বিশ্বে এমন কয়েকটি রাষ্ট্র রয়েছে, যাদের কোন বিমানবন্দর নেই। তবে বিমানবন্দর না থাকলেও আছে অন্ততপক্ষে একটি করে হেলিপোর্ট। সেগুলি হ’ল : আন্ডোরা, লিখটেনস্টাইন, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তীন।

অ্যান্ডোরা : এদেশে কোন বিমানবন্দর নেই। তবে তিনটি বেসরকারী হেলিপোর্ট বা হেলিকপ্টার অবতরণের বন্দর রয়েছে। আর আছে একটি হাসপাতালের হেলিপ্যাড। এই দেশের সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দরটির অবস্থান স্পেনে। লিখটেনস্টাইন : এই দেশটিতে কোন বিমানবন্দর নেই। কেবল দক্ষিণাঞ্চলের শহর বালৎসেরে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে। সবচেয়ে কাছের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সুইজারল্যান্ড এবং জার্মানিতে অবস্থিত। মোনাকো : মোনাকোতে বিমানবন্দর না থাকলেও ফন্টভিলেতে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে। সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দরটি ফ্রান্সের নিস শহরে। সান মারিনো : এ দেশেও কোন বিমানবন্দর নেই। তবে বোর্গো মাগিওরিতে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে। আর টোরাসিয়াতে আছে একটি ছোট্ট এয়ারফিল্ড, যার রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২ হাযার ২৩০ ফুট। সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দরটি ইটালিতে অবস্থিত। ভ্যাটিকান সিটি : ভ্যাটিকান সিটির আয়তনই বলে দেয় এখানে কোনও বিমানবন্দর থাকা অসম্ভব। এর আয়তন মাত্র দশমিক ১৭ বর্গ মাইল। তবে এর পশ্চিম প্রান্তে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে। সেটা রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারী কর্মকর্তারা ব্যবহার করেন। সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর ইটালির রাজধানী রোমে। ফিলিস্তীন : ফিলিস্তীন বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত একটি রাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটি আয়তনে বেশ বড় হ’লেও দেশটিতে কোন এয়ারপোর্ট নেই। ইসস্রাঈলের বেন কুরিয়ন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ফিলিস্তীনের মূল শহরের দূরত্ব ৪১ কিলোমিটার প্রায়। তাই ঐ পথেই ফিলিস্তীনে প্রবেশ সবচেয়ে কাছের হয়।






বাংলাদেশে নদীর পানিতে ৩০০ গুণ বেশী এন্টিবায়োটিক দূষণ
বাবরী মসজিদ ধ্বংসে প্রথম অংশ নেওয়া বলবীর সিং নওমুসলিম মুহাম্মাদ আমের-এর মৃত্যু
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু টিকার সফল গবেষণা
যুগান্তকারী রায় : সংসারজীবনে ফিরলেন ৫০ দম্পতি
মহাশূন্যে যুদ্ধের জন্য ‘মহাকাশ বাহিনী’ গঠনের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের
স্বদেশ-বিদেশ
স্বদেশ-বিদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের মত বন্ধু থাকলে আর কোন শত্রুর দরকার নেই : টুস্ক
সর্বপ্রথম কোয়ারেন্টাইন উদ্ভাবন করেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)
সিগারেট ছেড়ে ৭ বছরে সঞ্চয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা
দেশে ১২% সংখ্যালঘু, অথচ সরকারী চাকুরীতে ২৫%
ফারাক্কার কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি
আরও
আরও
.