মালয়েশিয়ার তরেংগানু প্রদেশে বৈধ কারণ ছাড়া জুম‘আর ছালাতে অনুপস্থিত মুসলিম পুরুষরা এখন সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদন্ড বা ৩ হাযার রিঙ্গিত (প্রায় ৯০ হাযার টাকা) জরিমানার মুখোমুখি হবেন শরী‘আহ আইনের অধীনে। সম্প্রতি প্রদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শরী‘আহ ক্রিমিনাল অফেন্সেস (তা‘যীর) আইনের আওতায় এ শাস্তি কার্যকর হবে।
প্রদেশের নির্বাহী কাউন্সিল সদস্য মুহাম্মাদ খলীল বলেন, একবার জুম‘আর ছালাত বাদ দিলেই তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। প্রদেশ সরকার জানায়, মসজিদগুলোতে ব্যানার টানানো হবে এবং জনগণকে আইন সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচারণা চালানো হবে। পাশাপাশি জনসাধারণের অভিযোগ বা টহল দলের মাধ্যমে ছালাত ত্যাগকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হ’তে পারে।
তরেংগানুর এই আইন প্রথম চালু হয় ২০০১ সালে এবং ২০১৬ সালে তা সংশোধন করে ছিয়াম ভঙ্গ ও প্রকাশ্যে নারীদের হয়রানির মতো অপরাধে আরও কঠোর শাস্তি যোগ করা হয়।
মালয়েশিয়ায় দ্বৈত আইনব্যবস্থা চালু আছে। মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে শরী‘আহ আইন কার্যকর হয়, আর পাশাপাশি নাগরিক আইনেরও প্রয়োগ রয়েছে। মালয় আইন অনুযায়ী, সব জাতিগত মালয় মুসলিম হিসাবে গণ্য হন। দেশটির ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দুই-তৃতীয়াংশ মালয়, বাকীরা চীনা ও ভারতীয় সংখ্যালঘু।
[ধন্যবাদ মালয়েশিয়ার প্রাদেশিক সরকারকে। এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন ৯২ শতাংশ মুসলিম অধিবাসীর বাংলাদেশ সরকার। আল্লাহ আমাদের হেদায়াত করুন (স.স.)]