রাইয়ান দু’বছর বয়সে খবরের শিরোনাম হয়েছিল একটি ওষুধ নেওয়ার কারণে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে ২০২২ সালে রাইয়ানের শরীরে ওষুধটি ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিসের এই ওষুধ কিনতে চাইলে ২২ কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। তবে রাইয়ান ওষুটি পেয়েছিল লটারিতে। ২০২০ সালে রাইয়ানের জন্ম। রাইয়ানের মা ও দাদি খেয়াল করেন শিশুটি কিছুটা অস্বাভাবিক। হাত-পা খুবই নরম, পেশি বলে কিছুই নেই। তারপর নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর শনাক্ত হয় তার স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি বা এসএমএ নামের বিরল এই রোগ।
চিকিৎসক ও তার পিতা-মাতা জানিয়েছেন, জিন থেরাপি পাওয়ার পর শিশুটির অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং নিয়মিত উন্নতি হচ্ছে। হাত-পা শক্ত হচ্ছে। সে এখন বসতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর জিনগত ত্রুটি দূর হ’তে থাকবে, ও স্বাভাবিক হবে ইনশাআল্লাহ।
নোভার্টিস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের আরও একটি শিশু এই ওষুধটি পেয়েছে। শিশুটির বাবা একজন সরকারী কর্মকর্তা। তিনি ওষুধটি সমঝোতা মূল্যে কিনেছেন। এই সমঝোতায় সহায়তা করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল।
[আল্লাহ যেন কাউকে এইরূপ কঠিন রোগ না দেন, সেই দো‘আ করি (স.স.)]