এ কেমন দেশ! হাটে-মাঠে মুফতিরই সমারোহ,

কুরআন-হাদীছ না জেনে দেয় ফৎওয়া অহরহ।

না আছে ইলম, নেই হিকমত তাদের হৃদয় মাঝে,

তবুও গলাবাজি করে তারা বড় আলেম সাজে!

ছাহাবী-তাবেঈ ছিলেন যারা ইলমের দীপধারী,

ফৎওয়া দিতে কাঁপত হৃদয় ভয় হ’ত বেশ ভারী।

একটি বাক্য বলার আগে কাঁদতেন রাতভর,

আজ সে ফৎওয়া অঙ্গনে সব মূর্খেরা যাদুকর।

রামাযান এলে শুরু হয় ভাই ফৎওয়াবাজির খেলা,

ছালাত-যাকাত-হজ্জ-ফেৎরা সবকিছু হয় ঘোলা।

মুছল্লী ভাবে, একি বিপদ! হারালাম নাকি দিক!

একেকজনে একেকটা কয়, সবাই নাকি ঠিক!

এমবিবিএস চিকিৎসক থেকে হাতুড়ে ডাক্তার,

ব-কলম থেকে শুরু করে উকীল ও মোক্তার,

সবাই বোঝে কুরআন-হাদীছ, করে ফৎওয়াবাজি,

মসজিদগুলো কাঁপিয়ে তোলে এদের গলাবাজি।

দাওয়াত দিলে হিকমতে দাও, দাও সত্যের আলো,

তুমিই বল, ফৎওয়ার নামে বিভ্রান্তি কি ভাল?

নিজের আমল যাচাই করো, কতটুকু শুদ্ধ হয়,

অন্যের দোষ খুঁজতে গিয়ে আমল করো না লয়।

-মুহাম্মাদ রিযওয়ানুল হক 

চিরিরবন্দর, দিনাজপুর। 






আরও
আরও
.