পার্বত্য চট্টগ্রামে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ভারতীয় মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো, যার পুরোভাগে রয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি, ব্যাপক চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং সশস্ত্র হামলার মতো কর্মকান্ডের মাধ্যমে সংগঠনটি পার্বত্য অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামে কমপক্ষে ২৫০টি নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য বলে মনে করছেন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গোয়েন্দা তথ্যমতে, পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান থেকে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষক, পরিবহন সহ বিভিন্ন খাতকে যিম্মী করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, ইউপিডিএফের নৃশংসতার শিকার সাধারণ পাহাড়ী এবং বাঙালীরাও। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত গোষ্ঠীটি ৩৩২ জনকে অপহরণ করেছে, যাদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীও রয়েছেন। একই সময়ে তাদের হাতে ৮৯ জন নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে সেনাবাহিনীর ১৬ জন সদস্যও রয়েছেন। রাঙামাটির একজন জোন কমান্ডার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বলেন, ‘ভারতের মিজোরামে ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প সক্রিয় রয়েছে। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। সীমান্তজুড়ে সেনা ক্যাম্প না বাড়ালে এই অনুপ্রবেশ ঠেকানো অসম্ভব’।

বর্তমানে তিন পার্বত্য যেলায় ২১০টি সেনা ক্যাম্প থাকলেও ভৌগোলিক জটিলতার কারণে তা একেবারেই যথেষ্ট নয়। নিরাপত্তা বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. শহীদুয্যামান বলেন, ‘ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশ দেশের জন্য বড় শঙ্কার কারণ। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় কার্যকর নযরদারী ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের সক্ষমতা অর্জনের জন্য আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন সময়ের দাবী’।

[১৯৯৭ সালে সন্ত্রাসী নেতা সন্তু লারমার সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথিত শান্তিচুক্তির ফলে পার্বত্য যেলাগুলি থেকে অধিকাংশ সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়। এই সুযোগে ভারতীয়রা তাদের তৎপরতা বাড়ায়। বর্তমানে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে পুনরায় সেনাক্যাম্প স্থাপন করা অতীব যরূরী। আমরা সেনাবাহিনীর এই দাবীর সঙ্গে পুরোপুরি একমত। পার্বত্য এলাকার অবস্থা বিস্তারিত জানার জন্য দ্র. সম্পাদকীয় ‘বিজয়ের মাস ও পার্বত্য চুক্তি’ ডিসেম্বর ১৯৯৭ (দিগদর্শন-১ বই); ‘দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা রক্ষা করুন’ সেপ্টেম্বর ২০১১; ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২০ বছর পর’ এপ্রিল ২০১৮ (স.স.)]







আকিজ মোটরসের ইলেকট্রিক বাইক মাত্র ৮ টাকা খরচে চলবে সারাদিন
মহারাষ্ট্রে ১৪ হাযার ৫৯১ জন কৃষকের আত্মহত্যা
বাংলাদেশকে ১৪-১৫ লাখ লোক ফেরত নিতে বলব - -আসামের অর্থমন্ত্রী
বিদ্যুৎ খাতে আদানির সাথে চুক্তি : ২৫ বছরে ১২ লাখ কোটি টাকা লুটপাটের বন্দোবস্ত
সহস্র ফুট উঁচু মেগা সুনামিতে ধ্বংস হ’তে পারে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্র
জাতিসংঘে ইসরাঈলকে ত্যাগ করে ফিলিস্তীনের পক্ষে ভোট কানাডার
আফটার স্কুল মক্তব : প্রাথমিক ইসলাম শিক্ষায় নতুন প্রয়াস
এসএসসি পরীক্ষায় রেজাল্ট আশানুরূপ না হওয়ায় ২২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা, ৮ জনের মৃত্যু
মুহাম্মদ (ছাঃ)-এর অবমাননা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নয় ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের রায়
দেশে মানসিক রোগী ৩ কোটি (প্রতি চারজনে একজনের মানসিক সমস্যা)
রোহিঙ্গারা বাঙালী, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হ’তে হবে - -মিয়ানমার সেনাপ্রধান
বন্যায় ৭৪ জনের প্রাণহানি, সাড়ে ৯ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ৬ হাযার কি.মি. সড়ক সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত
আরও
আরও
.