উত্তর : উভয়ে গোনাহগার হবে। কেননা দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং এটি ইসলামের নিদর্শন সমূহের অন্তর্ভুক্ত। এতে বাধা দিলে কর্তৃপক্ষের নিকট বিচার দিতে হবে। তাতে কাজ না হলে বাধ্যগত অবস্থায় অন্যপথ তালাশ করা যেতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘যার উপরে (কুফরীর জন্য) যবরদস্তি করা হয়, অথচ তার হৃদয় ঈমানের উপর প্রশান্ত থাকে, সে ব্যতীত যে ব্যক্তি ঈমান আনার পরে কুফরী করে এবং কুফরীর জন্য হৃদয়কে উন্মুক্ত করে দেয়, তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব ও তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি’ (নাহল ১৬/১০৬)।
রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা গোঁফ অধিক ছোট করবে এবং দাড়ি ছেড়ে দিবে (আহমাদ হা/৭১৩২; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৩৯২)। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদেরকে গোঁফ খাটো করতে এবং দাড়ি লম্বা করতে আদেশ করেছেন’ (মুসলিম হা/২৫৯; আবুদাউদ হা/৪১৯৯)।
প্রশ্নকারী : তানযীম আহমাদ, সিভাস, তুরস্ক।