উত্তর : উভয়ে গোনাহগার হবে। কেননা দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং এটি ইসলামের নিদর্শন সমূহের অন্তর্ভুক্ত। এতে বাধা দিলে কর্তৃপক্ষের নিকট বিচার দিতে হবে। তাতে কাজ না হলে বাধ্যগত অবস্থায় অন্যপথ তালাশ করা যেতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘যার উপরে (কুফরীর জন্য) যবরদস্তি করা হয়, অথচ তার হৃদয় ঈমানের উপর প্রশান্ত থাকে, সে ব্যতীত যে ব্যক্তি ঈমান আনার পরে কুফরী করে এবং কুফরীর জন্য হৃদয়কে উন্মুক্ত করে দেয়, তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব ও তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি’ (নাহল ১৬/১০৬)। 

রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা গোঁফ অধিক ছোট করবে এবং দাড়ি ছেড়ে দিবে (আহমাদ হা/৭১৩২; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৩৯২)। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদেরকে গোঁফ খাটো করতে এবং দাড়ি লম্বা করতে আদেশ করেছেন’ (মুসলিম হা/২৫৯; আবুদাউদ হা/৪১৯৯)

প্রশ্নকারী : তানযীম আহমাদ, সিভাস, তুরস্ক।








প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : যৌতুক নেওয়া ও দেওয়ার পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩/১৩৩) : কোন্ কোন্ দিন ছিয়াম পালন করা নিষেধ? সোমবার ও বৃহষ্পতিবার ছিয়াম পালনের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ দিন পড়ে গেলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : আলী (রাঃ) খায়বারের যুদ্ধে দুর্গের দরজা নিজের হাতে তুলে নেন এবং সেটাকেই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতে করতে এগিয়ে যান। দরজাটি এত ভারী ছিল যে, পরবর্তীতে সাতজন ছাহাবী মিলেও তা তুলতে পারেননি। ঘটনাটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : কোন ব্যক্তিকে জিনে ধরলে তাকে কবিরাজের মাধ্যমে গলায় তাবীয দিয়ে জিন ছাড়ানো হয়। তাবীযটি সর্বদা না বাঁধা থাকলে পুনরায় জিন আছর করে। এরূপ তাবীয ব্যবহার কি শরী‘আত সম্মত? যদি না হয়, তবে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : আমার পিতার প্রস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়েছে। বর্তমানে তাঁর প্রস্রাবের ওপর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই এবং তিনি প্রস্রাবের বেগ অনুভব করতে পারেন না।তাই তিনি কিছুক্ষণ পর পর টয়লেটে যান। কিন্তু এরপরও অনিচ্ছাকৃতভাবে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব বের হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। ওমরা করা অবস্থায় যদি তার প্রস্রাব পড়ে যায় বা শর্ট প্যান্ট পরে ওমরা করেন এতে ওমরা হবে কি?
প্রশ্ন (১২/২৯২) : সন্তানের হারাম উপার্জন পিতা-মাতার জন্য গ্রহণ করা জায়েয হবে কি? বিশেষতঃ পিতা-মাতা যদি সচ্ছল হয়ে থাকেন।
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : পিতা সন্তানকে অছিয়ত করে গেলেন জানাযার ছালাত পড়ানোর জন্য, তবে পিতা যখন মারা গেলেন তখন সন্তানের জানাযার দো‘আ মুখস্থ নেই। মৃতের মেয়ে জামাই একজন আলেম। এমতাবস্থায় সন্তানের করনীয় কি?
প্রশ্ন (৩২/৩২) : ঋণদাতা ও গ্রহীতা উভয়েই মৃত। তাদের ওয়ারিছ পাওয়া যায় না। এক্ষণে ঋণগ্রহীতার ওয়ারিছগণ ঋণদাতার উক্ত ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবে?
প্রশ্ন (৮/৮) : আমাদের ১৫ বছরের সংসার। সন্তান হয় না। ব্যয়বহুল চিকিৎসার পর ডাক্তার আমার স্ত্রীকে টিউবের মাধ্যমে অন্য পুরুষের সিমেন পুশ করেছে। আমার স্ত্রী এখন সন্তান সম্ভবা। প্রশ্ন হ’ল এই চিকিৎসা কি শরী‘আত সম্মত হয়েছে? উক্ত সন্তান কি জারজ হিসাবে সম্পত্তি হ’তে বঞ্চিত হবে? এই সন্তান কি আমাকে পিতা ডাকতে পারবে? এই সন্তানের বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১/১৬১) : আমি গহনার দোকানের হেড ম্যানেজার। আমাদের ব্যবসার পলিসিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়। যেমন পুরাতন গহনা ঘষে-মেজে নতুন বলে বিক্রি করা, পুরাতন স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা টাল-বাহানা, গোঁজামিল ও প্রকৃত মূল্য গোপন করা ইত্যাদি। মালিকের নির্দেশনায় এসব কাজ আমাকে করতে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৮/৪৪৮) : অধিকাংশ আলেম বলেন, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ পৃথক ছালাত। তাহাজ্জুদ ১১ রাক‘আত আর তারাবীহ ২০ রাক‘আত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : বিবাহের পূর্বে দেনমোহর নিয়ে অভিভাবকের সাথে পাত্রের বনিবনা না হওয়ায় বিবাহ ভেঙ্গে যায়। পরে তারা পালিয়ে গিয়ে কাযী অফিসের মাধ্যমে বিবাহ করে। কিছুদিন পর যুবকটি তাকে তিন মাসে তিন তালাক দেয়। এক্ষণে তারা পুনরায় সংসার করতে ইচ্ছুক। তাদের জন্য করণীয় কি? - আবু তাহের খান, ভালুকা, ময়মনসিংহ।
আরও
আরও
.