা না হলে খাব না’ এই নীতি বজায় রাখতে হবে। ‘পেটের এক ভাগ খাদ্য দিয়ে পূরণ কর, একভাগ পানি দিয়ে, বাকী এক ভাগ খালি রাখ’ এই হাদীছটি মেনে চলতে হবে। সর্বোপরি প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার ছিয়াম রাখলে শরীর সুস্থ থাকবে ইনশাআল্লাহ (স.স.) ]