এ কেমন দেশ! হাটে-মাঠে মুফতিরই সমারোহ,

কুরআন-হাদীছ না জেনে দেয় ফৎওয়া অহরহ।

না আছে ইলম, নেই হিকমত তাদের হৃদয় মাঝে,

তবুও গলাবাজি করে তারা বড় আলেম সাজে!

ছাহাবী-তাবেঈ ছিলেন যারা ইলমের দীপধারী,

ফৎওয়া দিতে কাঁপত হৃদয় ভয় হ’ত বেশ ভারী।

একটি বাক্য বলার আগে কাঁদতেন রাতভর,

আজ সে ফৎওয়া অঙ্গনে সব মূর্খেরা যাদুকর।

রামাযান এলে শুরু হয় ভাই ফৎওয়াবাজির খেলা,

ছালাত-যাকাত-হজ্জ-ফেৎরা সবকিছু হয় ঘোলা।

মুছল্লী ভাবে, একি বিপদ! হারালাম নাকি দিক!

একেকজনে একেকটা কয়, সবাই নাকি ঠিক!

এমবিবিএস চিকিৎসক থেকে হাতুড়ে ডাক্তার,

ব-কলম থেকে শুরু করে উকীল ও মোক্তার,

সবাই বোঝে কুরআন-হাদীছ, করে ফৎওয়াবাজি,

মসজিদগুলো কাঁপিয়ে তোলে এদের গলাবাজি।

দাওয়াত দিলে হিকমতে দাও, দাও সত্যের আলো,

তুমিই বল, ফৎওয়ার নামে বিভ্রান্তি কি ভাল?

নিজের আমল যাচাই করো, কতটুকু শুদ্ধ হয়,

অন্যের দোষ খুঁজতে গিয়ে আমল করো না লয়।

-মুহাম্মাদ রিযওয়ানুল হক 

চিরিরবন্দর, দিনাজপুর। 






রহীম ও রহমান - আতিয়ার রহমানমাদরা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
পরিচয় - -এফ.এম. নাছরুল্লাহকাঠিগ্রাম, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
শক্তি করো গো দান - আতিয়ার রহমানমাদরা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
অলক্ষ্যের ডাক - আতিয়ার রহমানমাদরা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
কবিতা
রামাযানে আঞ্জাম - মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ, নলত্রী, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।
রক্তে রঞ্জিত ফিলিস্তীন
মিনতি - এস,আই মুহাম্মাদ আনীসুর রহমানদারিয়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
অন্ধ গোরের বাতি - আব্দুল্লাহ আল-মা‘রূফআরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সমকাল দর্পণ - মুহাম্মাদ খোরশেদ আলী মন্ডলচাঁদপুর, পাংশা, রাজবাড়ী।
হারাইল কোন দেশে? - এফ.এম. নাছরুল্লাহকাঠিগ্রাম, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মরণকে স্মরণ - মুহাম্মাদ লাবীবুর রহমানহয়বৎপুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
আরও
আরও
.