গত ৮ই আগস্ট শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীস্থ গাউসুল আজম কমপ্লেক্সে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের আলোচনা সভায় সালাফী, ওহাবী, লা-মাযহাবীদের বিরুদ্ধে সংগঠনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’। এক যৌথ বিবৃতিতে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম ও প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ৯ই আগস্ট শনিবার দৈনিক ইনকিলাবের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘মাদরাসার স্বকীয়তা বজায় রাখতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা’ শীর্ষক রিপোর্টটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেখানে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন এবং মহাসচিব প্রিন্সিপাল শাববীর আহমদ মোমতাজীর ভাষণে আমরা দারুণভাবে মর্মাহত হয়েছি। তাদের বক্তব্যে সালাফী, লা-মাযহাবী মতাদর্শের বই বর্জনের আহবান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, আমরা জানি, জমিয়াতুল মোদার্রেছীন কোন রাজনৈতিক বা মাযহাবভিত্তিক সংগঠন নয়, এটি সারাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত একটি কল্যাণমুখী সংগঠন। যেখানে কেন্দ্রীয়, যেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বে বহু সালাফী বা আহলেহাদীছ শিক্ষক রয়েছেন এবং সারাদেশে শত শত আহলেহাদীছ শিক্ষক এই সংগঠনের সদস্য রয়েছেন। জনাব বাহাউদ্দীনের ঢালাও মন্তব্যে আহলেহাদীছ শিক্ষক সমাজসহ দেশের অন্যূন চারকোটি আহলেহাদীছের হৃদয়ে ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

তারা বলেন, সালাফী বা আহলেহাদীছ হচ্ছে ধর্মীয় ক্ষেত্রে মূলধারার অনুসারী। যারা রাসূল (ছাঃ)-এর রেখে যাওয়া বিশুদ্ধ দ্বীনের অনুসরণ করেন। চার মাযহাবের ইমামদের সম্পর্কে তাদের সুধারণা রয়েছে এবং তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক আমল করেন। তারা তাক্বলীদ বা অন্ধ ব্যক্তিপূজায় বিশ্বাসী নন। সুতরাং আহলেহাদীছ, সালাফী, ওহাবী, লা-মাযহাবী বলে ঢালাওভাবে বিষোদগার করা আদৌ কাম্য হ’তে পারে না। বিশেষ করে দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এরূপ কটূক্তি পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ককে বিনষ্ট করবে। বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে জনাব এ এম এম বাহাউদ্দীনের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহারের জোর দাবী জানান।






আরও
আরও
.