দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর ৩ হাযার ১৫০ কোটি টাকার বিপুল সরকারী ব্যয়ের মহোৎসব শেষে ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হ’ল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরকারী খরচ ছাড়াও প্রার্থী ও সমর্থকদের বিপুল ব্যয় হিসাব করা সম্ভব নয়। আপাতত ঘোষিত ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী ও ১০ জন উপদেষ্টা নিয়ে ৫৯ জনের বিশাল বহর এবং সরকারী ও বিরোধী দলের মোট ৩৫০ জন এমপি-র প্রটোকল দেওয়া বিশাল আইন শৃংখলা বাহিনী, সেই সাথে তাদের জন্য দেশ-বিদেশে সর্বত্র ভিআইপি মর্যাদায় ফ্রী চলাচলের রাজকীয় ব্যবস্থাপনার বিশাল বোঝা এই দরিদ্র দেশটির উপরে গণতন্ত্রের নামে নতুন ভাবে চাপানো হ’ল।

অথচ সদ্য বিগত ড. মুহাম্মাদ ইউনুস ২৪ জন উপদেষ্টা নিয়ে গত দেড় বছর নিরুপদ্রবে ও শান্তির সাথে দেশ পরিচালনা করেছেন। মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পেরেছে। আরো পূর্বে বিগত ২০০৭ ও ২০০৮ সালে মাত্র ১০ জন উপদেষ্টা নিয়ে ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রায় দু’বছর যে সুনামের সাথে দেশ চালিয়েছেন, কোন গণতান্ত্রিক তথা দলীয় সরকার এযাবৎ তার ধারে-কাছেও যেতে পারেনি। অথচ এমন নেতৃত্ব নির্বাচন করতে জনগণকে ১ টাকাও খরচ করতে হয়নি! এখন মানুষকে দলদাস হ’তে হবে অথবা দলীয় নেতাদের পিছে পিছে ঘুরতে হবে। তাদেরকে খুশী করেই সমাজে চলতে হবে। বৃটিশ আমলের জমিদারদের ন্যায় এযুগের এমপিরা স্ব স্ব এলাকার ইজারাদার হয়ে বসবেন। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের সর্বত্র দলীয় ব্যক্তিদের পুনর্বাসন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে এমনকি জনগণের শেষ আশ্রয় আদালত পর্যন্ত দলীয় হয়ে যেতে পারে। দেশটি যেন একটি দলের। এখানে অন্যদের মতামতের কোন মূল্য নেই। সংসদে বসে সংসদ নেতার পক্ষে টেবিল চাপড়ানো এবং বিরোধীদের ওয়াক আউট করা ছাড়া এবং ভাগ্যক্রমে কখনও সময় পেলে দু’মিনিট কথা বলা ছাড়া এমপিদের কোন কাজ নেই।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে একটি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ইসলামী দলগুলির নির্বাচনপ্রীতি আর ক্ষমতার লোভ সে পথকে আপাতত রুদ্ধ করে দিল। তবুও আমরা সবকিছু মেনে নিচ্ছি। কারণ আল্লাহ বলেছেন, ‘এই পৃথিবীর মালিকানা আল্লাহর। তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাকে চান এর উত্তরাধিকারী করেন। আর শুভ পরিণাম কেবল আল্লাহভীরুদের জন্যই’ (আ‘রাফ ৭/১২৮)

