
বিশ্বের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান প্রধান দেশ (শতকরা হারে)
সঊদী আরব ও মৌরিতানিয়ায় জনসংখ্যার শতকরা ১০০ ভাগ মুসলমান, ইয়েমেনে প্রায় ১০০ ভাগ, তুরষ্কে ৯৯.৮ ভাগ, আফগানিস্তান, আলজেরিয়া ও মরক্কোতে ৯৯ ভাগ, ইরান ও তিউনিসিয়ায় শতকরা ৯৮ ভাগ, ইরাক ও লিবিয়ায় শতকরা ৯৭ ভাগ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে শতকরা ৯৬ ভাগ, পাকিস্তানে শতকরা ৯৫ ভাগ, জর্ডানে শতকরা ৯২ ভাগ, মিসরে শতকরা ৯০ ভাগ, ইন্দোনেশিয়ায় শতকরা ৮৬ ভাগ, কুয়েতে শতকরা ৮৫ ভাগ, বাংলাদেশে শতকরা ৮৩ ভাগ, বাহরাইনে শতকরা ৮১ ভাগ, সিরিয়ায় ৭৪ ভাগ, আলবেনিয়া ও সূদানে শতকরা ৭০ ভাগ এবং ব্রুনাইয়ে শতকরা ৬৭ ভাগ মুসলমান।
জুন মাসে কাশ্মীরে ৩৩ জনকে হত্যা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী
অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সৈন্যরা গত জুন মাসে চার শিশুসহ কমপক্ষে ৩৩ জন নিরীহ কাশ্মীরীকে হত্যা করেছে। আন্তঃরাজ্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের আশ্রয় নিয়ে এ হত্যাকান্ড চালানো হয় বলে ব্লিচার্স সেন্টার অব কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস জানিয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে ৫৭২ জন,গ্রেফতার হয়েছে ২২৮ জন। তাছাড়া এ মাসে ভারতীয় সৈন্যরা আট নারীকে ধর্ষণ করে এবং ১৬টি আবাসিক ভবনে গোলা নিক্ষেপ করে।
কসোভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে বৈধ ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক আদালত
আন্তর্জাতিক আদালত কসোভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে বৈধ বলে রায় দিয়েছে। নেদারল্যান্ডের হেগ-এ অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস-এর প্রিজাইডিং জজ হিসাশি আওয়াদা গত ২২ জুলাই এ বিষয়ে তার রায় পড়ে শোনান। তিনি তার রায়ে বলেন, কসোভোর স্বাধীনতা ঘোষণা আন্তর্জাতিক আইনকে লংঘন করেনি। পর্যবেক্ষকগণ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের এই রায়ের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে গোটা বিশ্বে। এর ফলে পৃথিবীর যেখানেই ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ স্বাধীনতা দাবী করবে তাদের সে দাবীকে কেউ অবৈধ আখ্যা দিতে পারবে না। এ কারণে ফিলিস্তীন, কাশ্মীর, ফিলিপাইন, চেচনিয়া, ইঙ্গুশেটিয়া ও শিনঝিয়াংয়ের উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতার দাবীও বৈধ হিসাবে বিবেচিত হবে।
কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ঐ ঘোষণার বৈধতার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় জানতে চায়। দীর্ঘ দু’বছর পর আন্তর্জাতিক আদালত তাদের রায় ঘোষণা করল। এ রায়ের ফলে বিশ্বের আরো দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই রায় ঘোষণার পরপরই সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরিস টাডিচ তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের কারণে কসোভোর ব্যাপারে সার্বিয়ার অবস্থানের কোন পরিবর্তন ঘটবে না। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশের মধ্যে ২২টি দেশসহ বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশ কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বর্তমানে কসোভোতে ২০ লাখ আলবেনীয় এবং ১ লাখ ২০ হাযার সার্ব পৃথকভাবে বসবাস করে।