চীনে ২০২৫ সালেও টানা চতুর্থ বছরের মতো জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে এবছর ৩৩ লাখ ৯০ হাযার কমেছে। ফলে দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ১৪০ কোটি ৫০ লাখে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় গত বছর জন্মহার ১৭ শতাংশ কমে যাওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখে পৌঁছেছে, যা ১৯৬৮ সালের পর সর্বোচ্চ। মূলত দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতি, বিয়েতে তরুণ প্রজন্মের অনীহা এবং জীবনযাত্রার অত্যধিক ব্যয়ের কারণে জন্মহার এমন আশঙ্কাজনক হারে কমছে। যার ফলে দেশটিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সামগ্রিক অর্থনীতি ও পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই গভীর বহুমুখী সংকট মোকাবিলায় এবং জন্মহার বাড়াতে মরিয়া চীন সরকার ইতিমধ্যে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রায় ২ হাযার ৫৮০ কোটি ডলারের বিশাল অর্থনৈতিক প্রণোদনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যার আওতায় জাতীয় শিশু ভাতা প্রদানসহ গর্ভবতীদের আইভিএফ ও অন্যান্য সব চিকিৎসা খরচ সরকারিভাবে বহন করা হবে।
[ভারতের মধ্য প্রদেশে একই অবস্থা শুরু হয়েছে। সেখানে সন্তান বৃদ্ধির জন্য মায়েদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। আল্লাহর বিধান অগ্রাহ্য করলে তার শাস্তি এমনিভাবেই দুনিয়াতে নেমে আসে। সন্তান হ’ল সম্পদ, জঞ্জাল নয়। সর্বাগ্রে এই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে (স.স.)]