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হ’ল। যেখানে আল্লাহর নাম ছাড়াই শপথ নিয়ে বলা হ’ল ‘আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে শপথ করিতেছি যে,...। অথচ রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম ছাড়াই শপথ করে সে কুফরী করে অথবা শিরক করে (তিরমিযী হা/১৫৩৫)। অতঃপর ২১শে ফেব্রুয়ারী সরকারী ও বিরোধী দলের নেতারা রাত ১২-০১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিলেন। সেখানে কোন শহীদের কবর নেই। অথচ লাশ বিহীন কবর যিয়ারত মূর্তিপূজার শামিল। তাছাড়া বৃটিশদের নিকট রাত ১২-০১ মিনিট থেকে দিন শুরু হয়। অথচ ইসলামী বিধানে সূর্যোদয় থেকে দিন শুরু হয়। বিরোধী নেতা একই সঙ্গে একটি বড় ইসলামী দলের নেতা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বললেন, ‘এটি রাষ্ট্রীয় আচার হিসাবে আমার দায়িত্ব। এই পবিত্র মুহূর্তে আপনি আমাকে এরূপ প্রশ্ন করেন কেন’? অর্থাৎ শুরুতেই ইসলামী নেতা আদর্শিকভাবে পরাজিত। তিনি জানিয়ে দিলেন যে, গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম হওয়া সম্ভব নয়। তাহ’লে গেলেন কেন সে পথে? অথচ এটি আল্লাহ আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যদি তুমি জনপদের অধিকাংশ লোকের কথা মেনে চল, তাহ’লে ওরা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করবে’ (আন‘আম ৬/১১৬)। আর নিঃসন্দেহে কুফর কখনও ঈমানের বিকল্প হ’তে পারে না।

এর বিপরীতে ইসলামে নেতৃত্ব নির্বাচন ব্যবস্থা কতই না সুন্দর ও সহজ। যেখানে প্রেসিডেন্ট মনোনীত হবেন তাক্বওয়া, পরহেযগারিতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে। অতঃপর প্রেসিডেন্ট (যিনি অবশ্যই মুসলিম পুরুষ হবেন) দ্বীনদার, যোগ্যতাসম্পন্ন ও বিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে একটি ‘মজলিসে শূরা’ গঠন করবেন ও তাদের পরামর্শে দেশ চালাবেন। প্রয়োজনে রাষ্ট্রের অন্যান্য গুণী ও বিচক্ষণ ব্যক্তিদের নিকট থেকেও তিনি পরামর্শ গ্রহণ করবেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও পত্র-পত্রিকা উক্ত ভূমিকা পালন করতে পারে। দল ও প্রার্থীভিত্তিক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকবে না। সরকারী ও বিরোধী দল বলে কিছু থাকবে না। প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে মেধা, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রতিনিধি মনোনয়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য এবং প্রতিভা বিকাশের জন্য বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ সংগঠন সমূহ থাকবে। সৃষ্টির সেবা, প্রশাসনকে দিক-নির্দেশনা দান এবং সর্বোপরি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হবে এসব সংগঠনের মূল লক্ষ্য।

প্রশ্ন হ’ল, ডিসি-ইউএনওরা থাকতে পুনরায় এম.পি কেন? বলা হচ্ছে এরা আইন প্রণেতা। আইন প্রণয়নের জন্য শিক্ষিত ও দক্ষ ডিসি-ইউএনওরাই যথেষ্ট। আর আইনের মূলসূত্র তো কুরআন ও সুন্নাহ। সরকারের দায়িত্ব হ’ল সেগুলি বাস্তবায়ন করা। এজন্য এম.পি কেন লাগবে? তাছাড়া সচিবদের যোগ্যতা লাগে, কিন্তু এমপিদের কোন যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা লাগেনা! সচিবদের অবসর আছে। কিন্তু এমপিদের বয়সের প্রশ্ন নেই!

বলা হয়, ব্যক্তির বদলে জনগণ ক্ষমতার মালিক হবে। অথচ সমাজের অধিকাংশ লোকই হুজুগে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ। এদের ভোটে সৎ ও যোগ্য নেতা নির্বাচিত হওয়া প্রায় অসম্ভব। ইসলাম তাই নেতৃত্ব নির্বাচনের অধিকার ঢালাওভাবে সবার হাতে ছেড়ে দেয়নি। বরং সমাজের বিচক্ষণ আল্লাহভীরু ও যোগ্য শূরা সদস্যদের হাতে এ দায়িত্ব ন্যস্ত করেছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমাদের উপর অপরিহার্য হ’ল আমার সুন্নাত ও খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত অনুসরণ করা (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৬৫)। সেকারণ দেখা যায় যে, তখন থেকে ১৯২৪ সালের ৩রা মার্চ ওছমানীয় খেলাফতের বিলুপ্তি পর্যন্ত মুসলিম উম্মাহর মধ্যে খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম ছিল। অতঃপর পাশ্চাত্য চক্রান্তের বিষময় ফল হিসাবে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের নামে আমরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছি।

