ফিলিপাইনে মুসলমানেরা স্বায়ত্তশাসন পেতে যাচ্ছে

ফিলিপাইনে মুসলমানদের জন্য আলাদা একটি স্বায়ত্তশাসিত এলাকা ঘোষিত হ’তে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো দেশটির কংগ্রেসকে মুসলমানদের জন্য স্বায়ত্তশাসিত একটি এলাকা ঘোষণার জন্য দ্রুত একটি আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। পাঁচ দশকের সহিংসতার অবসান ঘটাতে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দু’পক্ষের সম্মতিতে গত মার্চে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দীর্ঘদিনের সহিংসতায় দেশটির এক লাখ ২০ হাযারের বেশী মানুষ নিহত ও ২০ লাখ লোক শরণার্থীতে পরিণত এবং উন্নয়ন কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। অ্যাকুইনো চান, যে কোনভাবে হোক ২০১৬ সালের মধ্যে এটি সম্পন্ন হোক।

আব্দুল আযীয তার ইসলাম গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরো বলেন, ‘ইসলাম সম্পর্কে বোঝার জন্য শুধু পড়াশুনা করা যথেষ্ট নয়। যারা প্রতিনিধিত্ব করে (ইসলাম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখে) তাদের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমে এর অন্তর্নিহিত চেতনা সত্যিকারভাবে প্রতিফলিত হয়’। তিনি নিজেকে ভাগ্যবান বিবেচনা করে বলেন যে, তিনি সঊদী আরবে তার মুসলিম বন্ধুদের সাথে সাক্ষাৎ ও সাথী হওয়ার মাধ্যমে আবিষ্কার করতে পেরেছিলেন ইসলাম ন্যায় ও সহনশীলতার ধর্ম। ‘মুসলমানরা বিশেষতঃ সঊদীদেরকে তিনি বিনয়ী ও মুক্ত মনের’ উল্লেখ করে বলেন, তিনি তাদের একটি পরিবারের মত অনুভব করেন। তাদের সাথে থাকা অবস্থায় তাদের কাছ থেকে বিছিন্নতা বা নিষ্ঠুরতার কোন অভিজ্ঞতা তিনি পাননি। সঊদী সমাজের ধার্মিকতা তাকে সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করেছে। ধর্ম তাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে সম্পর্কযুক্ত থাকতে সাহায্য করে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমার সব অমুসলিম সহকর্মীদের মাঝে ইসলাম সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনতে পারব’। তিনি সমালোচনা করে বলেন যে,  মুসলিম ব্যবসায়ীরা তাদের অমুসলিম সাথীদের এই মহামান্বিত ধর্মের প্রবেশ করানোর ব্যাপারে মোটেও অগ্রগামী নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা অন্ততঃ আমাদের ব্যবসায়ী সভায় অমুসলিম সহকর্মীদের ইসলামী বই দিতে পারি, যা তাদের মাঝে ইসলামের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সাহায্য করবে’।

দুর্নীতির কারণে প্রতি বছর মারা যায় ৩৬ লাখ মানুষ

দুর্নীতি ডেকে আনছে দারিদ্র্য। আর দরিদ্র দেশগুলোতে প্রতিবছর দারিদ্রে্যর কারণে মারা যাচ্ছে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি দারিদ্র্য দূরীকরণ সংস্থার হিসাব দিয়েছে, দরিদ্র দেশগুলো থেকে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ কোটি ডলার দুর্নীতির মাধ্যমে তুলে নেয়া হয় এবং দুর্নীতির কারণে এই বিপুলসংখ্যক হতভাগ্য মানুষ মৃত্যুর শিকার হয়। সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, দুর্নীতি ও অপরাধ চরম পর্যায়ের দারিদ্র্য মোকাবেলায় দুই দশকের অগ্রগতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ লুট ও মুদ্রা পাচারও এসব দুর্নীতির মধ্যে রয়েছে। কোন পদক্ষেপ না নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করায় এসব দুর্নীতি আরো শক্তিশালী হয়েছে।






আরও
আরও
.