জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ডব্লিউএফপি বলেছে, এল নিনোর প্রভাবে খরায় আক্রান্ত হয়ে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অনাহারের সম্মুখীন। এ সংখ্যা বেড়ে ৫ কোটিতে দাঁড়াতে পারে। আফ্রিকার দক্ষিণ অঞ্চলে প্রতি দুই থেকে সাত বছর পর অনাবৃষ্টি বা খরার কারণে ফসল বিনষ্ট হয়। তবে ২০১৫ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণ বেশী ছিল, যা তাদের চরম খাদ্য সঙ্কটে ফেলেছে। আফ্রিকার এ অঞ্চলটি ভৌগলিকভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এল নিনোর দ্বারা প্রভাবিত।





বিষয়সমূহ: আমল
বন্দীদের জন্য ইতালীর সব কারাগারে মসজিদ!
মধ্য আফ্রিকায় চলছে মুসলিম উচ্ছেদ
কুমিল্লায় অসহায়দের ভরসা ‘মানবিক ঝুড়ি’
২৫ বছরে মার্কিন যুদ্ধে নিহত ৪৫ লাখ, বাস্ত্তচ্যুত ৩ কোটি ৮০ লাখ
ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব : চুক্তির পর স্মরণকালের সর্বনিম্ন পানি পেল বাংলাদেশ
দু’লাখ রোহিঙ্গাকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার - -মেজর জেনারেল (অব.) ফযলুর রহমান
স্বদেশ-বিদেশ
ইরাক যুদ্ধে ‘ভুলে’র জন্য টনি ব্লেয়ারের দুঃখ প্রকাশ
গাদ্দাফী ছিলেন আফ্রিকার ত্রাতা
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপযেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ
গরু কারো মা হ’তে পারে না - গরু কারো মা হ’তে পারে না
স্বদেশ-বিদেশ
আরও
আরও
.