ইসলামের দল ও প্রার্থী বিহীন এবং শূরা ভিত্তিক নেতৃত্ব নির্বাচনের ফলাফল দাঁড়াবে এই যে, (১) জাতি সর্বদা একদল আল্লাহভীরু, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে প্রশাসনের সর্বত্র দেখতে পাবে। ৪, ৫, ৬ বছর অন্তর নেতৃত্ব নির্বাচনের অন্যায় ঝামেলা, অহেতুক অপচয় ও জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতি হ’তে দেশ বেঁচে যাবে। সামাজিক অনৈক্য ও রাজনৈতিক হানাহানি থেকে জাতি রক্ষা পাবে। (২) সর্বত্র একক ও স্থায়ী নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি হবে। যা জাতীয় উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য আবশ্যিক পূর্বশর্ত। ক্ষমতার লড়াই ও রাজনৈতিক সন্ত্রাস থেকে মুক্ত পরিবেশে জাতি একাগ্রচিত্তে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে পারবে। (৩) দল ও প্রার্থীভিত্তিক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকবে না। সরকারী ও বিরোধী দল বলে কিছু থাকবে না। ফলে দলীয় হানাহানি বলে কিছু থাকবে না। ক্ষমতা নিয়ে লোভ আর কায়েমী স্বার্থবাদ থাকবে না। রাজনীতি নামের কোন ব্যবসা থাকবে না। দেশটা কোন নির্দিষ্ট দলের হবে না।

(৪) সর্বোপরি বিদেশী সাম্রাজ্যবাদীরা ও প্রতিবেশী আধিপত্যবাদী শক্তি দেশীয় রাজনৈতিক দল সমূহকে তাদের এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার করতে নিরুৎসাহিত হবে। ফলে বিদেশের অঘোষিত দাসত্ব থেকে জাতি মুক্ত থাকবে। 

বলা হয়, গণতন্ত্রে ইনছাফ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে হবে? সরকারী দল যেটাকে ইনছাফ বলবে, বিরোধী দল সেটাকে বে-ইনছাফ বলবে। অবশেষে ফায়ছালা হবে সরকারী দলের হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে। পক্ষান্তরে ইসলামে ইনছাফ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হ’ল তাক্বওয়া এবং কুরআন ও সুন্নাহ। কোন দলের সমর্থন বা বিরোধিতা কুরআন ও সুন্নাহর ইনছাফ ও ন্যায়নীতিকে পরিবর্তন করতে পারে না। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সত্য সাক্ষ্য দানে অবিচল থাক, যদিও সেটি তোমাদের নিজেদের কিংবা তোমাদের পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়। (বাদী-বিবাদী) ধনী হৌক বা গরীব হৌক, আল্লাহ তাদের সর্বাধিক শুভাকাংখী। অতএব ন্যায়বিচারে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল অথবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে জেনে রেখ আল্লাহ তোমাদের সকল কৃতকর্ম সম্পর্কে সম্যক অবহিত’ (নিসা ৪/১৩৫)। এ আয়াতটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট্স রাজ্যের বিশবখ্যাত হার্ভার্ড বিশববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের গ্রন্থাগারের প্রবেশদ্বারে ন্যায়বিচারের শ্রেষ্ঠ বাণী হিসাবে ইস্পাতের সাইনবোর্ডে খোদাই করে লিপিবদ্ধ রয়েছে’। নিঃসনেদহে এটি অমুসলিমদের নিকট কুরআনের শ্রেষ্ঠতেবর স্বীকৃতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অথচ বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের বর্ধিত (অ্যানেক্স) ভবনের সামনে গ্রীক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য ২০১৭ সালের ২৬শে মে থেকে অদ্যাবধি সসম্মানে দঁাড়িয়ে আছে ন্যায় বিচারের প্রতীক হিসাবে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিগত ৫৪ বছরেও দেশে ইসলামী শাসন কায়েম হয়নি। ইসলামী দল সমূহের নেতারা সর্বদা ইসলামের নামে ভোট চেয়েছেন। অথচ সংসদে গিয়ে শুরুতেই রাষ্ট্রীয় আচারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। যারা ‘মন্দের ভাল’ মনে করে এটাতে অংশগ্রহণ করেন, তারা কি তাহ’লে শিরকের সঙ্গে আপোষ করে শিরক দূর করবেন? ময়লার ভাগাড়ে ডুব দিয়ে ময়লা ছাফ করবেন? নাকি এর বিরুদ্ধে জনমত গঠন করে এর মোকাবিলা করবেন। সিস্টেমের মধ্যে ঢুকে সিস্টেম পরিবর্তন করা আদৌ সম্ভব নয়, বরং সিস্টেমের বাইরে থেকে সিস্টেম পরিবর্তনের চেষ্টা করাই হবে মুমিনের সংগ্রাম। এজন্য আল্লাহ ত্বাগূতকে অস্বীকারের মাধ্যমেই ঈমানের পথে আহবান জানিয়েছেন, ত্বাগূতকে সাথে রেখে নয় (বাক্বারাহ ২/২৫৬)। তিনি পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন, ‘তোমরা আল্লাহর দাসত্ব কর এবং ত্বাগূত থেকে বিরত হও’ (নাহল ১৬/৩৬)

সর্বোপরি দেশে শাসক যিনিই হোক না কেন, রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের কর্তব্য হল সরকারের সৎকাজে সহযোগিতা করা এবং অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করা। রাসূল (ছাঃ) বলেন, (ভবিষ্যতে) তোমাদের উপর এমন সব শাসক নিযুক্ত হবে, যাদের কিছু কাজ তোমরা পসন্দ করবে এবং কিছু কাজ অপসন্দ করবে। তখন যে ব্যক্তি (অন্যায়ের) প্রতিবাদ করবে, সে (নেফাক থেকে) মুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি (অন্যায়কে) ঘৃণা করবে, সে (গোনাহে শরীক হওয়া থেকে ও আল্লাহর আযাব থেকে) নিরাপদ থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি (অন্যায়ে) সন্তুষ্ট হবে এবং তার অনুসরণ করবে (সে ধ্বংস হবে)। ছাহাবীগণ বললেন, আমরা কি তখন ঐ শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? রাসূল (ছাঃ) বললেন, না। যতক্ষণ তারা ছালাত কায়েম করে। না, যতক্ষণ তারা ছালাত কায়েম করে’ (মুসলিম হা/১৮৫৪; মিশকাত হা/৩৬৭১)। অতএব অমুসলিম বা ফাসেক মুসলিম উভয় সরকারের বিরুদ্ধে মুমিনের করণীয় হ’ল- (১) উত্তম পন্থায় অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। (২) দেশে ইসলামী বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য জনমত গঠন করা এবং বৈধপন্থায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।

আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদকারী প্রথম দলের অনুসারী হয়ে নেফাক থেকে দায়মুক্ত হ’তে চাই এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচতে চাই। আমরা কোন অবস্থাতেই আখেরাত হারিয়ে দুনিয়া অর্জন করতে চাই না। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন।-আমীন! (স.স.)






আহলেহাদীছ তাবলীগী ইজতেমা - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থান - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আত্মহত্যা করবেন না - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করুন - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
বিশ্বের শাসন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর তাকীদ - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
বিশ্বকাপ না বিশ্বনাশ? - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আদর্শ চির অম্লান - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
মিসকীন ওবামা, ভিকটিম ওসামা, সাবধান বাংলাদেশ - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
হজ্জ - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
রাষ্ট্র দর্শন - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
করোনা ও রামাযান - প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আরও
আরও
.